Online Santal Resource Page: the Santals identity, clans, living places, culture,rituals, customs, using of herbal medicine, education, traditions ...etc and present status.

The Santal Resource Page: these are all online published sources

Santal Gãota reaḱ onolko ńam lạgit́ SRP khon thoṛ̣a gõṛ̃o ńamoḱa mente ińaḱ pạtiạu ar kạṭić kurumuṭu...

Saturday, October 29, 2016

সাঁওতাল বিদ্রোহের মহানায়িকা ইলা মিত্র

প্রকাশঃ অক্টোবর ১৮, ২০১৫ সময়ঃ ১২:৩৪
ইলা মিত্র জমিদারের পুত্রবধূ হয়েও জমিদার ও জোতদারদের শোষণ আর অত্যাচারের বিরুদ্ধে গড়ে তুলেছিলেন এক দুর্বার আন্দোলন। তার এ সংগ্রামে এক হয়ে গিয়েছিল বাঙালি ও আদিবাসী সাঁওতাল। ১৮ অক্টোবর নাচোলের সাঁওতাল বিদ্রোহের মহানায়িকা ইলা মিত্রের ৯০তম জন্মদিন। ইলা মিত্রের জন্ম ১৯২৫ সালের ১৮ অক্টোবর কলকাতায়। বাবা নগেন্দ্রনাথ সেন ছিলেন ব্রিটিশ সরকারের অধীন বাংলার অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল। লেখাপড়া করেছেন কলকাতার বেথুন স্কুল ও বেথুন কলেজে।
কৈশোরে খেলাধুলায় তিনি ছিলেন অসম্ভব তুখোড়। ১৯৩৫ থেকে `৩৮ সাল পর্যন্ত রাজ্য জুনিয়র অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নের তকমাটা ঝুলেছে তার গলায়। তিনিই প্রথম বাঙালি মেয়ে, যিনি ১৯৪০ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত অলিম্পিকের জন্য নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে অলিম্পিক বাতিল হয়ে গেলে তার আর এ ক্রীড়াযজ্ঞে অংশ নেওয়া হয়ে ওঠেনি। গত ১৩ অক্টোবর ছিল তার মৃত্যুদিবস (২০০২)।
চল্লিশ-পঞ্চাশের দশকে ফসলের `তেভাগা` প্রতিষ্ঠার দাবিতে ইলা মিত্র হয়ে উঠেছিলেন জীবন্ত কিংবদন্তি! কৃষকরা গায়ে-গতরে খেটে ফসল ফলায়, সব খরচ জোগায়। তারাই ফসলের দুই-তৃতীয়াংশ ভাগ পাবে। এই দাবিতে গড়ে উঠেছিল তেভাগা আন্দোলন। রাজশাহী জেলার, বিশেষ করে নাচোলের কৃষকদের এই আন্দোলন সংগঠিত করার ক্ষেত্রে ইলা মিত্রের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়।
বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি আদিবাসী-বাঙালি সবার মন জয় করে নেন। ক্রমশ হয়ে ওঠেন সাঁওতাল ও অন্যান্য কৃষকদের `রানীমা`। কৃষকদের সঙ্গে সংঘর্ষে দারোগাসহ চারজন পুলিশ নিহত হলে পাকিস্তানি শাসকরা আদিবাসীদের ওপর প্রচন্ড নিপীড়ন চালাতে শুরু করে। ভেঙে পড়ে নাচোলের প্রতিরোধ আন্দোলন। চরম লাঞ্ছনার শিকার হতে হয় ইলা মিত্রকে। তাকে ১ নম্বর আসামি করে মোট ৩১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা রুজু করা হয়। বিচারে ইলা মিত্রসহ ২৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়। ইলা মিত্র রাজশাহী ও ঢাকা জেলে বন্দি ছিলেন ১৯৫০-৫৪ সাল পর্যন্ত।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে যুক্তফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় গেলে চিকিৎসার প্রয়োজনে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে কলকাতা চলে যান ইলা মিত্র। আর পূর্ববাংলায় ফিরে আসেননি। এরই ফাঁকে এমএ পাস করে কলকাতা সিটি কলেজে অধ্যাপনায় যোগ দেন। ১৯৬২-৭৮ সময়ের মধ্যে মানিকতলা নির্বাচনী এলাকা থেকে তিনি পরপর চারবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে আবার দু`বার ছিলেন বিধানসভায় কমিউনিস্ট পার্টির ডেপুটি লিডার। রাজনৈতিক কারণে পশ্চিম বাংলাতেও তাকে চারবার কারাবরণ করতে হয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পক্ষে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
১৯৪৫ সালে ইলা সেনের বিয়ে হয় মালদহের জমিদারপুত্র ও কমিউনিস্ট নেতা রমেন্দ্র মিত্রের সঙ্গে। সংগ্রামী এই নারীকে নিয়ে আমাদের দেশে তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্র ‘নাচোলের রানী’। ইলা মিত্রের সংগ্রামী জীবন মানুষের কাছে আজও অনুপ্রেরণার উৎস।

উৎস: প্রতিক্ষণ/এডি/এনজে
http://www.protikhon.com/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%93%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F/


Share:

কাঁকড়ার গ্রাম নলভোগ


ড্রিঞ্জা চাম্বুগং | আপডেট:

ভোরের আলো তখনো ঠিকমতো ফোটেনি। শুরু হয়েছে বিশাল কর্মযজ্ঞ। প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে রাস্তার দুই পাশে ট্রাকের সারি। নামানো হচ্ছে ছোট ছোট বাঁশের খাঁচা। কচুরিপানা দিয়ে ঢাকা। ভেতরে ছোট-বড়-মাঝারি আকৃতির কাঁকড়া। দেশের উপকূল অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার খামার থেকে বিদেশে রপ্তানির জন্য এগুলো আনা হয়েছে। বছরে এখন ২০০ কোটি টাকার কাঁকড়া রপ্তানি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, রপ্তানি নীতিমালা সংশোধন ও এয়ারলাইনস এজেন্টদের বাধ্যতামূলক প্যাকেজ প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা করলে এই ব্যবসা আরও বাড়বে।
ঢাকার উত্তরার হরিরামপুর ইউনিয়নের নলভোগে গড়ে উঠেছে দেড় শতাধিক কাঁকড়া রপ্তানির বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ লাইভ অ্যান্ড চিল্ডফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, উত্তরায় ১৬০টির মতো কাঁকড়া রপ্তানির প্যাকিং প্রতিষ্ঠান আছে। এর প্রায় ৮০টি নলভোগে।
সরেজমিনে দেখা যায়, নলভোগের কাঁকড়ার প্যাকিং কারখানায় ভোরের আলো ফোটার সময় থেকেই শুরু হয় ব্যস্ততা। কাজের ধাপগুলো এ রকম—ট্রাক থেকে খাঁচা নামানো, কাঁকড়া পরিষ্কার করা, পুরুষ-মহিলা আলাদা করা, ওজন করে পুরুষ কাঁকড়া চারটি এবং নারী কাঁকড়া তিনটি মোট সাতটি গ্রেডে ভাগ করা, সুতো দিয়ে প্রধান কাঁটা বেঁধে ফেলা এবং সবশেষে চাহিদা অনুসারে প্লাস্টিক কিংবা ককশিটের বাক্সে ভরে প্যাকেট করা। এরপরে কাঁকড়াভর্তি প্যাকেটগুলো চলে যায় বিমানবন্দরে। সেখান থেকে বিভিন্ন দেশে।
কাঁকড়া রপ্তানিকারী ব্যবসায়ীরা জানান খুলনা, সাতক্ষীরা, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে কাঁকড়া আসে। দাম নির্ভর করে ওজনের ভিত্তিতে করা গ্রেডের ওপর। বড়গুলো প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা, সবচেয়ে ছোটগুলোর কেজি ১০০ টাকা। তবে আন্তর্জাতিক বাজার অনুসারে দাম ওঠা-নামা করে। কখনো কখনো কেজি ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়।
নৃপেন্দ্র নারায়ণ দাস, কাঁকড়া রপ্তানি শুরুর সময়ের একজন ব্যবসায়ী। ১৯৮৩ সালে নারায়ণগঞ্জের নিজস্ব একটি কারখানা থেকে তিনি কাছিম ও কাঁকড়া রপ্তানি শুরু করেন। কাছিম রপ্তানি নিষিদ্ধ হওয়ার পর এখন কাঁকড়া ও কুঁচিয়া মাছ রপ্তানি করছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আগে চট্টগ্রামের চকরিয়ায় সপ্তাহে মাত্র এক দিন কাঁকড়া বেচাকেনা হতো। সেখান থেকে কাঁকড়া কিনে এনে নারায়ণগঞ্জে প্যাকেট করে বিদেশে পাঠাতেন। কাঁকড়া প্যাকিংয়ের কারখানাগুলো আগে ঢাকার বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। বিমানবন্দরের কাছে হওয়ায় এই ব্যবসার অধিকাংশ প্যাকিং কারখানা গড়ে উঠেছে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর-সংলগ্ন হরিরামপুরের নলভোগে। অনেকে নলভোগকে এখন ‘কাঁকড়ার গ্রাম’ বলেও চেনেন।
বাংলাদেশ লাইভ অ্যান্ড চিল্ডফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সূত্র জানায়, প্রতিদিন গড়ে ২০ টন কাঁকড়া বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা হচ্ছে। বছরে ১৫-১৬ ছুটির দিন বাদে সারা বছর প্রায় সাত হাজার টন কাঁকড়া রপ্তানি হয়। যায় চীন, কুয়ালালামপুর, হংকং, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া, জাপান, আমেরিকা প্রভৃতি দেশে। সবচেয়ে বেশি যায় চীনে। টাকার অঙ্কে বছরে গড়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকার কাঁকড়া রপ্তানি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানালেন, তাজা কাঁকড়া রপ্তানি করতে হয়। রপ্তানি করা কাঁকড়া বাক্সের ভেতর মারা গেলে তার দাম মেলে না। গ্রীষ্মে কাঁকড়ার দাম ও চাহিদা কম থাকে, মারাও যায় বেশি। তখন লোকসান হয়। কিন্তু ক্রেতাদের ধরে রাখতে রপ্তানি অব্যাহত রাখাতে হয়। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা সরকারের তরফে আর্থিক বা অন্য কোনো সহায়তা পান না। বরং রপ্তানি রাজস্ব বাবদ প্রতি কেজিতে তিন টাকা দিতে হয় এবং ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হয়।
রপ্তানি নীতিমালা সংশোধন ও যথাযথ বাস্তবায়নের প্রয়োজন: পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাঁকড়া রপ্তানি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয় ১৯৯৮ সালে। এখন এই নীতিমালার কিছু বিষয় সংশোধন দরকার বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। নীতিমালায় রপ্তানির জন্য পুরুষ ও নারী কাঁকড়াভেদে সর্বনিম্ন ওজন নির্ধারিত সর্বনিম্ন¤২০০ গ্রাম এবং ১৬০ গ্রাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই ওজন পুরুষের ক্ষেত্রে ১৬০ গ্রাম এবং নারীর ক্ষেত্রে ১০০ গ্রাম করলে মানসম্মত রপ্তানির হার আরও বাড়বে।
ব্যবসায়ীরা এজেন্টদের কাছে জিম্মি: রপ্তানির জন্য বিমানের জায়গা পাওয়া নিয়ে কাঁকড়া ব্যবসায়ীরা ঘোরতর সংকটে রয়েছেন। তাঁরা প্রায় একরকম জিম্মি হয়ে পড়েছেন বিভিন্ন এয়ারলাইনসের এজেন্টদের প্যাকেজ ব্যবস্থার কাছে। এজেন্টদের দাবি না মানলে তারা বিমানের জায়গা দিতে টালবাহানা করে। ৫০০ কেজির জায়গার প্রয়োজন হলে দেওয়া হয় ৫০ কেজির জায়গা। অথচ দ্রুত পাঠানো না হলে কাঁকড়া মরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে বাধ্য হয়ে এজেন্টদের দাবি মানতে হয়।
কাঁকড়া রপ্তানির বিষয়ে বাংলাদেশ লাইভ অ্যান্ড চিল্ডফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আঞ্জুমান ইন্টারন্যাশনালের মালিক শিহাব উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, এয়ারলাইনস এজেন্টরা প্যাকেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে রেখেছে। প্যাকেজ ব্যবস্থা বাতিল করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি তিনি রপ্তানি নীতিমালার সংশোধনের দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা কম ওজনের কাঁকড়া রপ্তানি করছেন। এটি রোধ করতে রপ্তানি নীতিমালা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করে সব সময় তদারক করতে হবে। পৃথিবীর কোনো দেশে এমনকি পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতেও কাঁকড়া রপ্তানির ওপর কোনো রাজস্ব কিংবা ভ্যাট আদায় করা হয় না। আর আমাদের কয়েক ধাপে কর দিতে হচ্ছে। কর মওকুফ করলে এই ব্যবসা আরও সম্প্রসারিত হবে।’
 
উৎস: http://epaper.prothom-alo.com/view/dhaka/2016-10-29/8
 

Share:

সমৃদ্ধি অর্জনে ধর্মীয় গোঁড়ামি ছাড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০১৬, ০১:৩৮

নিজস্ব প্রতিবেদক| 
সব ধর্মের সমান অধিকার নিশ্চিত করে সাম্প্রদায়িক ও ধর্মীয় জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সব নাগরিককে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। গতকাল বিকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবোত্তর বিজয়া সম্মিলন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এই আহ্বান জানান।
সংবিধানে সব ধর্মের সমান অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে আবদুল হামিদ বলেন, ধর্ম-বর্ণ, গোত্র, নৃতাত্ত্বিক পরিচয় নির্বিশেষে আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। আমাদের সবার অধিকার সমান। তাই ধর্মভিত্তিক বা সামাজিক বিভাজনের অশুভ রাহুগ্রাস থেকে জাতিকে মুক্ত রাখতে হবে। সাম্প্রদায়িক, ধর্মীয় বা আদর্শিক জঙ্গিবাদ, অসহনশীলতা ও গোঁড়ামি পরিত্যাগ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে সমৃদ্ধির পথে। নাগরিক হিসেবে এটি আমাদের কর্তব্য।
মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির আয়োজনে ওই বিজয়া সম্মিলনীতে সব ধর্মের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ধর্মে-ধর্মে কোনো বৈষম্য নেই, সংঘাত নেই। যারা এই অন্তর্নিহিত সত্য অনুধাবনে ব্যর্থ, তাদের কারণেই ধর্মের গ্লানি দেখা দেয়। এর মূল্য দিতে হয় মানবজাতিকে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বে প্রশংসিত হওয়া বাংলাদেশের লড়াই ও অর্জন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রয়াসে সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর আগেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে বলে আশা প্রকাশ করে এ জন্য দেশপ্রেম, জাতীয় ঐক্য ও সম্মিলিত প্রয়াসের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি ডি এন চ্যাটার্জীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল, রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের স্বামী ধ্রুবেশানন্দ মহারাজ, নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাদার বেঞ্জামিন কস্তা, কমলাপুর ধর্মরাজিক বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ বুদ্ধ প্রিয় মহাথের, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার পাল বক্তব্য রাখেন।
Source: http://www.dainikamadershomoy.com/todays-paper/ 
Share:
Copyright © The Santal Resources Page | Powered by Blogger Theme by Ronangelo