Online Santal Resource Page: the Santals identity, clans, living places, culture,rituals, customs, using of herbal medicine, education, traditions ...etc and present status.

The Santal Resource Page: these are all online published sources

Santal Gãota reaḱ onolko ńam lạgit́ SRP khon thoṛ̣a gõṛ̃o ńamoḱa mente ińaḱ pạtiạu ar kạṭić kurumuṭu...

Thursday, May 28, 2015

শত বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি সাঁওতাল পল্লীতে মানিকছড়ি

বিংশ শতাব্দির শুরুতে ভারতের আসাম ও মায়ানমারের আরাকান থেকে পার্বত্য খাগড়াছড়ির দুর্গম জনপদ লক্ষ্মীছড়ি ও মানিকছড়িতে সাঁওতালদের আগমন। তখন থেকে এসব গ্রামের নামকরণ হয় সাঁওতাল পল্লী। এর একটি মানিকছড়ি উপজেলার ধাইজ্যা পাড়ার সাঁওতাল পল্লী। যুগের পর যুগ মৌলিক অধিকার বঞ্চিত এখানকার সাঁওতাল অধিবাসীরা।

সরজমিন ঘুরে জানা গেছে, ১৯২০ সালে ভারতের আসাম এবং বর্তমান মিয়ানমারের আরাকান থেকে এ অঞ্চলে সাঁওতালদের প্রত্যাবর্তন। খাগড়াছড়ির দুর্গম জনপদ মানিকছড়ির ধাইজ্যা পাড়াস্থ সাঁওতাল পল্লীতে ২৬ পরিবারে দু’শতাধিক সাওতালের বসবাস। অসহায় সাঁওতালরা শত বছরেও পায়নি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পয়ঃনিষ্কাশন, বিশুদ্ধ পানির নিশ্চয়তা। তারা তাঁদের ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা-দীক্ষায় এগিয়ে নিতে পারেনি। কারণ আজোও এ পল্লীর আশে-পাশে গড়ে ওঠেনি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শুধু তাই নয় এসব পল্লীর প্রতিটি শিশু অপুষ্টিতে ভোগছে। শিশু, কিশোরী ও গর্ভবতী মা কিংবা গৃহবধু সকলে স্বাস্থ্য সেবা অথবা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সর্ম্পকে জানেন না কিছুই। অভাব-অনটনের কারণে প্রতিনিয়ত পরের জমিতে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন সাঁওতাল নর-নারীরা। আর শ্রমের বিনিময়ে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে চলে তাদের সংসার। তবে গ্রামের নামকরণ হয়েছে সাঁওতালপাড়া এটাই যেন তাঁদের কাছে বড় পাওনা। গত সোমবার সরজমিনে গেলে কথা হয় প্রবীণ ব্যক্তি ও সর্দার (কার্বারী) গণেশ সাঁওতাল (৬৭) ও তাঁর পুত্র মিলন সাঁওতালের (৩৫) সাথে। এ গ্রামে জন্ম নেওয়া গণেশ সাঁওতাল জানান, তাঁদের সংগ্রামী জীবনে অধরা মৌলিক অধিকারের কথা। এ গ্রামে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই ফলে পাশ্ববর্তী রাঙ্গাপানিস্থ (৪কিলোমিটার দূরে) প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে পড়ালেখা করা ছেলে-মেয়েদের ভাগ্যে জুটে না। তাও আবার প্রতিটি পরিবারে অভাব-অনটন নিত্যসঙ্গী! পুরুষের পাশা-পাশি নারীরা ও পরের জমিতে শ্রম দিয়ে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করছে। গ্রামের নারীরা স্বাস্থ্য সম্পর্কে তেমন সচেতন নন। শিশুদের টিকা ও গর্ভবর্তী মায়েদের চিকিৎসায় তারা এক সময় ছিল অজ্ঞ। বর্তমানে এ বিষয়ে কিছুটা অবগত হলেও গ্রামে সচরাচর কোন পরিবার পরিকল্পনা কর্মী আসে না। মাসে, দু’মাসে আসলেও নগদ টাকা দিয়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি কিনে খেতে হয়! রাস্তাঘাটের অভাবে জরুরি প্রয়োজনে তারা উপজেলা সদরে (৮ কিলোমিটার) আসতে নানা বেগ পেতে হয়। এখানে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় তাঁরা বাংলা ভাষার পাশা-পাশি মাতৃভাষা বিলুপ্তির আশংকা করছে। গ্রামের অধিকাংশ নারী ও পুরুষরা শ্রম দিতে মাঠে থাকায় গ্রামে গিয়ে সবাইকে পাওয়া যায়নি। এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে যেতে দেখা গেল পাহাড়ের ছড়া বা খাল থেকে ঝর্ণার (কূফ) পানি নিচ্ছে মায়েরা। তারা জানালেন, নালা এবং কূফের পানি আমরা নিয়মিত ব্যবহার করি। খোলা জায়গায় (নদীর পাড়ে) পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা। এ সময় কথা হয় তিনটহরী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য ও গ্রাম্য চিকিৎসক মো. মিজানুর রহমানের সাথে তিনিও অপকটে স্বীকার করলেন, সাঁওতাল পাড়ার অজ¯্র সমস্যার কথা। এই যখন মানিকছড়ির সাঁওতালপাড়ার অসহায় মানুষের জীবন চিত্র, তখন ভাবাই যায় সাঁওতালরা আজ সমাজে কত অবহেলিত। এ প্রসঙ্গে কথা হয় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম বাবুলের সাথে। তিনি জানান, শুনেছি সাঁওতাল পল্লীতে অনেক সমস্যা আছে। তবে মৌলিক অধিকার বঞ্চিত এটা ভাবিনি। অচিরেই বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাসহ সাঁওতালদের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে।

Source:  http://www.dainikpurbokone.net/
Share:

Wednesday, May 20, 2015

পানছড়ির সাঁওতালরা ভালো নেই: 'নুন আনতে পান্তা ফুরায়' অবস্থা

আবু দাউদ, খাগড়াছড়ি

পানছড়ির সাঁওতালরা ভালো নেই। তাঁদের নেই বলতে কিছুই নেই। দিন কাটে কষ্টে। 'নুন আনতে পান্তা ফুরায়' অবস্থা। গ্রামে বাসা বেঁধেছে নানা সমস্যা। কোনো উন্নয়নকাজ হয়নি কোনো সরকারের আমলেই। তাঁদের কষ্ট শোনা বা সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব যাঁদের ওপর বর্তায় তাঁরা কেউ খোঁজ নেন না। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অসেতু বিকাশ চাকমা জানান, বিশেষ জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের পৃথক বরাদ্দ থাকে না। তবু পরিষদ থেকে সাধ্যমতো সাঁওতালদের জন্য সহায়তার হাত বাড়ানো হয়।
পানছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সর্বোত্তম চাকমা সাঁওতালদের পিছিয়ে পড়ার পেছনে নিজেরা সংগঠিত না হওয়া এবং দায়িত্বহীনতাকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, 'আমি কয়েকবার সাঁওতালগ্রাম পরিদর্শন করে অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে অবহিত হই। তাঁদেরকে আরো উদ্যোগী, উদ্যেমী ও কর্মঠ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে উপজেলা পরিষদে জমা দিতে বলেছি।' তবে তাঁরা নিজেদের ব্যাপারে খুবই অসচেতন এবং অলস হওয়ায় প্রত্যাশামতো উন্নয়ন হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন উপজেলা চেয়ারম্যান। জানা গেছে, সাঁওতালরা জীবন-জীবিকার খোঁজে বৃটিশ আমলে পার্বত্যাঞ্চলে আসেন। কাপ্তাই বাঁধে ক্ষতিগ্রস্ত এসব সাঁওতাল পরিবার খাগড়াছড়ির পানছড়িতে আশ্রয় নেন ১৯৬০-১৯৬১ সালের দিকে। এখন প্রায় ১০০টি পরিবার পানছড়ির বড় সাঁওতালপাড়া, মঙ্গলকার্বারীপাড়া ও রামদাসকার্বারীপাড়ায় থাকে।
 সাঁওতাল গ্রামের বাসিন্দারা জানান, পরীক্ষামূলকভাবে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হলে সাঁওতালদের বসতভিটা পানিতে ডুবে যায়। বাধ্য হয়ে পরের বছর আশ্রয়ের খোঁজে রাঙামাটি ছেড়ে খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়িতে ঠিকানা গড়ে তুলেন তাঁরা। মাঝে দীর্ঘসময় ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিরাজমান পরিস্থিতির কারণে তাঁরা মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ পাননি।
সাঁওতালদের সামাজিক ও ধর্মীয় নেতা দেনা মুরমু জানান, পার্বত্য শান্তিচুক্তির পর তাঁদের কিছুটা গুছিয়ে উঠার চেষ্টা যখন চলে তখনই স্বপ্নভঙ্গ! পানছড়ি উপজেলা পরিষদসহ সরকারি অবকাঠামো স্থাপনের জন্য দ্বিতীয়বার উচ্ছেদ হতে হয়েছে এসব সাঁওতাল পরিবারকে। ফলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েন তাঁরা। স্বাস্থ্যসচেতনতা না থাকায় নানা রোগব্যাধিতে ভুগছেন সাঁওতালরা। গ্রামের প্রথম ম্যাট্রিক পাস মিলন সাঁওতাল বলেন, 'সাঁওতালরা সবদিক থেকেই পিছিয়ে। দারিদ্র্যতার কারণে লেখাপড়া করতে পারেন না। অন্যদিকে শিক্ষার অভাবে সচেতনতা বাড়ছে না। সাঁওতালদের স্বাভাবিক মৃত্যু খুবই কম। রোগশোকেই অধিকাংশ সাঁওতাল মারা যান।'


 সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পেনশনভোগী সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর অন্যতম মুরবি্ব বীর সাঁওতাল জানান, দিনমজুরি করে অনেক কষ্টে দিন কাটে সাঁওতালদের। বাচ্চাদের ভরণপোষণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয় সবসময়। সাঁওতাল জনগোষ্ঠী বংশ পরম্পরায় সরকারের সড়ক ও জনপথ বিভাগে কাজ করে আসছিল। তবে শোভা সরেন বলেন, 'আমার বাপদাদারা রোডে (সড়ক ও জনপথ বিভাগ) কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। কিন্তু বিগত খালেদা জিয়া (বিএনপির আমল) সরকারের সময় থেকে সাঁওতালদের আর রোডে কাজ দেওয়া হয় না। ফলে পাহাড়ে কাঠ কেটে কোনো রকমে বেঁচে আছি আমরা।' পানছড়ির অধিকাংশ সাঁওতাল অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবন কাটাচ্ছেন। যে পাহাড়ে ঠাঁই নিয়েছেন কোনোরকম বেঁচে থাকার অবলম্বন খুঁজছেন, এরও নেই কোনো স্বীকৃতি। জমির কোনো রেকর্ডপত্র তাঁদের হাতে নেই। রাঙামাটিতে যাঁদের কাগজপত্র ছিল, তাঁরা কিছুটা সমতল (ঘোনা) জমি পেলেও সেখানকার ভূমিহীনরা এখনো থেকে গেছেন ভূমিহীন। অধিকাংশ সাঁওতাল বনে কাঠ সংগ্রহ করে তা বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বড় সাঁওতালপাড়ার কার্বারী গুনু সরেন জানান, তাঁরা রাঙামাটি থেকে কাপ্তাই বাঁধে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পানছড়িতে আসেন। সেখানে যাঁদের জমি ছিল তাঁরাই এখানে সমতল জমি পেয়েছে, বাকীরা পাননি। তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, 'এখানে ঝাড়জঙ্গল আবাদ করছি, জায়গার মতো জায়গা করছি। বসবাস করছি। কিন্তু রেকর্ডপত্র পাইনি। রেকর্ডপত্র করতে যে টাকার প্রয়োজন, সে টাকাই বা জোগাড় হবে কী করে!' বড় সাঁওতালপাড়ায় নিজেরাই ছোট্ট একটি মন্দির নির্মাণ করলেও বাকী দুটি সাঁওতালপাড়ায় কোনো মন্দির নেই। পর্যাপ্ত নলকূপ নেই। স্যানিটেশন সুবিধা সীমিত। বড় সাঁওতালপাড়া ও মঙ্গলকার্বারীপাড়ার মেঠোপথটি দিয়ে হাঁটাও কষ্টসাধ্য। পানছড়ি সদর উপজেলা থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরের সাঁওতাল গ্রামটি দেখলে মনে হবে কোনো দূরগ্রাম। উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। পার্বত্য জেলা পরিষদ সৃষ্টির পরও কোনো উন্নয়নকাজ হয়নি এই সাঁওতাল গ্রামে। মঙ্গল কার্বারীপাড়ার সম মাদ্রি, বড় সাঁওতালপাড়ার গুনুই সাঁওতাল ও রামদাস কার্বারীপাড়ার রামদাস সরেন। এই তিনজন ওই তিন গ্রামের সর্দার। বড় সাঁওতালপাড়ার কার্বারী গুনু সরেন বলেন, 'কষ্ট করে চলি কিন্তু কাউকে বিরক্ত করি না। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান-মেম্বার বা প্রশাসনের কাছে সাঁওতালরা বিচার-আচার নিয়ে যান না। শান্ত প্রকৃতির সাঁওতালদের নিয়ে বাড়তি চিন্তা করতে হয় না জনপ্রতিনিধি বা প্রশাসনকে।' প্রথম এসএসসি পাস মিলন সাঁওতাল বলেন, 'সরকারই তো নয়ই, পাহাড়ের অন্য মানুষও আমাদের আপন করে নিতে পারেননি। যে কারণে সাঁওতালরা খোলামেলাভাবে তাঁদের দাবি দাওয়া কিংবা নূ্যনতম অধিকারের বিষয়েও মুখ খুলেন না।'
 একটি ভালো খবর, শিশুরা স্কুলে যায় : এতো সমস্যার মধ্যেও একটি ভালো খবর আছে। ইদানীং সাঁওতাল শিশুরা অভাবের সঙ্গে যুদ্ধ করেও স্কুলে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলেছে। 'দিনে আনে দিনে খায়' এমন গরিব পরিবারের জন্য নিয়মিত স্কুলে পাঠানোও যে কতটা কঠিন, তা এলাকায় না গেলে বুঝা যাবে না। তারপরও শিশুদের স্কুলে যাওয়ার অভ্যাস আশাবাদী করে তুলছে অনেককে। প্রতিদিন দুবেলা দুমুঠো ভাতের সংস্থান করতে যাঁদের সংগ্রাম করতে হচ্ছে সেখানকার সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর শিক্ষাদীক্ষার প্রতি আগ্রহ এবং সংস্কৃতি সচেতনতা সত্যিই একটি ইতিবাচক দিক। ১০ বছর আগে যেখানে একজন মিলন সাঁওতালই ছিলেন প্রথম এসএসসি পাস; সেখানে বর্তমানে চারজন সাঁওতাল ছেলে-মেয়ে এসএসসি পাস করেছে। লক্ষী হেমরম নামে একজন সাঁওতাল মেয়ে পানছড়ি কলেজে এইচএসসিতে ভর্তি হয়েছেন। কিন্তু এখনো ভর্তির পুরো টাকা দিতে পারেননি। জানা গেছে, এখানকার আরো একজন ডিগ্রিতে পড়ছেন।
Source: http://www.kalerkantho.com/print-edition/2nd-rajdhani/2015/05/19/223481
Share:

Draupadi Murmu took oath today as Jharkhand's first woman governor in presence of Chief Minister Raghubar Das and many others

Draupadi Murmu was sworn in as the first woman Governor of Jharkhand on Monday. Murmu succeeds Syed Ahmed, who will take over as Manipur Governor.
A two-time BJP MLA from Odisha, she was a minister in the Naveen Patnaik cabinet when the Biju Janata Dal ruled the state with the support of Bharatiya Janata Party. She headed the BJP's Mayurbhanj district unit in Odisha and had represented Rairangpur in the Odisha assembly.
Jharkhand High Court Chief Justice Virendra Singh administered the oath of office to Murmu.

Jharkhand Chief Minister Raghubar Das, his cabinet colleagues, former Chief Ministers Shibu Soren and Arjun Munda, Union Minister of State for Rural Development Sudarshan Bhagat and a host of other dignitaries were present during the oath-taking ceremony.
Source:  http://www.dnaindia.com/india/report-jharkhand-gets-its-first-woman-governor-in-draupadi-murmu-2086786

Share:

Saturday, May 9, 2015

চোলাই মদের ব্যবসা বন্ধের দাবিতে সাঁওতাল নারী

অনলাইন রিপোর্ট
 বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা দিনাজপুর এবং রংপুরের সাঁওতাল এবং ওঁরাও সম্প্রদায়ের
নারীরা গত কদিন ধরে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছেন চোলাই মদের ব্যবসা বন্ধের
দাবিতে।তাদের অভিযোগ, অনেক উপজাতীয় পরিবারেই এখন পুরুষরা
বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চোলাই মদ তৈরি করে তা বিক্রি করছে।


এতে পুরুষদের মধ্যে মাদকাসক্তি বাড়ছে এবং মাতাল পুরুষদের হাতে পরিবারে নারী নির্যাতনের ঘটনা
বাড়ছে।দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ এবং পার্বতীপুর উপজেলা এবং রংপুরের
বদরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর উপজেলায় প্রায় সোয়া লাখ উপজাতীয় বাস করেন। এদের
বেশিরভাগই সাঁওতাল এবং ওঁরাও সম্প্রদায়ের।‘আদিবাসী নারী জাগরণ
সংঘ’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে গত কদিন ধরে সেখানে দশ বারোটি গ্রামের
মহিলারা মিছিল সমাবেশ করছেন মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে।শ্যামল মার্ডি
নামে একজন জানান, সাঁওতালরা বিভিন্ন উৎসবের সময় ঘরেই চোলাই মদ তৈরি করে তা
 পান করে। কিন্তু এখন বাণিজ্যিকভাবে যে চোলাই মদ তৈরি করা হচ্ছে তা
একেবারেই ভিন্ন।তবে পুলিশের একজন কর্মকর্তা আবু তারেক বলেন, ঘরে
চোলাই মদ তৈরি সাঁওতালদের একটা ঐতিহ্য। এটা পুলিশের পক্ষে বন্ধ করা সম্ভব
নয়। তবে কেউ যদি নারী নির্যাতনের অভিযোগ করে, সেটার বিরুদ্ধে পুলিশ
ব্যবস্থা নিতে পারে।
বাংলাদেশের
 উত্তরাঞ্চলীয় জেলা দিনাজপুর এবং রংপুরের সাঁওতাল এবং ওঁরাও সম্প্রদায়ের
নারীরা গত কদিন ধরে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছেন চোলাই মদের ব্যবসা বন্ধের
দাবিতে।তাদের অভিযোগ, অনেক উপজাতীয় পরিবারেই এখন পুরুষরা
বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চোলাই মদ তৈরি করে তা বিক্রি করছে। এতে পুরুষদের মধ্যে
মাদকাসক্তি বাড়ছে এবং মাতাল পুরুষদের হাতে পরিবারে নারী নির্যাতনের ঘটনা
বাড়ছে।দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ এবং পার্বতীপুর উপজেলা এবং রংপুরের
বদরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর উপজেলায় প্রায় সোয়া লাখ উপজাতীয় বাস করেন। এদের
বেশিরভাগই সাঁওতাল এবং ওঁরাও সম্প্রদায়ের।‘আদিবাসী নারী জাগরণ
সংঘ’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে গত কদিন ধরে সেখানে দশ বারোটি গ্রামের
মহিলারা মিছিল সমাবেশ করছেন মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে।শ্যামল মার্ডি
নামে একজন জানান, সাঁওতালরা বিভিন্ন উৎসবের সময় ঘরেই চোলাই মদ তৈরি করে তা
 পান করে। কিন্তু এখন বাণিজ্যিকভাবে যে চোলাই মদ তৈরি করা হচ্ছে তা
একেবারেই ভিন্ন।তবে পুলিশের একজন কর্মকর্তা আবু তারেক বলেন, ঘরে
চোলাই মদ তৈরি সাঁওতালদের একটা ঐতিহ্য। এটা পুলিশের পক্ষে বন্ধ করা সম্ভব
নয়। তবে কেউ যদি নারী নির্যাতনের অভিযোগ করে, সেটার বিরুদ্ধে পুলিশ
ব্যবস্থা নিতে পারে।
Source: http://www.alokitobangladesh.com/online/ladies/2015/05/07/1598


Share:
Copyright © The Santal Resources Page | Powered by Blogger Theme by Ronangelo