Place for Advertisement

Please Contact: spbjouralbd@gmail.com

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠি সমূহকে অন্যায় ভাবে ‘আদিবাসী’ বলে আখ্যায়িত করলে বাঙ্গালীরা বহিরাগত হিসেবে গন্য হবে!

প্রাচীন বাংলার মানচিত্র
১. বাংলাদেশের নৃ-গোষ্ঠি সমুহের সংক্ষিপ্ত বর্ননাঃ পৃথিবীর বহু দেশের মতোই বাংলাদেশেও মূলধারার বাঙ্গালী জনগোষ্ঠি, যারা সার্বিক জনগোষ্ঠির প্রায় ৯৮%, তাদের সাথে বাকি প্রায় ২% রয়েছে বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বা জনগোষ্ঠি সমুহ!এদের ভেতর প্রোটো-অস্ট্রেলয়েড জনগোষ্ঠির সাঁওতাল, ওঁরাও, হো, মুন্ডা, বূনো ও অন্যান্য নোমাডিক নৃ-গোষ্ঠি, মঙ্গোলয়েড নৃ-গোষ্ঠির ভেতর রয়েছে মূলতঃ টিবেটো-বার্মিন নৃ-উপগোষ্ঠি সমুহের জনগন, যার মধ্যে পড়ে চাকমা, মারমা, তংচংগ্যা, মুরং, ত্রিপুরা বা টিপরা, ম্রো, বোম, লুসাই, কুকি ও খুমি ইত্যাদি! বাংলাদেশের উত্তর পুর্ব সীমান্ত এলাকা জুড়ে রয়েছে বোড়ো নৃ-গোষ্ঠির পাঁচটি শাখার অন্যতম গারো, হাজং, রাজবংশী ও খীয়াং উপগোষ্ঠি সমুহ! আজ থেকে প্রায় দেড়শত বছর আগে আজকের বৃহত্তর সিলেট এলাকাইয় চা বাগান পত্তনের সময় চতুর সাম্রাজ্যবাদী বেনিয়া বৃটিশ বাঙ্গালীদের বিশ্বাস করেনি, চা বাগানের কাজের জন্যে তারা সাথে নিয়ে এসেছিল বর্তমান ভারতের ততকালীন উত্তর ওড়িষ্যা বা এখনকার ঝাড়খণদের অধিবাসীদের, চা বাগানের অন্যান্য কাজের জন্যে কয়েকটি তামিল পার্বত্য নৃ-উপগোষ্ঠি সমুহের জনগন ও তাদের তাবে রাখার জন্যে বিহার থেকে বেশ কয়েক হাজার শক্তিশালী দৈহিক গঠনের উচ্চ বংশীয় মূসলমান অধিবাসী এনে তাদের চা বাগান ও সন্নিহিত এলাকায় জোত ও জমি দিয়েছিল! তা ছাড়াও বৃটিশ তাদের নিজেদের কাজের জন্যে ওই চা বাগানেই প্রোটো-অস্ট্রেলয়েড জনগোষ্ঠির সাঁওতাল, ওঁরাও, হো, মুন্ডা, বূনো ও অন্যান্য নোমাডিক নৃ-গোষ্ঠির বেশ কিছু কর্মী নিয়ে আসে রাজমহল পাহাড়ের পেছন থেকে! ইতিহাসের কাল পরিক্রমায় চা বাগানের এই নৃ-গোষ্ঠি সমূহ আজ মিলেমিশে একাকার, চা শ্রমিকে পরিনত হয়েছে, যদিও সবারই কাজ এখন ও কিছুটা ভিন্ন!চা বাগানের এই কর্মীরা এদের দূর স্বদেশের মূল নৃ-গোষ্ঠির থেকে আজ সম্পুর্ন বিচ্ছিন মানব গোষ্ঠিতে পরিনত হয়েছে! এর সাথে রয়েছে মনিপুর, কোহিমা ও ইম্ফল থেকে এক কালে আগত মনিপুরীরা যারা মঙ্গোলয়েড নৃ-গোষ্ঠির মানুষ! এদের ভেতর একক ভাবে সবচেয়ে বেশী জনসঙ্খ্যা মঙ্গোলয়েড নৃ-গোষ্ঠির চাকমাদের, বর্তমানে অনূমিত প্রায় তিন লক্ষ! এই চাকমাদের প্রায় আরও দেড় লক্ষ বাস করে ভারতের মিজোরাম, অরুনাচল ও ত্রিপুরাতে! 


২. বাঙ্গালীঃ অতি সাম্প্রতিক জেনেটিক অ্যানালাইসিসে (বারডেম, অধ্যাপক আজাদ খানের নেতৃত্বে পরিচালিত) আগেকার সব তত্ত্ব ভূল প্রমানিত করে দেখা গেছে যে বাঙ্গালীরা মূলতঃ মঙ্গোলয়েড নৃ-গোষ্ঠিরই মানুষ, যদিও পরবর্তীতে পশ্চিম দিক থেকে অভিবাসী হয়ে আসা বৈদিক আর্য্য, পাঠান, তুর্কী, পার্সি, রাজপুত সহ বিভিন্ন ইন্দো-আর্য্য নৃ-গোষ্ঠি বাঙ্গালীদের সাথে মিলে মিলশে একাকার হয়ে গেছে (“মেল্টিং পট অব রেসেস”!), মোগলেরা যদিও সেভাবে মেশেনি, কিন্তু তারাও জাতিসত্বার বিচারে মঙ্গোলয়েড! এর আগে পন্ডিত মহলে সন্দেহাতীত ধারনা ছিল যে বাঙ্গালীরা দক্ষিন ভারতের প্রোটো-অস্ট্রেলয়েড জনগোষ্ঠিরই বংশধর, যদিও বাঙ্গালীর অহর্নিশ কর্মকান্ড, সৃজনশীলতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহন ও তা বদল আর আবেগ প্রবনতা সেই রায়ের নিশ্চিতই বিরুদ্ধে ছিল, কারন প্রোটো-অস্ট্রেলয়েড জনগোষ্ঠি সমুহ আপাতঃ দৃস্টিতে ধীর, শান্ত ও শান্তি প্রিয়! যেহেতু নৃতত্বের নিয়মে, যে জাতি যত বেশী শংকর, সে জাতি তত বেশী উদ্ভাবনী শক্তি ও কৌলিন্যে গরীয়ান, তাই বাঙ্গালীর এই মিশ্রন বাঙ্গালীর জন্যে অবশ্যই কল্যাঙ্কর বলে বিবেচিত হয়!অপর্যাপ্ত তথ্যে ঢাকা খ্রীস্ট-পুর্ব কালের ইতিহাসে থেকেই বাঙ্গালীর সন্ধান মেলে, খ্রীস্ট-পুর্ব তৃতীয় শতকে সম্রাট অশোকের ব্রাহ্মী তাম্র লিপিতে বাংলাদেশ অঞ্চলে বাঙ্গালী নরপতি ও বাঙ্গালী নৃগোষ্ঠির স্পস্ট আভাষ পাওয়া যায়!পরবর্তীতে ৭৫০-১১৬১ পর্যন্ত স্বাধীন বাঙ্গালী পাল বংশীয় নৃপতিদের দিয়েই স্থায়ী ভাবে বাংলাদেশ অঞ্চলে বাঙ্গালীদের শাসন ও বসবাসের চিত্র মেলে!(সন্দেহ থাকলে অক্সফোর্ডের ইতিহাস বইতে “লিচ্ছাবি”দের ইতিহাস দেখুন!) ওপরের আলোচনায় দেখুন বাংলাদেশের আদিবাসী বর্তমান বাঙ্গালীরাই, আর কেউ নয়!
 ৩. চাকমা ও অন্যান্য ক্ষুদ্রতর নৃ-গোষ্ঠিঃ পরবর্তীতে ইতিহাসের নানা ঘাত প্রতিঘাতে বাংলাদেশে আরও অনেক নৃ-গোষ্ঠি এসে বসবাস করতে থাকে, তাদের মধ্যে যেহেতু চাকমারাই সঙ্খ্যা-গরিষ্ঠ (প্রায় তিন লক্ষ এখন বাংলাদেশে!), তাই তাদের কথাটিই আমি এখানে উল্লেখ করছি! কারন তাদের একটি সূবিধাবাদী অংশ বেশ কয়েকযূগ ধরেই “শান্তি বাহিনী” বা অন্যান্য অঙ্গদল হিসেবে বাংলাদেশ রাস্ট্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যূদ্ধ চালাচ্ছে, রক্তক্ষয় ঘটাচ্ছে, কোন কোন স্বার্থান্বেসী মহলের ইন্ধন ও সাহায্যে স্বাধীন বাংলাদেশের ভূখন্ডে তাদের স্বাধীনতা দাবী করছে আর তাদের সাথে সংগবদ্ধ ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক মহল। বিদেশে চাকমারা নিজস্ব প্রবাসী সরকারও গঠন করে বাং লাদেশ রাস্ট্রের বিরুদ্ধে অপ-প্রচারে নিরন্তর লিপ্ত রয়েছে আর এই ব্যপারে কিছু পশ্চিমা দেশ বা সংগঠন তাদের পূরোদমে মদদ যূগিয়ে যাচ্ছে! সত্তরের দশকে চীন-পাকিস্তান ও অন্যান্য বর্মী চীনা পন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠির (যেমন বার্মিজ কমিউনিস্ট পার্টি-বিসিপি) সাহায্যে এই রক্তক্ষয় তারা শুরু করলেও কয়েকবছরের ভেতরই ভারতীয়রা প্রীতি চাকমার নেতৃত্বে সশস্ত্র একটি গ্রুপকে তাদের পক্ষে সফল ভাবে বের করে নেয়! চাকমাদের প্রয়াত মানবেন্দ্র নারায়ন লারমার নেতৃত্বে এই “বিচ্ছিন্নতাবাদী” আন্দোলন শুরু হলেও (যিনি কয়েক বছরের ভেতরই প্রীতি গ্রুপের হাতে নিহত হন!) এই তথাকথিত “চাকমা মুক্তিযূদ্ধের” সাথে বাংলাদেশের অন্যান্য আদিবাসীদের সম্পর্ক একেবারেই নগন্য, কারন তারাও মনে করে যে চাকমাদের প্রাধান্য তাদের অধিকার ক্ষুন্ন করে চলেছে! অথচ চাকমারা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে অন্যান্য বাংলাদেশীদের মতোই একই, এমন কি নৃ-গোষ্ঠি হিসেবে বাংলাদেশের সংবিধান অনূযায়ী তাদের বিশেষ অধিকার ভোগ করে আসছে! বর্মীদের সাথে লড়াইয়ে না টিকতে পেরে মধ্য বর্মা ও আরাকানের সেক বা থেক নৃ-গোষ্ঠির সাথে তাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে মাইগ্রেট করার প্রথম যে ধোঁয়াসা পুর্ন ঐতিহাসিক বিবরন পাওয়া যায় তা ১৫৫০ সালের থেকে আগের নয়! অন্যমতে তাদের আগমন তারও বহু পরে! বাংলাদেশের আদিবাসী হিসেবে তাদের বর্ননা করা তাই শুধু মিথ্যাচারই নয়, বাঙ্গালী জনগোষ্ঠিকে স্বদেশে পরবাসী বানানোর এক হীন পরিকল্পনা! আদিবাসী স্বীকৃতি মানেই তাদের এই অঞ্চলের ওপর প্রথম সার্বভৌমত্যের প্রশ্ন আর তাই করার জন্যেই ঊঠে পড়ে লেগেছে তাদের সাথেই কতিপয় বাঙ্গালী জ্ঞানপাপী ও স্বার্থান্বেসী মহল!য়ার সারা বিশ্বের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতে তাদের এই সু-পরিকল্পিত প্রচার কার্য্য গত কয়েক দশকে এতটাই কৌশলে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে যে এখন বোঝা দ্বায় কোনটি আসল সত্য! এখানে একটি বিষয় উল্লেখযোগ্য যে ১৯৭১ সালের মূক্তিযূদ্ধে বাঙ্গালীরা পার্বত্য চট্টগ্রামের সমর্থন বেশী একটি পায় নি, তাদের এক নেতা, রাজা ত্রিদিব রায় পাকিস্তানের সেই যুদ্ধিকালীন মন্ত্রী সভার সদস্য থেকে বাঙ্গালীদের মূক্তিযূদ্ধের সরাসরি বিরোধিতা করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের উষা লগ্নে ভারতীয় গেরিলা যূদ্ধ বিশারদ গেনারেল সুজন সিং ওবানের নেতৃত্বে মূলতঃ বাঙ্গালী ও ভারতীয়দের নিয়ে গঠিত মিত্র বাহিনীর “কিলো ফোর্স” এই এলাকা মুক্ত করে! মুক্তিযুদ্ধের শেষ মুহুর্তে জেনারেল রহিম সহ বেশ কিছু অপরাধী পাকিস্তানী সেনাধক্ষ্যকে এই এলাকা দিয়ে বর্মায় পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়!
 ৪. বাংলাদেশে ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বা জনগোষ্ঠি সমুহের সূযোগ সূবিধাঃবাংলাদেশে ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বা জনগোষ্ঠি সমুহের জন্যে পৃথিবীর যে কোন দেশের চাইতে ভাল সূযোগ সূবিধা রয়েছে! মুক্তি সংগ্রামের ভেতর দিয়ে দেশ স্বাধীন করা একটি জাতি হিসেবে বাঙ্গালীরা তাদের বাংলাদেশের অন্যান্য নাগরিকের মতোই মনে করে ও সমস্ত রকম বিশেষ সূযোগ সিবিধা দিতে সাংবিধানিক ভাবেই দৃঢ় প্রতিজ্ঞ!শুধু একটি বিষয় উল্লেখ করলেই তা বোঝা যাবে, যে কোন ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বার ছেলে বা মেয়ে এইচএসসি পাস করলেই তার মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, সামরিক বাহিনী ও অন্যান্য লোভনীয় বিষয়ে এক রকম বিশেষ সূযোগে ভর্তি হতে পারে তাদের কোটার জোরে যা মূলধারা বাঙ্গালীদের জন্যে একটি অকল্পনীয় ব্যাপার! হ্যা পাহাড়ে সহিংসতা আছে, আমরা রুখে দাড়িয়েছি তা, সেটি আসলে দুর্বলের ওপর সবলের সেই চিরচারিত শোষন, আলাদা কিছুই নয় ও তা বাঙ্গালী বা অন্য সব নাগরিকের জন্যেই সত্য! মনিপুর, কোহিমা, বা ভারতীয় “সেভেন সিস্টার” রাজ্য সমুহের সাথে তূলনা করলেই বোঝা যাবে আমার কথার সারবত্তা! তাই, বাংলাদেশে বাংলাদেশে ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বা জনগোষ্ঠি সমুহ তাদের নিজস্ব স্বকীয়তা নিয়ে আমাদের মতোই সুখে দুখে থাকুন, তাদের “আদিবাসী” বানানোর এই প্রচারনার কারন কি? বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে বাঙ্গালীদের মতো, বা তার চাইতেও সুবিধা ভোগ করতে চাইলে বাঙ্গালীদের মতোই বাংলাদেশে বিরাজিত কস্ট সুমুহেও তাদের শেয়ার করতে হবে, তাইই তো স্বাভাবিক!
 রেফারেন্সঃ 
1. Situated in the northwestern delta north of the Padma River, Varendra included the territories now constituting the districts of Malda, Pabna, Rajshahi, Bogra, Dinajpur, and Rangpur. The Bhagirathi-Hooghly basin included several ancient cultural subregions—Suhma, Vardhamana, Raḍha, and Gauḍa—corresponding to the modern districts of Midnapur, Howrah, Hooghly, Burdwan, Birbhum, and Mur-shidabad. Ancient Vanga, or Central Bengal, included the area corresponding tothe modern districts of Dhaka, Faridpur, Jessore, Bakarganj, Khulna, Nadia, andTwenty-four Parganas. Samatata included the hilly region east of the Meghna River in the southeastern delta, corresponding to modern Comilla, Noakhali, and Chittagong. Harikela referred to the delta’s northeastern hinterland, including modern Mymensingh and Sylhet. On the ancient subregions of Bengal, see Barrie M. Morrison, Political Centers and Cultural Regions in Early Bengal (Tucson: University of Arizona Press, 1970), esp. ch. 4, and Susan L. Huntington, The “Pala-Sena” Schools of Sculpture (Leiden: Brill, 1984), 171. For a discussion of Bengal’s physical subregions, see O. H. K. Spate and A. T. A. Learmonth, India and Pakistan: A General and Regional Geography, 3d ed. (London: Methuen, 1967), 571–73. 

2. Aitareya Brāhmaṇa 7.6, cited in S. K. Chatterji, Origin and Development of the Bengali Language (Calcutta: University of Calcutta Press, 1926), 1: 62. 
3. These include the Āyāraṃa Sutta and Gaina Sūtras, cited in Chatterji, Origin and Development, 1: 71. 
4. Chatterji, Origin and Development, 1: 67. 
5. P. C. Das Gupta, The Excavations at Pandu Rajar Dhibi (Calcutta: Directorate of Archaeology, West Bengal, 1964), 14, 18, 22, 24, 31. The site is located on the southern side of the Ajay River, six miles from Bhedia. The archaeological record reveals prehistoric rice-cultivating communities living all along the middle Gangetic Plain. Excavations in the Belan Valley south of Allahabad have found peoples cultivating rice (Oryza sativa) as early as the middle of the seventh millennium B.C., which is the earliest-known evidence of rice cultivation in the world. G. R. Sharma and D. Mandal, Excavations at Mahagara, 1977–78 (a Neolithic Settlement in the Belan Valley), vol. 6 of Archaeology of the Vindhyas and the Ganga Valley, ed. G. R. Sharma (Allahabad: University of Allahabad, 1980), 23, 27, 30. 
6. Ram Sharan Sharma, Material Culture and Social Formations in Ancient India (New Delhi: Macmillan India, 1983), 118. 
7. See Arlene R. K. Zide and Norman H. Zide, “Proto-Munda Cultural Vocabulary: Evidence for Early Agriculture,” in Austroasiatic Studies, ed. Philip N. Jenner, Laurence C. Thompson, and Stanley Starosta, pt. 2 (Honolulu: University Press of Hawaii, 1976), 1324. The authors show that Munda terms for uncooked, husked rice (Oryza sativa) have clear cognates in the language’s sister Austroasiatic branch, Mon-Khmer. They also conclude that “the agricultural technology included implements which presuppose the knowledge and use of such grains and legumes as food, since, the specific and consistent meanings for ‘husking pestle’ and ‘mortar’ go back, at least in one item, to Proto-Austroasiatic.” 
8. Te-Tzu Chang, “The Impact of Rice on Human Civilization and Population Expansion,” Interdisciplinary Science Reviews 12, no. 1 (1987): 65.
9. Spate and Learmonth, India and Pakistan, 47. 10. Romila Thapar, From Lineage to State: Social Formations in the Mid-First Millennium B.C. in the Ganga Valley (Bombay: Oxford University Press, 1984), 68. Although fire could have been used for clearing forests of their cover, permanent field agriculture required the removal of tree stumps, for which the use of iron axes and spades would have been necessary. Sharma, Material Culture, 92. 11. Sharma, Material Culture, 92–96. 12. Ibid., 96–99.
13. Michael Witzel, “On the Localisation of Vedic Texts and Schools,” in India and the Ancient World: History, Trade and Culture before A.D. 650, ed. Gilbert Pollet (Leuven: Departement Oriëntalistiek, 1987), 173–213; and id., “Tracing the Vedic Dialects,” in Dialectes dans les littératures Indo-Aryennes, ed. Colette Caillat (Paris: Collège de France, Institut de civilisation indienne, 1989), 97–265. 
14. Romila Thapar, “The Image of the Barbarian in Early India,” Comparative Studies in Society and History 13, no. 4 (October 1971): 417. The text is the Śatapatha Brāhmaṇa. 
15. These include the Mārkaṇdeya Purāṇa and the Yajṅavalkya Smṛti 3.292. Cited in Thapar, “Image,” 417. 16. For example, the eastern frontier of Indo-Aryan country in the ṛg Veda was the Yamuna River; in the Paippalāda Saṁhitā, it was Kasi (Benares region); in the Saunakīya Saṁhitā, it was Anga (eastern Bihar); and in the Aitareya Brāhmaṇa (7.18), it was Pundra, or northern Bengal. See Witzel, “Localisation,” 176, 187. 
17. Today modern Bengali, an Indo-Aryan language, is surrounded on all sides by a number of non-Indo-Aryan language groups—Austroasiatic, Dravidian, Sino-Tibetan—suggesting that over the past several millennia the non-Indo-Aryan speakers of the delta proper gradually lost their former linguistic identities, while those inhabiting the surrounding hills retained theirs. On the other hand, the survival of non-Indo-Aryan influences in modern standard Bengali points to the long process of mutual acculturation that occurred between Indo-Aryans and non-Indo-Aryans in the delta itself. Such influences include a high frequency of retroflex consonants, an absence of grammatical gender, and initial-syllable word stress. As M. H. Klaiman observes, “descendants of non-Bengali tribals of a few centuries past now comprise the bulk of Bengali speakers. In other words, the vast majority of the Bengali linguistic community today represents present or former inhabitants of the previously uncultivated and culturally unassimilated tracts of eastern Bengal.” M. H. Klaiman, “Bengali,” in The World’s Major Languages, ed. Bernard Comrie (New York: Oxford University Press, 1990), 499, 511. See also Chatterji, Origin and Development, 1: 79, 154; and F. B. J. Kuiper, “Sources of the Nahali Vocabulary,” in Studies in Comparative Austroasiatic Linguistics, ed. Norman H. Zide (Hague: Mouton, 1966), 64. For a map showing the modern distribution of the Bengali and non-Indo-Aryan languages in the delta region, see Joseph E. Schwartzberg, ed., A Historical Atlas of South Asia (Chicago: University of Chicago Press, 1978), 100.
18. Cited in Witzel, “Localisation,” 195. 
19. Colin P. Masica, “Aryan and Non-Aryan Elements in North Indian Agriculture,” in Aryan and Non-Aryan in India, ed. Madhav M. Deshpande and Peter E. Hook (Ann Arbor: University of Michigan, 1979), 132.
 20. This is not to say that anything resembling today’s caste system suddenly appeared at this early date, although the ideological antecedents for that system are clearly visible in this framework.
21. Others, if necessary for any one… 
উৎস: http://www.nagorikblog.com/node/9300
Share on Google Plus

About Tudu Marandy and all

0 comments:

Post a Comment