Online Santal Resource Page: the Santals identity, clans, living places, culture,rituals, customs, using of herbal medicine, education, traditions ...etc and present status.

The Santal Resource Page: these are all online published sources

Santal Gãota reaḱ onolko ńam lạgit́ SRP khon thoṛ̣a gõṛ̃o ńamoḱa mente ińaḱ pạtiạu ar kạṭić kurumuṭu...

Sunday, December 22, 2013

আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষাদান নতুন বছরেই শুরু করা হোক


বিশেষ প্রতিনিধি | আপডেট: ২২:২৪, ডিসেম্বর ২১, ২০১৩ 
 আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা নতুন বছরেই শুরু করা হোক। আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা দেওয়ার বিষয়ে সরকারের আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই। পাঠ্যসূচি তৈরি, পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও শিক্ষক প্রশিক্ষণের কাজ দ্রুত শেষ করে আদিবাসী শিশুদের বিদ্যালয়ে নেওয়া জরুরি।
আজ শনিবার ‘প্রথম আলো’ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা: মূলধারায়নের কৌশল’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা এই অভিমত দিয়েছেন। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সেভ দ্য চিলড্রেনের সহায়তায় ‘প্রথম আলো’ এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। সরকারের দুজন সচিব, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আদিবাসী নেতা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে জানানো হয়, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও সাদ্রি—এই পাঁচটি ভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করবে। গোলটেবিল বৈঠকে সেভ দ্য চিলড্রেনের ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপক মেহেরুন নাহার বলেন, এই পাঁচটি ভাষাভাষী শিশুদের মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়নি। এদের জন্য পাঠ্যসূচি, পাঠ্যবই তৈরি হয়নি। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণও হয়নি।


একাধিক বিশেষজ্ঞ বলেন, শিশুকে শিক্ষার জন্য প্রস্তুত করতে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে মাতৃভাষায় শিক্ষা দেওয়া জরুরি। এরপর সে ধীরে ধীরে মাতৃভাষার সঙ্গে অন্য ভাষায় (বাংলাদেশের জন্য বাংলা) শিক্ষা নেবে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সময় সাত বছর। এই সময়টাকে বলে ‘ব্রিজিং পিরিয়ড’। পরবর্তী সময়ে সে ইংরেজি শিখবে।
ন্যাশনাল কারিকুলাম ও টেক্সট বুক বোর্ডের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান বলেন, প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা দেওয়ার ব্যাপারে সরকার আন্তরিক। তবে সরকার যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে চায়। তিনি বলেন, শিশুদের বই সরাসরি অনুবাদ করলে হবে না। তা পরিগ্রহণ (অ্যাডাপ্ট) করতে হবে, যেন শিশুর পারিপার্শ্বিকতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হয়। এরপর তা স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা সভায় তুলতে হবে। তারপর তা জাতীয় কাউন্সিলে পাস করিয়ে নিতে হবে। সবশেষে তা স্কুল পর্যায়ে যাবে। এই প্রক্রিয়া কবে নাগাদ শেষ হবে, শফিকুর রহমান তা বলেননি। তবে বলেছেন, খুব বেশি সময় লাগবে না।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা প্রশ্ন তোলেন, আদিবাসীদের অনেকের ছেলেমেয়ে ঢাকার ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়ছে, আর বাজার অর্থনীতির যুগে লোগাং বা পানছড়ির আদিবাসী শিশুকে মাতৃভাষায় শিক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এটা বৈষম্য তৈরি করছে কি না। তিনি বলেন, ইউএনডিপির অর্থায়নে পরিচালিত ৩৩২টি স্কুল অর্থসংকটের কারণে বন্ধ হতে চলেছে। কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এক্ষুনি পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরাসহ বৈঠকে উপস্থিত প্রায় সবাই আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষার সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানান। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার ত্রিপুরা বলেন, জাতীয় শিক্ষানীতিতে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করা হলেও খসড়া শিক্ষা আইনে তা ব্যবহার করা হয়নি। ‘মাতৃভাষা শিক্ষা’ ও ‘মাতৃভাষায় শিক্ষা’র মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য। জাতীয় শিক্ষানীতিতে আদিবাসী শিশুদের ‘মাতৃভাষা শিক্ষা’ কথাটি ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এ রকম আরও অনেক নীতিগত ও মৌলিক বিষয়ের সমাধান জাতীয়ভাবে হয়নি। তিনি বলেন, দাতাদের অর্থায়নে শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ না হয়ে আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষার উদ্যোগ সাংবিধানিকভাবেই হওয়া উচিত ছিল।
স্বাগত বক্তব্যে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও ‘প্রথম আলো’র সহযোগী সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, মানুষ স্বপ্ন দেখে মাতৃভাষায়। মাতৃভাষায় স্বপ্ন দেখা থেকে কাউকে বঞ্চিত করা উচিত নয়।
খাগড়াছড়ির জাবারং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, আদিবাসীদের মধ্যে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা ও লিখিত উপাদান কম। তিনি শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও অভিধান তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক সৌরভ সিকদার বলেন, পাঠ্যপুস্তক তৈরি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, বিশেষজ্ঞ তৈরি না হওয়ায় মাতৃভাষায় শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা হয়ে আছে। তিনি অভিযোগ করেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে এবং কাজের সমন্বয়ের অভাবে আদিবাসী শিশুদের পাঠ্যবই এখনো তৈরি হয়নি।
আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং বলেন, সংবিধানে বাংলাদেশের সব মানুষকে বাঙালি বলা অন্যায়, অগ্রহণযোগ্য ও আন্তর্জাতিক সনদের লঙ্ঘন।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক পুলক চাকমা বলেন, নিজেদের ভাষায় শিশুদের শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে আদিবাসীদের নিজেদের প্রস্তুতি নেই। তিনি বলেন, বাংলাদেশে একটি ভাষানীতি থাকা দরকার। তিনি জানান, কোথায় কী ভাষায় কথা বলে, তার একটি জরিপ করতে যাচ্ছে সরকার। কোন ভাষা হারিয়ে গেছে, তাও এই জরিপ থেকে জানা যাবে।
সরকার আদিবাসী শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষার বিষয়ে কখন কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তার বর্ণনা দেন গণসাক্ষরতা অভিযানের কার্যক্রম ব্যবস্থাপক তপন কুমার দাশ।
সাঁওতালেরা কোন লিপি ব্যবহার করবে—এ সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি বলে সরকারি উদ্যোগের প্রাথমিক পর্যায়ে তারা অন্তর্ভুক্ত হতে পারছে না। এ প্রসঙ্গে ব্র্যাকের পরিচালক আন্না মিনয বলেন, কোনো উদ্যোগ আদিবাসীদের মধ্যে সামান্যতম কোনো বিরোধ বা বিভেদ সৃষ্টি করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।
সেভ দ্য চিলড্রেনের শিক্ষা সেক্টরের উপদেষ্টা ম. হাবিবুর রহমান বলেন, আদিবাসীদের মধ্যে শিক্ষকের স্বল্পতা আছে। একটু সুযোগ দিয়ে হলেও আদিবাসীদের মধ্য থেকে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
আলোচনার সমাপনী পর্বে প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসচিব কাজী আখতার হোসেন বলেন, সার্বিকভাবে বাংলাদেশ এগোচ্ছে। এ দেশের সব জাতিগোষ্ঠীর শিশুরাই শিক্ষা অর্জন করবে। আপাতত যেসব সমস্যা দেখা দিয়েছে, তা অচিরেই দূর করার আশ্বাস দেন তিনি।
Source:http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/104755/%E0%A6%86%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80_%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A7%9F_%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8_%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%87  
Share:

বাংলা গানে সাঁওতালি সুর

সাঁওতালি সুরে বাংলা ভাষায় অনেক গান লেখা হয়েছে। সেখান থেকে আমার পছন্দের গানের একটি তালিকা দেয়া হলো। আপনারা আমাকে সাহায্য করে গানের তালিকাটিকে আরো সমৃদ্ধ করলে অনেক খুশি হবো।
০১. কালো জলে কুচলা তলে, ডুবলো সনাতন; আজ সারা না কাল সারা না পাই যে দরশন,
০২. ফুল গাছটি লাগইছিলাম ধুলা মাটি দিয়ারে, সেফুলো ফুটিয়া রইলো অগম দইরার মাজারে,
০৩. একদিন কার হলুদ বাঁটো তিন দিনকার বাসি, চৌদ্দলং চৌদ্দলং ফুরায় গেল হে, 
০৪. রাঙামাটির পথে লো, মাদল বাজে বাজে বাঁশের বাঁশী,
০৫. হলুদ গাঁদার ফুল, রাঙা পলাশ ফুল, এনে দে এনে দে নইলে বাঁধব না বাঁধব না চুল,
০৬. চুড়ির তালে নুড়ির মালা রিনিঝিনি বাজে লো, খোঁপায় দোলে বনফুলের কুঁড়ি,
০৭. আমার দুর্যোধনে বিদায় দিব কেমনে, মাসাবধি দুর্যোধনকে পুঁজেছি যতনে, দুর্যোধনে,  
০৮. আগা ডালে বোসো কোকিল মাঝ ডালে বাসারে, ভাঙিল বৃক্ষের ডাল জীবনে নাই আশারে,
০৯. দালান দিলি মহল দিলি বাড়ির নিচে পুষ্করিণী, একখানা পানসী দিতে পারনি,
১০. কৃষ্ণ কালার কী রূপ রাধা পাগল হলো, কালো রূপ কী দেখেসে প্রেমেতে মজিল,
১১. আমার ঘরকে ভাদুএলেন কোত্থ্যাকে বসাবো, পিয়াল গাছের তলায় আসন সাজাবো,
১২. চাঁদ উঠেছে ঐ, ফুল ফুটেছে ঐ, সোনার মেয়ে নাচো দেখি মাথার চুল খুলে,
১৩. ইচ্ছেমতোন রোদ জ্বলে যায়, ইচ্ছেমতোন জলের কণা মেঘ, ... ইচ্ছেমতোন ঘুরি  
১৪. তু রাঙামাটির দেশে যা, লাল পাহাড়ির দেশে যা, হেথাক তোকে মানাইছে নারে,
. ঝিঙ্গাফুলি সাজেতে পেয়ে পথের মাঝেতে, তু কেনে কাদা দিলি সাদা কাপড়ে,     
১৬. আজ গানের তালে হৃদয় দোলে মিঠে বাতাস যাইরে বয়, হলুদ ধানের দোদুল দোলায়,
১৭. বিহুরে লগন মধুরে লগন, আকাশে বাতাসে লাগিল রে, চম্পা ফুটিছে চামেলি ফুটিছে, 
১৮. দোল দোল দুলুনি, রাঙা মাথার চিরনি, এনে দেব হাট থেকে মান তুমি করোনা,
১৯. ও মনরে.. , সাঁওতাল করেছে ভগবানরে, সাঁওতাল করেছে ভগবান,
২০. ইটা তুর কেমুন ... ছলনা, ও মেঘের বউ চাঁদ,
. ময়না ছলা ছলা চলে রে, পেছন পানে চাইনা রে, মন ধুকপুক ধুকপুক করে রে,
২২. হুররর তাং তাং, ধনুকে জোর দেরে টান, টানা বাবা টানা, ফিরিঙ্গি দেয় হানা,
২৩. ভাদর আশ্বিন মাসে ভ্রমর বসে কাঁচা বাঁশে, ...  আর না থাকিও বাপের ঘরেতে, ও বধূ হে,
২৪. ফাগুনেরো মোহনায়, মন মাতানো মহুয়ায়, রঙ্গিণী বিভুর নেশা কোন আকাশে নিয়ে যায়,
২৫. আজ জীবন খুঁজে পাবি, ছুটে ছুটে আয়, মরণ ভুলে গিয়ে ছুটে ছুটে আয়,
২৬. আমি যদি তুমার হতাম...... খোঁপায় তোমার গুঁজে দিতাম শাল বনের ফুল লো,
২৭. সাইরন বাজলো অপিসেতে লো, উঠলো মিনির মা কামে যেতে হবে, (দোহার)
১-৩ নং গান উত্তরা সিনেমায় ব্যবহৃত-৬ নজরুল সঙ্গীত৭-১২ নং শিল্পী কৃষ্ণকলি তার বুনোফুল এবং ১৩ নং গানটি সূর্যে বাসি বাঁধা এলবামে গেয়েছেন বাকিগুলা এখানে-ওখানে শোনা

আরো পড়ুনঅনুপ সাদির প্রবন্ধঃ  

০১. হেমাঙ্গ বিশ্বাস, বাংলা গণসংগীতের জননন্দিত মহাযোদ্ধা

আরো পড়ুন কয়েকটি গান

০২. উত্তরা সিনেমার তিনটি গান

০৩. হেমাঙ্গ বিশ্বাসের কয়েকটি গান

Source:http://anupsadi.blogspot.com/2013/07/blog-post.html

Share:

Tuesday, December 3, 2013

KUKMU TEAḰ KUPULI


Jug Sirijolren soḱdoroić calaoen 16 tạrik Octobor 2011 phontei nẽhroạdińa P.O. Bodding Saheb ńutumte mit́ bar onol dohoe lạgit́. Nacar ạkil hataṅ iạte cet́ iń ola bạń hudis daṛewada. Ar hudis hudistege iń doń jạpit́ket́a. Ńińdạ tala barabari okte iń do mit́ṭen kukmuń ńelkeda. Iń do ‘Jug Sirijol’ ar ‘Citrighutu Express’ ren khoboriạ lekate P.O. Bodding Sahebaḱ kupuliń hataoeda. Ona kupuli reaḱ kathakogeń ol jạhireda.
P.O. Bodding Saheb do mit́ṭen laṛaoḱ ceyar se jeleń tiạr ceyar re duṛuṕ akana. Ar iń (khoboria) do uni samaṅre kagoć kolom ante mit́ṭen huḍiń ṭebil samaṅreń duṛuṕ akana. Iń do bohoḱ tumbut́ kateiń doboḱadea. Ar kukliyiń ehoṕ keda:
Khoboriạ: Am ma Norwe disomren mit́ṭen dhorom poporcarić, ado tinạḱ salkore Bharot disomte dom aṛgolena?
P.O. Bodding: Iń do 1890 sal reaḱ January mạhinare Bharot disomteń aṛgolena. Ona okteren misonari L.O. Skrefsrud ar H.P. Borresen metaḱ me Kerap Saheb ar Papa Saheb tạkin kạmire goṛoạkin lạgit́.
Khoboriạ: Acha pastor saheb, Bharot disom hijuḱ laha Santal jạt babotte jahanaḱ oprom tãhẽkan tama se baṅ?
P.O. Bodding: Ńelme Bharot hijuḱ laha mit́ bar onolkoń paṛhao let́a. Unko modre Beptist misonari let́a. Unko modre Beptist mosonari William Carey, Rev. A. Leslie waḱ ar ińren ayurić Skrefsrud-aḱ onolre Santal jạt reaḱ iń paṛhao baṛa let́a.
Khoboriạ: Okoe misonariko Santal jạt modre pạhil kạmi doko ehoṕ let́a?
P.O. Bodding: Santal jạtko modre kạmi lạgit́te do William Carey-ge pạhile hudis baṛa let́a ar onatege Beptist misonari lekate Malda reaḱ Modnabạti lekan Santal atorei deralena. Menkhan ruạ haso iạte nonde dher din bae tãhẽ daṛewada. Onḍe khon Hugli reaḱ Sirạmpurtei ucạṛena 1800 salre. Santal jạtko modre tãhẽ ar  heṛa-ghẽsa dher hoelentaya; uni do Beptist Misonariren pastor A. Leslie oloe do 1824 salre Rajmohol buru aṛere 17 serma tãhẽkate Santal jạt babotte ạdi napae oporom hoelen taya. Inạ tayom Amerika Beptist misonren barea juạn Eli Noyes ar  Jeremiah Pholips 1836 sal re Orisa tekin seṭer lena ar Santal jạt talare kạmikin ehoṕlet́a.

Khoboriạ: Misonari lekate Santal jạt cetanre cekate dulaṛ tonol do hoyen tama?
P.O. Bodding: Bharot disomre seṭer kate Santal jạt talare kạmi hoyoḱ tińạ mente pạhilre ińtet́ge Santali doń cet́ keda, ar Skrefsrud Sahebaḱ onol puthi ‘Hoṛkoren Mãre Hapṛamko Reaḱ Katha’ puthi paṛhao kate Baibel saõte Santal koaḱ kạhni ar ạricạliko ạdi juriń ńel keda. Dhạrtire eken Santal jạtko saõte Dhạrti sirjon reaḱ kạhni ạḍi juri baḍae kate iń hahaṛayena. Ar noage Santal jạtko dulaṛ reaḱ pạhil karon do.
Khoboriạ: Baibel saõte cet́ cet́ jurim ạribạndhiket́a Santal jạtkoaḱ?
P.O. Bodding: Baibel saõte ạdi aema juri Santalko saõte ńelogoḱ kana. Pạhil juri: Baibelre menaḱ́a Isor do ot serma, jalapuri sirjạu kate pạhil manwa lekate Adam ar Maejiu lekate Hawai benaoket́kińa, Santalkoaḱ dhorom pạtiạure Ṭhakur Jiu do Pilcu Haram ar Pilcu Buḍhie benaoket́ kińa. Dosar Juri: Baibelre Hasaren se dhiriren se kaṭren se jãhãnaḱrenge goṛhon muṭhan benao kate dewa-sewako do managea. Santal koaḱ dhorom pạtiạre ho goṛhon muṭhan dewa sewa do managea. Tesar Juri: Baibelre Israel jạtko do dhiri reaḱ pinḍ benao kate Isor ṭhen daṛẽko samaneda. Santalko do akoaḱ dewa sewa reaḱ ṭhai lekate hasa reaḱ pinḍko benaoeda oka  do Thanko metaḱkan. Ponaḱ Juri: Baibelre Israelko do 12 goṭen gusṭiteko hạṭiń akana. Santal jạt bhitrire hõ 12 goṭen gusṭi menaḱkoa. Moṛeaḱ Juri: Baibelre levy gusṭikoge dewa-sewa kạmireko laṛcaṛoḱa. Santal modre eken Murmu ṭhạkur gusṭiren hoṛge dewa-sewa kạmireko beboharoḱ kana. Turuiaḱ Juri: Baibelre jaṅga ạrup reaḱ bebohar menaḱa. Santalko modre hõ jaṅga ạruṕ do somaj reaḱ mit́ṭaṅ ạricạli kana. Eyaeaḱ Juri:  Baibelre mihũ-merom-bhiḍi, gại-daṅgra pereć tãhen hoṛge kisạṛ menteko lekhaḱ kana. Santal somajre hõ nonkan hoṛge kisạṛ menteko lakhaḱ kana. Iralaḱ Juri: Baibelre menaḱa bokot koṛaren rạnḍi bạhu kuṛi maraṅ koṛa bae bapla daṛẽwaya. Santal somajre hõ noa do managea. Areaḱ Juri: Baibelre menaḱa maraṅ dadaren rạnḍi ayo boeha koṛa doe bapla daṛewaya. Santal somajre hõ noa do ạn lekate goṭa akana. Gelaḱ Juri: Baibelre eṭaḱ dhorom metaḱ me goṛhon muṭhạn dewa - sewa hoṛko saõte baplaḱ do managea. Santal ko modre hõ eṭaḱ deko jạt saõte baplaḱ do managea.
Khoboriạ: Papa ar Kerap Saheb tạkin do tinạḱ salre Bharot disom tekin seṭer lena?
P.O. Bodding: Kerap metaḱme Skrefsrud do 1863 salre Norwegian Misonary lekate Puruliarei seṭerlena. Inạ tayom Denmark disomre Borresen do 1864 salre inạ ṭhạiregei seṭerena. Unkin do 1867 salre Gossner Mison bạgi kate Bengariare Ebenezer Mison stesonkin bandhao keda Englandren Edward Colpys Johnson saõte milạu kate.
Khoboriạ: Skrefsrud se Kerab Sahebaḱ olaḱ pạhil puthi do okaṭaḱ bon mena?
P.O. Bodding: Skrefsrud se Kerap aḱ pạhil olaḱ Santali puthi do 1873 salre odok lena. “A Santali Grammer” puthi do Phillipaḱ olaḱ Grammer puthi khonaḱ ho sorosgea.
Khoboriạ: Skrefsrud se Kerap aḱ soros utạr enem do okaṭaḱ kana?
P.O. Bodding: Skrefsrudaḱ maraṅ utạr enem do “Hoṛ Koren Mãre Hapṛamko Reaḱ Katha” oka do 1887 salre  pasnao lena. Skrefsrud do Guru koleanaḱ moca katha khon ańjom kate Santal koaḱ ạn ạri cạli puthi lekatei ol keda are rukhiạ jogao keda.
Khoboriạ: Roman horopte Santali do pạhil okoye bebohar let́a?
P.O. Bodding: Rev. J. Philip ge 1852 salre Roman horopte ‘An Introduction to the Santali Language’ puthi chapa sodor let́a. Noare 5000 goṭen gan aṛaṅ menaḱa noa do Santali Bekoron puthi kana, ona laha uni do 8 sakam reaḱ mit́ṭen Santali puthi baṅgle horoptei pasnaolet́a ona do 1845 salre; noage pahil utar Santali chapa sodor akan puthi doko metak’ kana.
Khoboriạ: Santali pạrsire ganoḱ leka Roman harop do okoye benao let́a?
P.O. Bodding: Santali pạrsire ganoḱ leka Roman harop do Dr. C.R. Lepsas pạhile benao let́a 1863 salre. Rev. E.L. Puxley do noa horoptege 1868 salre “A Vocabulary of the Santali Language” ńutumanaḱ dictionary chapa sodor let́a.
Khoboriạ: Benagaria Mison do Santali sahitya ńutuman barea Misonari Benagaria reaḱ chapa khana do 1879 salrekin bạisaulet́a?
P.O. Bodding: Dr. Graham ar Scotes ńutuman barea Misonari Benagaria reaḱ chapa khana do 1879 salrekin bạisaulet́a.
Khoboriạ: Onako okte Santali sahitya hara buruḱ lạgit́ okoeko Santal hopon koaḱ enem menaḱa mentem hudiseda?
P.O. Bodding: Ińaḱ hudisre Santali sahitya hara buruḱ lạgit́ pene Santal hopon koaḱ ạdi aema enem menaḱa. Unko doko hoyoḱ kana Guru Kollean Haṛam, Sagram Murmu ar Chotrai Desh Mạńjhi. Ona chada eṭaḱ onoliạkõ hõ kolomko saplet́a ar gam, kudum, kạhni, sereń, mantar eman teaḱko ollet́a. Onko do Durgạ Tudu, Mohon Hembrom, Bhugu Murmu, Kanku Marandi, Somae Murmu, Khandna Soren, Hari Besra, S. Hasdaḱ ar Sugri Haṛam.
Khoboriạ: Acha Pasṭor sahib, ona oktere Santal Maejiuko do cet́ baṅko ol baṛalet́a?
P.O. Bodding: Ona okte barea Maejiukin tãhẽkana okoe do Santalite onolkin ol akada, unkinaḱ ńutum do Sona Murmu ar Dhunu Murmu.
Khoboriạ: Am oka dictionary-em ol akat́ ona do nahaḱ jugre Santalko lạgit́ ạdi porhowanaḱ hoe akana noare tinaḱ goten sobdo (word) se araṅ ńelogoḱ kana?
P.O. Bodding: Noa dictionary ol ar pasnao iạte ạḍiń goroboḱ kana ar noa do Santalko ṭhen porhowanaḱ hoyoḱ kante ińạḱ koṛam do rạskate osaroḱ kana. Noare 30,000 goṭen khon ho bạṛti kathako (word) menaḱa ar noa do moṛẽ haṭińte hạṭiń akana.
Khoboriạ: Noa dictionary do oka khonem chapa sodor let́a ar oka sal kore?
P.O. Bodding: Santali dictionary do 1922 sal khon 1936 sal talare Norway Disom khon chapa sodor lena.
Khoboriạ: Santal jạt lạgit́ am do samanaḱem sajao sapṛao kate Santal Mison hom bandhao ket́a cet́ hudiste noa dom bandhao let́a?
P.O. Bodding: Tinre Mohulpahaṛiteń senlena ona do 1892 sal tãhẽkana. Onḍe khonge iń do Sagram Murmu saõteń opromena ar uni saõte mit́kate Santali kạhni, kudum, gam, mantar, ran, cas-abad, horoḱ bande, gujuḱ-buruḱ reaḱ dan-dapan, ojha, dhorom pạtiạu jom-ńu, ạri-cạli, ạn eman teaḱ babotte Santalko saõte bạṛtiń apnarena. Ar ona okteren Deko pusi koaḱ bebohar ńelteń bujhauket́a mit́ din hiloḱ Santal jạtko do apnar opromgeko ada. Noa iạtege eken Santal jạtren hoṛko lạgit́ mit́ṭaṅ Santal mison in bandhao ket́a. Ona reaḱ ńutum doń doho let́a SMNC metaḱme “Santal Mission of the Northern Church”.
Khoboriạ: Jạt ńutumte misonari bandhao do cet́ ṭhik kangea?
P.O. Bodding: Ńelme Bharot disom do 3743 goṭen jạt te pereć akan disom kana. Nonde do lạtu jạt lekate Deko Uṛisian arya metaḱ me Babṛẽ, Khatria ar Boisyoko lekhaḱ kana. Jạt reaḱ seṅgel elaṅ khon bańcaoko lạgit́te jạt ńutumaḱ misonari kạmikoge ạdi jạruṛ hoelena. Ona chada Santal jạt oloḱ paṛhaote hara buruko lạgit́te deko koaḱ kurumuṭu do bạnuḱ takoa, onate oloḱ paṛ̣̣̣̣̣̣haote seṛaḱko lạgit́ Santal mison reaḱ jạruṛiń aṭkar leda.
Khoboriạ: Amaḱ bandhao SMNC misonre reṭe peṭe bolo akana noa babotte cet́em mena?
P.O. Bodding: Iń do oka jos ar motlobante SMNC mison iń bandhao let́a ona do baṅ purạo lena. Metaḱ me jo bahaḱ laharege dạrko do hucaḱ kuṭrạena. Mit́ bar eṛe sahebaḱ kurumútute noṅkan halot do hoyena. Unko do SMNC khon NELC te ńutumko pheraoket́a. Ar onkate Santal koaḱ indentity-ge cabaena. Deko isại hoṛ koaḱ dulạṛ do Santal isại cetãnre bhitri ontor khon do bạnuḱ takoa. Ona chada ạyur hoṛge lelha ar bokae tãhẽn khan ona do baṅ teṅgo keṭec’ daṛeaḱa. Sanamko hotete ạyur kạmi do baṅ hoyoḱa. Lelha ar boka hoṛaḱ ạyurte sanamaḱ do dhan dhaseroḱa.
Khoboriạ: 1979 sal reaḱ 5 Julai Pạchim Bangla sarkar ol ciki harop Santali harop lekatei aṅgoć keda noa hameṭ kate Santali sahitya tinạḱ gan laha koḱa ona babotte galmaraowaleme !
P.O. Bodding: Ńelppe noa do eken bhoṭ reaḱ motlobteko aṅgoć akada. Ona okto Pạchim Baṅglaren Mukhiạ Montri doe tãhẽkana Jyoti Basu. Okoe do 1980 sal reaḱ Mondol Komision bae aṅgoć let́a, Uni doe menleda Pạchim Baṅgla re do SC/ ST/ OBC jạtren hoṛko do bạnuḱkoa. 1990 salre V.P. Singh Maraṅ Montri hoe kate Mondol Komison reaḱ goṭa disomre kạmi ehoṕ reaḱe goṭalet́a. Ar ona lekate Jyoti Basu do bae aṅgoć let́a. Ar uni Jyoti Basuge 1979 sal reaḱ 5 tạrik Julai ol ciki doe aṅgoc keda. Ol ciki aṅgoc laha jạruṛ tãhẽkana Santal jạtren ạkilan koaḱ ar maraṅ gạkhuṛ hoṛaḱ hudis-bundis bujhạujon. Menkhan eken bhoṭ reaḱ katha hudis kate Ol ciki ehoṕ kate pasnao lenkhan bạibạite dhuṛire mesaoḱa. Ol cikire eken turui (6) goṭen vowel menaḱa ar Roman Santalire are (9) goten vowel menaḱa. Ol cikire bargel pon (24) goṭen consonant menaḱ ar Roman Santalire Pegel eyai (37) goṭen consonant menaḱ́a. Noṅkate nelogoḱ kana Santali roṛ lạgit́te okako akhor menaḱa ona khon gel turui (16) goṭen akhor reaḱ ghạṭti menaḱa. Ona chaḍa noa reaḱ Bekoron do bhulte pereć menaḱa. Onate olcikite Santali paṛhao hoelen khan saman seć laha bạgi kate tayom seć gebon pạchlạḱa.
Khoboriạ: Olcikiren kạrigol Raghunath Murmu do baṅ ma kathae 1925 salre noa doe benao let́a. Noa reaḱ sạri do cet́ kana?
P.O. Bodding: Noa reaḱ roṛ ruạṛ do Manotan Durbin Soren mahasoe ạdi monjtei emakat́a. Noa do mit́ leka kombṛo akat́ horoṕ kana ar noa do C.S. Upasak olaḱ puthi “ The History and Paleography of Muryan Brahmi Script.” Sãote ạditet́ juriḱ kana. 1925 sal reaḱ horop 220 B.C. reaḱ horop sãote paroajuri juri lenkhan kombṛo chada cet́ bon mena! Aćaḱ benao baṅ menkate uni do tumel akat́ horop menkate lại jạhir daṛekea. Ẹtaḱ hoṛaḱ tear harop apnar mente lại pasnao do ạdi maraṅ kại kana. Santali sahitya goṭa dhạrtire oprom ocoe lạgit́te do Roman haropge jạruṛa.
Khoboriạ: Niạ serma khon Jug Sirigol pãhṭa khon am ńutumte (P.O. Bodding), Nathaniel Murmu ar Gora Chand Tudu ńutumte siropa emoḱle goṭa akada. Onare P.O. Bodding ńutumte Dr. Dhirendranath Baskey, Nathaniel Murmu ńutumte Man Durbin Soren ar Gora Chand Tudu ńutumte Binod Soren takoaḱ ńutum bachao akana. Noa babotte amaḱ hudis lại aleme-
P.O. Bodding: Siropa emoḱpe ehoṕ akat́a noa do ạdi rạska reaḱ katha kana. Ale pene hoṛaḱ enem cetanre okoeko pe bachao akat́ko sạrige ạdi jothat pe bachao akat́koa. Iń do noageń roṛa. Sạri sạri bachaore tãhẽn pe, boge-bạṛić cinhạupe. Bhage kạmi reaḱ manot emoḱ cet́ joṅpe tobe aneć Santali sahitya reaḱ hara buru do hoyoḱa.
Khoboriạ: Amaḱ daman kupuli katha iạte ạḍi johar, ma tobe am do jirạujoṅme iń do Kolkata teń ruạṛ senoḱ kana. Noa do onol lekate 6 tạrik November hiloḱ uchanoḱa.
Oloić Manotan. Golden Murmu.Jug Sirijol Novembor, 2011 ol khon tumạl hatao akana

Share:

Tuesday, November 19, 2013

The ADIVASIS and their World Today

Alfred Toppo SJ

Introduction
Jesuits, at least some of them, have seen a silver lining in the cloud when it comes to the holistic development of indigenous people all over the world. This silver lining grew brighter and clearer during the 35th General Congregation when Jesuits recognized that the subject of indigenous peoples is an important one. They then reflected on how they could accompany these groups of marginalized people as they move towards defining their identity and accelerate the process of their own development. My understanding and analysis are limited to Central India, and more specifically to the state of Chhattisgarh.
       To begin with, it is important to have a clear understanding of the concept 'indigenous people'. The official term for indigenous people in India is 'Scheduled Tribes'. In most part of the country they are popularly known as Adivasis, meaning original inhabitants, a term that I prefer to use. There are many different Adivasi groups/communities in India but some of them are scheduled as Scheduled Tribes, which means that they are on an official government list. From time to time the President of India either schedules or de-schedules groups of people as eligible for inclusion in the Scheduled Tribes list according to certain criteria, which are thought to be characteristic of Adivasis.1
       While in the eyes of the Administration and before the law Adivasis can only be those groups who are in the official Scheduled Tribes list, it must be recognized that there are many Adivasis who are kept out of the list even though they are Adivasis. This may be because these Adivasis are seen as 'Scheduled Castes' and not as tribes or genuine Adivasis. Being described as Scheduled Castes by the government means they are kept out for the Constitutional Provisions made for Adivasis or tribes. The government of India often plays foul by using specific terminology ('caste' instead of 'tribe') just to stop them away from taking advantage of the benefits provided for them by the Constitution.


Adivasis: the most exploited and marginalized
        Adivasis once lived in harmony with the Divine, with nature and with their fellow human beings. They considered their Jal-Jungle-Jamin (water, forest and land) to be sacred and they had an inseparable relationship with water, forest and land. The free flowing water in the rivers and brooks quenched their thirst and purified their bodies. The forest they lived in was a source of livelihood and shelter. The land they tilled produced grains and gave them their identity. Life without jal-jungle-jamin was unimaginable. They used nature only to meet their needs, not to satisfy their greed. Their experiences in life over the years led to a triangular relationship inasmuch as they reached the Divine through nature and their fellow human beings.
       But they were often forced to retreat deep into the forests and hills as outsiders invaded their habitat. The harmonious relationship with nature started cracking when non-Adivasis invaded Adivasi land. They were taken as bonded labourers and forced to do things wholly against their way of life and ethos. For example, they were made to clear vast areas of their beloved forests for rulers who came from outside and for petty business people. The land which they had cultivated for years was taken away from them. Kings, emperors, colonisers and, now, the government came marching in to snatch away what was dear to the Adivasis and, in the process, destroyed their way of life. They who had lived joyously and fearlessly lived in the forests and hills were harassed and cruelly treated, totally subdued and made prey to all forms of exploitation. Fear set in. Is it any wonder that literacy levels remained low as they retreated further and further?
       The world outside was advancing in science and information technology with unimaginable rapidity. The digital communication media was revolutionising the world. The forces of the market grew strong enough to affect policy by heads of States. Globalisation forces fascinate most human beings everywhere on the planet, and governments chose to modify policies to suit the rich North, bowing to the market. Adivasis, exposed to this chaotic world like everybody else, succumbed to its spell.
       Traditionally, most Adivasis had engaged in subsistence agriculture in small plots of lands and been dependent on forest produce for a livelihood. The 'brave new world' ushered in by globalisation and the digital revolution hit the Adivasis hard, rendering their traditional means of production obsolete. They were caught unawares; these new forces seemed at first sweet but soon they found themselves being strangled. They certainly experienced the fast changes but they were unable to check and control their adverse impact. The young Adivasis were the most adversely affected. The Adivasi ethos, inherited through the ages, began to vanish.
       Globalisation brought to the Adivasi world a culture of individualism that went against the grain of their communitarian and humanitarian culture. The community, which bound the people together, started losing ground. The end result has been skewed development among the Adivasis. Few of them are able to cope with the demands of the day; many are losing their purchasing power; their very survival is being challenged.
       The forests they had lived in for centuries and which they had nurtured carefully, regenerating them over and over again, are today infested with government Forest Departments, wood smugglers, mega national and multinational companies, and extremist forces who take advantage of the dispossessed tribals. Trees are felled for selling and mining activities by stakeholders riding roughshod with power and money over the policies meant to favour the Adivasis. Some of them have even started felling trees themselves to earn a living.
What is happening to their culture?
       Culture2 is a dynamic process, changing and adapting all the time through forces that come from within and without. The change however should be such that a community adjusts to it without being destroyed.
       The Adivasis had beautiful cultures, each tribe with its distinct traditions and way of life, but change in Adivasi culture came at an accelerated speed with invaders who rushed into in their habitat and brought in an alien education. Adivasi children do not study their own history, geography or culture, but are taught an alien history and culture which has little to do with their experience of day-to-day life. Their precious cultural heritage has all but disappeared despite a strong innate value system which Adivasis inherit from their communities. While there are Adivasis who have drifted away from their moorings for various reasons, the core ethos remains and many fall back on the community once they realise that they have gone too far.
       The habitat of the Adivasis has been repeatedly invaded and the cultural practices of the powerful newcomers imposed on them. The result is that it is difficult to safeguard their cultural identity; and their meaning system, their ethos, their rituals and cultural practices are slowly disappearing, their profound meaning lost forever.
       The digital media has made a revolutionary breakthrough in the Adivasi world. First the television and compact discs took over; of late it is the ubiquitous cell phone. The new information gadgets fascinate the minds and hearts of the young Adivasis and they have started to live in the world of the imagination. The gap between the young and the old has widened to the extent that it is difficult to bring the young and the old generations to a common platform for community-based action.
       The Adivasi community is experiencing a dialectic tension between what is offered by the modern world and their own value system. A few have surrendered to the forces of globalisation and digital revolution, but there are many who are forced to reflect on their way of life today. There is a realisation that the community has been a shelter to all Adivasis irrespective of their ideology and way of life. There are many instances in the community of young people who have come back, like the prodigal son, to loving fathers. Realisations of this kind have made many people take life and community values seriously. Ultimately it is the family and the community that support and sustain life and value systems
The new socio-political and economic initiatives that strengthen Adivasis
       Dr. Ambedkar was the Chairperson of the Constitution Drafting Committee. He was a Dalit and he had gone through all the pains and suffering of untouchability, exclusion and exploitation that a Dalit or an Adivasi goes through. Under his chairmanship, many constitutional provisions were made to safeguard Adivasis. The irony is that these Provisions for Adivasis have not been implemented in the last very many years. Now Adivasis are becoming aware of these provisions and fighting for their constitutional and fundamental rights. This awareness has certainly strengthened their hand.
       There has been a continuous move by Brahminical ideologues to rename Adivasis as Vanvasi (forest dwellers). They have opened many Vanvasi Ashrams to instil Brahminical ideologies in the minds of the young. These Ashrams are meant only for Adivasis. The political leaders upholding Brahminical ideology are constantly poisoning the innocent minds of Adivasis through speeches and talks in which there is an undercurrent of Hindu fundamentalism. Once Adivasis start calling themselves Vanvasis, they may be deprived of all the Constitutional Provisions meant for the Adivasis because the Indian Constitution does not recognise the term 'Vanvasi'. This would also create divisions among the various Adivasi groups. And above all, Adivasis would remain as they were in terms of development and awareness. Adivasis and others who want the holistic development of Adivasis oppose the imposition of such ideologies.
       While the Adivasis have their own distinct way of life and their understanding of the Creator and religion, Christian missionaries brought in education, health care and some awareness along with faith in Jesus Christ. Adivasis who accepted Christianity have certainly progressed in life; they have also resisted the supremacy of Brahminical ideology. Their progress has threatened non-Adivasis and Hindu fundamentalists who see the Adivasis slipping out of their grasp. This has led to their dividing Adivasi communities in the name of religion and they have had some success in bringing them into the Hindu fold. However, now more and more Adivasis are realising the fact that they are not Hindus but have a distinct way of relating to the Creator. This understanding is becoming a platform for them to re-examine their way of life and ethos.
       Adivasis live in close proximity with forests and hills; they used to feel secure in the forest. This security was threatened when the cultivable land they had prepared over the years was snatched away by non-Adivasis. The deepening threat made the Adivasis retreat further into the forests. Today they are faced with an ironical dilemma: they are poor in their rich land. The government machinery and the mega companies have found out that immense mineral wealth lies below Adivasi land, and on this wealth they have cast covetous eyes. They are going ahead with mining at the cost of the Adivasis, as Memorandums of Understandings are signed each year between government and the mining companies to extract minerals. The Adivasis, understanding the adverse effects of displacement and loss of their very identity, have begun to come together to protest against these moves by government and private companies. These protests have been taking shape of Adivasi movements to safeguard their life and identity.
       There are many Adivasis who are part of the Self Help Groups initiated by the government programmes or development programmes of Non-governmental Organisations. The very process of forming Self Help Groups has made them sit down in their respective groups to reflect and make action plans for their own holistic development. This process has made them think; and their mental capabilities have been enhanced. The outcome of this process is that Adivasis have begun to look at their way of life, culture and socio-economic conditions more critically. Self Help Groups came with the purpose of teaching small savings in groups through pooling financial resources to meet unforeseen eventualities and take up economic activities to better their means of livelihood. Self Help Groups have made a huge difference in the lives of the Adivasis.
Increasing Jesuit commitment and their 'work groups'
        The Society of Jesus has been working with and for the poor and marginalized. Its commitment to the Adivasis is not new, but of late it has consolidated its realisation that the Adivasis are at the lowest level even among the marginalized. This realisation itself is a big leap towards Adivasi development. Now Jesuits will surely make a reference to the Adivasis in their deliberations for setting priorities for missions, and this I hope will lead to more concerted efforts for their holistic development. The idea of having a 'Work Group' in every Conference to work for, and with, the Adivasis is really important if work among them is to surge ahead. Past efforts for Adivasi development by individual Provinces and Jesuits can be consolidated and broadened with the help of the work group. The only word of caution I would like to make is this: let this work group be active and mean business. Let this work group not become a fine task group of ideologies only. It is very important that the Adivasis feel that the Society stands by them to accompany them in the days to come.
1"A well established criterion being followed is based on certain attributes such as:-
  • Geographical isolation - They live in cloistered, exclusive remote and inhospitable areas like hills, forests.
  • Backwardness- Livelihood is based on primitive agriculture. Theirs is a low cost, closed economy based on low levels of technology, literacy and health. All this leads leads to their poverty. Their distinctive culture, language and religion are different from the mainstream. They have developed their own distinctive culture, language and religion in a community-wise manner.
  • Cultural isolation-"They have very little contact with other cultures and people." (http://labourbureau.gov.in/SE_GUJARAT%2006-07_CHAPTER%20I.pdf).
2Culture can be defined as "the sum of attitudes, customs, and beliefs that distinguishes one group of people from another. Culture is transmitted, through language, material objects, ritual, institutions, and art, from one generation to the next." (http://dictionary.reference.com/browse/culture: Browsed on February 19, 2010).

Source: http://sjweb.info/sjs/pjnew/PJShow.cfm?pubTextID=8961
Share:

Sunday, November 17, 2013

Santal community at Panchhari living in perpetual darkness

Our Correspondent, Khagrachari

Milon Santal is the role model and the light of hope of illiterate Santal villagers of the Panchhari upazila.

 

Milon Mormu Santal is the most educated person, who crossed the bar of Secondary School Certificate (SSC), in the entire Santal community living at Panchhari upazila in Khagrachhari.
Now Milon is the role model and the light of hope of illiterate Santal villagers of the Panchhari upazila, said Kanungopara village Chief Gunu Santal Sham.
Gunu Santal added that the Santal people who has been living at Panchhari from 1950s have been deprived from basic rights and all kinds of modern facilities.
He said most of the members of the Santal community at Panchhari have been deprived of education for generations after generations.
During a visit at three villages—Baropara, Kanungopara and Santal para under Panchhari upazila, the correspondent found that the Santal people of the area are not only deprived form the education, they have been living under the poverty line, and even they are not familiar with the modern sanitation facilities.
Rutiu Santal said there are only two tube well for 200 families in the area, and most of the time santal people have to collect water from cannel or stream.
Misery goes limitless when the tube wells, which set up in lower part of the area, sink in the water during rainy season, he added.
As they have a very little access to safe water the people drink the water that they can manage and thus many of them frequently suffer from water borne diseases.
At least 10 people have died in last two years from diarrhoea and cholera at Panchhari upazila.
Babul Santal said they use holt and open places adjacent to the house as their toilet.
Biru Santal of village Baropara said there is no road for communication with the panchhari upazila headquarters.
‘’During rainy season it is very difficult for us to go to the town as there is no bridge over the Chenghi canal, which divided us from the Panchhari’’, he added.
Rutiu Shawntal said no santal ever gets a single VGF or VGP card or a ration card in the area.
Puspa Santal said “leaders came to us to want vote during election time but after election they completely forget us, and on one ever visits us to ask what we need.’’
“We have no representation even in the Union Parishad level”, he added.
Panchhari upazila Chairman Sarbottom Chakma claimed that he already asked Panchhari Union Parishad Chairmen and members to look after the Santal people specially.

Source: http://www.dhakatribune.com/education/2013/jul/18/santal-community-panchhari-living-perpetual-darkness

 

 

Share:

Monday, October 7, 2013

o̱bhagiyạ

Goracãd Ṭu​ḍu

mayam kũ​ḍi re̱ mit̓ ṭho̱p mayam
sare̱c̓ me̱nak̓ khan hapṛamko̱wak̓
dil ar daṛe̱ te̱m puro̱n ge̱ya
apnar lạyo̱go̱k̓ so̱ṛa Santal..
se̱day hapṛam ko̱ re̱ go̱ro̱bo̱k̓ me̱
bud ar daṛe̱ te̱ ko̱ re̱he̱t̓ ke̱da
kajak dhạrti re̱ baṅ ​ḍĩgạwak̓
Santali pạrsi ar jạt Santal..
hapṛamko̱wak̓ do̱ so̱ne̱ro̱ din
nako̱ ge̱ raj-rapaj po̱rja nako̱
jạt jaṅ ro̱ho̱y kate̱ pạrsi po̱ha
jo̱to̱ko̱te̱ jo̱to̱n te̱ ko̱ dare̱ ke̱da..
mayam kũ​ḍi re̱ mit̓ ṭho̱p mayam
sare̱c̓ me̱nak̓ khan hapṛamko̱wak̓
dil ar daṛe̱te̱m purun ge̱yam
Santal Santali jo̱to̱n lạgit̓..
o̱ hay! o̱bhagiyạ jạt bạdi
po̱r pạrsi ṭạmni ṭãga ti re̱
e̱dam mak̓ e̱dam kumãya ge̱
Santal Santali kạci kạ​ḍlak̓.
po̱rjạt pạrsi co̱ṅ lahra kana
no̱ṭaṅle̱nkhan o̱nam ha​ḍale̱k̓
nijak̓ nihạtkate̱m ciṅgạwe̱na
ne̱ṭak̓ ko̱ ṭhe̱n hõ̱m nisṛạwe̱na.
ja! hapṛamko̱re̱n be̱-mak̓no̱tic̓
nij-jạt-nik̓hạtic̓ po̱rjạtto̱yic̓
hapṛamko̱wak̓ jaṅ ce̱ṭe̱r ńurama
Santal Santalire̱n Santal bạdi..


Share:

Thursday, September 12, 2013

National Seminar on "Basic Education in Mother Tongue for Indigenous Children" held

(15-16 February, 2010)


Two day-long National seminar on "Basic Education in Mother Tongue for Indigenous Children" was held at Bangladesh Shishu Academy Lecture Theatre hall on 15-16 February, 2010. The seminar was jointly organized by CAMPE and partner organizations working with Multi Lingual Education (MLE).

Mr. Promode Mankin, Honorable State Minister, Ministry of Cultural Affairs graced the seminar as the Chief Guest in the 1st working session. The Honorable State Minister also inaugurated the display of MLE materials. Mr. ATM Mohiuddin Ahmed, Joint Secretary, Ministry of Primary and Mass Education (MoPME) and Professor Mostafa Kamal Uddin, Chairman, NCTB were present as Special Guests. Ms. Selina Hossain, Prominent Writer and Former Director of Bangla Academy presided over the inaugural session