Online Santal Resource Page: the Santals identity, clans, living places, culture,rituals, customs, using of herbal medicine, education, traditions ...etc and present status.

The Santal Resource Page: these are all online published sources

Santal Gãota reaḱ onolko ńam lạgit́ SRP khon thoṛ̣a gõṛ̃o ńamoḱa mente ińaḱ pạtiạu ar kạṭić kurumuṭu...

Friday, August 22, 2014

কুঁচেও একটি রপ্তানি পণ্য!

অনেকেই হয়তো কুঁচে চেনেন না। ভাবছেন, কুঁচে! এ আবার কী! কুঁচে দেখতে কিছুটা বাইন মাছের মতো, আবার কিছুটা চিকন সাপের মতোও বলে অনেকে হয়তো একে সাপ ভেবেও ভুল করতে পারেন। তবে মজার ব্যাপার হলো, বাংলাদেশ থেকে এই কুঁচে বেশ কয়েকটি দেশে রপ্তানি হয়। আর এর রপ্তানি প্রতিবছরই বাড়ছে।
বাংলাদেশ থেকে কুঁচে রপ্তানি করতে হলে মৎস্য অধিদপ্তর থেকে মান সনদ নিতে হয়। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গেল ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এ দেশ থেকে কুঁচে রপ্তানি হয়েছে সাত হাজার ১৫৭ টন। এর আগের বছর রপ্তানি হয় ছয় হাজার ৮১৭ টন। ২০১১-১২ অর্থবছরে কুঁচে রপ্তানি হয়েছে পাঁচ হাজার ৫৭ টন। ২০১০-১১ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল তিন হাজার ২৯৫ টন। আর এর আগের অর্থবছরে রপ্তানি হয় এক হাজার ৭৮২ টন।
আর রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এদেশ থেকে এক কোটি ৪৯ লাখ ৭৮ হাজার ডলারের কুঁচে রপ্তানি হয়েছে। আগের বছর এক কোটি নয় লাখ ২১ হাজার ডলারের কুঁচে রপ্তানি হয়েছিল। অর্থাৎ পরিমাণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন দুই দিক থেকেই প্রতিবছর কুঁচে রপ্তানির পরিসর বাড়ছে।
এই কুঁচের গন্তব্য তাহলে কোথায়? রপ্তানিকারকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া কুঁচের একটি বড় অংশই যায় চীন, হংকং, তাইওয়ান, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ায়। এর বাইরে সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, জাপানসহ আরও কয়েকটি দেশেও কুঁচে রপ্তানি হয়। এসব দেশে এই কুঁচে খাওয়া হয়।
ইপিবি বলছে, বাংলাদেশ থেকে গত অর্থবছরে যত কুঁচে রপ্তানি হয়েছে তার ৯৫ শতাংশের বেশিই গেছে চীনে। দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে এক কোটি ৪১ লাখ ৬২ হাজার ডলারের কুঁচে। তিন লাখ ২৫ হাজার ডলারের কুঁচে রপ্তানি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। এর পরই বেশি রপ্তানি হয়েছে হংকংয়ে, দুই লাখ ৭১ হাজার ডলারের। এর বাইরে বেশি পরিমাণে রপ্তানি হওয়া দেশের তালিকায় আছে দক্ষিণ কোরিয়া (৬৯ হাজার ডলার) এবং তাইওয়ান (৬৪ হাজার ডলার)।
এদেশ থেকে কুঁচে রপ্তানি করে থাকেন উত্তরার সেবা অ্যাকুয়া রিসোর্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রবিউল আলম। তিনি ১৯৯৫ সালে কুঁচে রপ্তানি শুরু করেন। কাঁকড়া, কুঁচে রপ্তানির সম্ভাবনার কথা বলতে গিয়ে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যদি একটু গুরুত্ব দেয় তাহলে হিমায়িত মাছের অন্যতম অনুষঙ্গে পরিণত হবে কাঁকড়া ও কুঁচে। এগুলো চিংড়ির মতোই সম্ভাবনাময়।
জানা গেছে, আশির দশকে এদেশ থেকে কুঁচে রপ্তানি শুরু হয়। প্রতিবছরই কুঁচে রপ্তানি বাড়তে থাকায় এখন সারা দেশেই কুঁচের চাহিদা বেড়েছে।
রপ্তানিকারকেরা সারা দেশ থেকেই এই কুঁচে সংগ্রহ করে থাকেন। তবে বিল ও হাওর এলাকা থেকেই এটি বেশি পাওয়া যায়। রপ্তানিকারকেরা জানান, বর্ষাকালে সুনামগঞ্জসহ সিলেট অঞ্চল, লাকসাম ও চাঁদপুর থেকে বেশি কুঁচে সংগ্রহ করেন তাঁরা। আর শীতকালে বেশি সংগৃহীত হয় গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নড়াইল এবং উত্তরবঙ্গ থেকে।
জানা গেছে, কুঁচের বাজারমূল্য সব সময়ই ওঠানামা করে। রপ্তানিকারকেরা মাঠপর্যায় থেকে প্রতি কেজি কুঁচে কেনেন ১৫০ থেকে ২৮০ টাকায়। শীতকালে কুঁচের দাম বর্ষাকালের চেয়ে বেশি থাকে। আর সংগৃহীত এই কুঁচে রপ্তানি হয় সাড়ে পাঁচ ডলার থেকে সাড়ে ছয় ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২০ থেকে ৫০০ টাকা)।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কুঁচে রপ্তানিকারক তিনটি প্রতিষ্ঠান বলেছে, প্রতি সপ্তাহে দেশ থেকে ১৫০ থেকে ২০০ টন কুঁচে রপ্তানি হয়। কিন্তু এর বাইরেও প্রচুর পরিমাণে কুঁচে রপ্তানি হয়, যা সরকারের নজরে আসে না। বিষয়টি কীভাবে হয় জানতে চাইলে তাঁরা জানান, কুঁচে রপ্তানির আগে মৎস্য অধিদপ্তর থেকে মান সনদ নিতে হয়। এখন কোনো রপ্তানিকারক ৫০ টনের মান সনদ নিল, কিন্তু রপ্তানি করল ১০০ টন। সে ক্ষেত্রে সরকারের অগোচরেই ৫০ টন কুঁচে রপ্তানি হয়ে গেল। আর ওই রপ্তানিকারকদের লাভ হলো, মান সনদ দেওয়ার বিপরীতে তখন অধিদপ্তরকে ফি দিতে হয় না।
এ বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ‘রপ্তানিকারকদের এখান থেকে মান সনদ নিতে হয়। তারা যত পরিমাণ দেখায় তা-ই আমরা জানতে পারি। এর বেশি রপ্তানি করলে সেটা দেখার সুযোগ আমাদের নেই।’


Share:

Monday, August 11, 2014

'আদিবাসী দিবস' পালনের প্রতিবাদ

পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় বাঙালি সংগঠনের সমাবেশ

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি,পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আদিবাসী দিবস পালনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৬টি বাঙালি সংগঠন। শনিবার বিকালে বনরূপা পেট্রোল পাম্প চত্বরে আয়োজিত সমাবেশে সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশে বাঙালিরাই হচ্ছে আদিবাসী আর উপজাতীয়রা মোঙ্গলিয়াসহ অন্যান্য দেশ থেকে এসে এই দেশে আশ্রয় নিয়েছে। তাই তাদেরকে কখনোই আদিবাসী বলা যায় না। তারপরও সরকার তাদেরকে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। কিন্তু তারা ইউএনডিপিসহ জাতিসংঘের দালালী করতে নিজেদেরকে আদিবাসী হিসাবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে কোনো আদিবাসী নেই- এই কথাটি রাঙ্গামাটির চাকমা রাজা ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায় ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী থাকা অবস্থায় স্বীকার করে গেছেন। তাহলে তারা আবার নতুন করে কেন আদিবাসী শব্দটি ব্যবহার করে দেশে বিতর্কের সৃষ্টি করছেন। বক্তারা কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের এই চক্রান্ত বন্ধ করার দাবি জানান।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলনের সভাপতি পেয়ার আহমেদ, সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট আবছার আলী, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সভানেত্রী বেগম নুরজাহান, সেক্রেটারি মো: জামালউদ্দিন, পার্বত্য ছাত্র পরিষদের সভাপতি মোঃ ইব্রাহিম, সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন, পার্বত্য ছাত্র ঐক্য জোটের সভাপতি উজ্জ্বল পাল প্রমুখ।

এছাড়া সমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রাম সম-অধিকার ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি আল-আমিন ইমরান, সেক্রেটারি মো: ফয়সাল আলম ও বিভাগীয় ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক মো:আবদুল রাজ্জাক, ১০৯ নং সাপছড়ি মৌজাধীন মানিকছড়ি শাখা সংগঠনের নেতা মো: নুরুল ইসলাম সওদাগর, মো: ছগির আহমেদ, মো:জাহাঙ্গীর, পার্বত্য গণ-পরিষদের সহ-সভাপতি মো:আবদুল খালেক, হাজী আবদুল হক, কূটনৈতিক সচিব মো:আলমগীর কবির ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বিশেষ সহকারী পরামর্শক হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে লিখিতভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যে মতামত দিয়েছেন, তা হলো- "The Country has some tribal population and there are no indigenous people"। এ কথার সাথে প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একমত পোষণ করেছেন। এ প্রেক্ষিতে উপজাতীয় সমপ্র্রদায়কে কোনো অবস্থাতেই যেন 'উপজাতি'র পরিবর্তে 'আদিবাসী' হিসাবে উল্লেখ না করা হয় এবং পার্বত্য অঞ্চলে যে সকল এনজিও প্রতিষ্ঠান রয়েছে সে সব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের উপর সতর্কতামূলক কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং এটাই সরকারের নির্দেশ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি ২০১১ সালের ২৬ জুলাই ঢাকায় বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি কূটনীতিক ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিদেরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পত্র-পত্রিকা ও মিডিয়ার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জানিয়ে দেন যে বাংলাদেশে কোনো আদিবাসী নেই। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার উপজাতির লোকেরা আদিবাসী নয়। তারা 'ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী'। 'উপজাতিদেরকে' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হিসাবে যেন সম্বোধন করা হয়। এরপরও উপজাতিরা দেশি ও বিদেশি ইন্ধনদাতাদের উস্কানি ও যোগসাজশে 'ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী' বা 'উপজাতি'র পরিবর্তে 'আদিবাসী' হিসাবে নিজেদের উল্লেখ করছে। তারা চাচ্ছে এ সব কর্মকাণ্ডের দ্বারা পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি ঘোলাটে হোক। এ অঞ্চলকে পৃথক করার অজুহাত খুঁজছে তারা।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বিষয়টি সংবিধান স্বীকৃত নয়, তারপরও সরকারের আদেশ-নির্দেশ অমান্য করে সংসদীয় ককাশের বরাতে নির্দ্বিধায় উপজাতিদের 'আদিবাসী' হিসেবে উল্লেখ করে আসছেন সরকারের মন্ত্রী পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তি বাম রাজনীতিক রাশেদ খান মেনন। সাবেক শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া 'আদিবাসী মেলা' উদ্বোধন করেছেন। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ছাড়াও অনেকে সরকারের আদেশ বা নির্দেশ মেনে চলার তোয়াক্কা করছে না। বিভিন্ন এনজিও সংস্থার নির্বাহী কর্মকর্তারা 'উপজাতির' পরিবর্তে 'আদিবাসী' বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত করতে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান সরকারের আদেশ-নির্দেশ বা প্রজ্ঞাপনের তোয়াক্কা না করে 'আদিবাসী' স্বীকৃতির জন্য উঠে-পড়ে লেগেছেন। তাদের এধরনের কর্মকাণ্ড স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রতি চরম হুমকিস্বরূপ। এমন অশুভ কর্মকাণ্ডের মহড়া যারা দিতে চায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহবান জানান। ইউএনডিপি ও বিদেশি এনজিও সংস্থাগুলো 'আদিবাসী' বিষয়ক এই অপতত্পরতা বৃদ্ধির জন্য উপজাতিদের মদদ যোগাচ্ছে এবং অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করছে বলে বক্তারা দাবি করেন। এই অপতত্পরতা বন্ধের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সরকারের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয় বলেও নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন। 'আদিবাসী' তত্পরতা দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বিধায় আদিবাসী দিবস পালন থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ভবিষ্যতে বিরত রাখার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান বাঙালি ছয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে বক্তারা সম্প্রতি লংগদুর আটরগ ছড়া এলাকার ভাঙ্গামুরা নদী থেকে আলমগীর হোসেন নামে এক বোট চালকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনার কথা উল্লেখ করেন এবং এ হত্যাকাণ্ডের জন্য উপজাতীয় সন্ত্রাসীদের দায়ী করেন। সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য নেতৃবৃন্দ দাবি জানান।
Source: http://www.ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMDhfMTFfMTRfMV8xMl8xXzE1MTk0Mw==
Share:

আদিবাসীদের সংখ্যালঘু বানাতে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র চলছে ঃ সন্তু লারমা

ইত্তেফাক রিপোর্ট
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) বলেছেন, আদিবাসীদের ওপর অত্যাচার নিপীড়নের ফলে অনেকে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। এখন তারা নিজ ভূমির অধিকারও হারাচ্ছেন। এভাবে আদিবাসীদের সংখ্যালঘুতে পরিণত করা হচ্ছে; এটাও একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। রবিবার সকালে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরে বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সন্তু লারমা এ অভিযোগ করেন।

সন্তু লারমা আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো তার বাস্তবায়ন নেই। এ বিষয়ে সরকার অনেক কথা বলেন, কিন্তু তা কেবল কথার কথাই।

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাস 'আদিবাসী অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবার সঙ্গে সেতুবন্ধন' শীর্ষক এ সভার আয়োজন করে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে ককাসের সদস্য গৌতম কুমার চাকমা। তিনি বলেন, সরকার আদিবাসীদের পরোক্ষভাবে স্বীকৃতি দিয়ে রেখেছে। ১৯৫০ সালের আইনে 'ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী', বর্তমান আয়কর আইনে 'আদিবাসী' এবং সংশোধিত সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদের দিকে লক্ষ্য করলেই বোঝা যায় সরকার প্রত্যক্ষ স্বীকৃতি না দিলেও কাগজে-কলমে কোথাও কোথাও স্বীকৃতি দিয়েছে। এ অবস্থায় আইএলও ১৬৯ মেনে সই করা সরকারের জন্য অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত হবে বলেই মনে করেন তিনি। একই সঙ্গে সংবিধানে আদিবাসী সম্পর্কিত সাংঘর্ষিক আইনগুলো বদলে দেয়ার সুপারিশ করেন তিনি।

ককাসের আহ্বায়ক ফজলে হোসেন বাদশার সভাপতিত্বে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্ব আদিবাসী সম্মেলন ২০১৪ তে ককাস প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান সভার পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেসবাহ কামাল।

সভাপতির বক্তব্যে ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, পিআইপি'র এক বিজ্ঞপ্তিতে 'আদিবাসী' শব্দটি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। এটা সরকারের সিদ্ধান্ত নয়; অতি উত্সাহী কোন কর্মকর্তার বক্তব্য। 'আদিবাসী' শব্দ ব্যবহার করা যাবে না, এ ধরনের কোন মন্তব্য সংবিধানে নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর শিল্পীরা।

Source: http://www.ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMDhfMTFfMTRfMV8xMl8xXzE1MTk0NA==
 
Share:

আদিবাসী’ শব্দ আর নয়

দিবসের দু’দিন আগে বৃহস্পতিবার সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী বর্তমানে দেশে আদিবাসীদের কোন অস্তিত্ব না থাকলেও বিভিন্ন সময় বিশেষ করে জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে ‘আদিবাসী’ শব্দটি বারবার ব্যবহার হয়ে থাকে।

পঞ্চদশ সংশোধনীতে বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে উল্লেখ করে তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, আগামী ৯ আগস্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, আলোচনা ও টকশোতে ‘আদিবাসী’ শব্দটির ব্যবহার পরিহার করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

‘এ সকল আলোচনা ও টকশোতে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিশেষজ্ঞ এবং সংবাদপত্রের সম্পাদকসহ সুশীল সমাজের অন্যান্য ব্যক্তিবর্গকে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আদিবাসী শব্দটির ব্যবহার পরিহারের জন্য পূর্বেই সচেতন থাকতে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।’

Source: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/313109.html
Share:
Copyright © The Santal Resources Page | Powered by Blogger Theme by Ronangelo