Online Santal Resource Page: the Santals identity, clans, living places, culture,rituals, customs, using of herbal medicine, education, traditions ...etc and present status.

The Santal Resource Page: these are all online published sources

Santal Gãota reaḱ onolko ńam lạgit́ SRP khon thoṛ̣a gõṛ̃o ńamoḱa mente ińaḱ pạtiạu ar kạṭić kurumuṭu...

Sunday, February 3, 2013

মাতৃভাষা: সাঁওতালি ভাষার বর্ণমালা কী হবে?

পাভেল পার্থ | তারিখ: ০৩-০২-২০১৩
http://eprothomalo.com/contents/2013/2013_02_03/content_zoom/2013_02_03_10_3_b.jpg

 প্রতি উত্তর : http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-02-03/news/326170     ( নীচে মন্তব্যে দেখুন )

সদয় অবগতির জন্য নীচে  হুবহু পুরোটা  দিলাম:
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
 শ্রদ্ধেয়  পাভেল পার্থ,
সুদীর্ঘ প্রায় ১৫০ বছর ধরে ভারতীয় উপমহাদেশে সান্তালি ভাষা ও সাহিত্য ‘রোমান সান্তালি বর্ণমালায়’ চর্চা করা হয়েছে ও এখনও ব্যাপকভাবে হচ্ছে। এতে কারো কোন সন্দেহ থাকার কোন সুযোগই নেই । ভারতে রাজনৈতিক কারণেই ৱ রোমান সান্তালি বর্ণমালার’ পরিবর্তে অলচিকি দিয়ে ভাষা ও সাহিত্য চর্চা করার চেষ্টা করা হচ্ছে, তবে ব্যাপকতা কোনভাবেই তেমন পায়নি ।

ভারতীয় উপমহাদেশের ভারত, বাংলাদেশে, নেপালে মালদ্বীপসহ অন্যান্য দেশে ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে ড. জে আর লেপসাস কর্তৃক সান্তালি ভাষার জন্য রোমান হরফকে স্টান্ডার্ড ‘রোমান সান্তালি হরফ’ তৈরির পর থেকেই সান্তালি ভাষা ও সাহিত্য চর্চায় ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়ে আসছে এবং এই বর্ণমালা, ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বন্ধনেই তাদের মধ্যে সুদৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে। এই রোমান সান্তালি বর্ণমালা এখন শুধু বাংলাদেশি সান্তালদের জন্য নয় বরং আন্তজার্তিকভাবে যোগাযোগেরও মাধ্যম হয়ে উঠেছে। এই বর্ণমালার মাধ্যমেই সান্তালদের মধ্যে সুপরিকল্পিত ও সুদূরপ্রসারী বিবেধ সৃষ্টির প্রয়াস চালানো হচ্ছে। এই জন্যই শুধু বাংলাদেশি সান্তালদের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং বিশ্বের সকল সান্তাল ভাষাভাষিদের মধ্যে একটি যোগাযোগেরও মাধ্যম বটে।

বাংলাদেশে বসবাসরত সান্তাল জাতিসত্ত্বাো ১৯২৫ খ্রিস্টোব্দের পূর্ব থেকে সান্তাল অধ্যুষিত অঞ্চলে মিশনারিদের কর্তৃক রোমান সান্তালি বর্ণমালার চর্চা করা হয়েছে । এখানে সকল স্বার্থান্বেষি মহল রোমান সান্তালি বর্ণমালার টিকে মিশনারি, খ্রিস্টান, ইংরেজি বলে প্রত্যাখানের খোড়া যুক্তি দিয়েই চলেছেন। কিন্তু এখানে বোঝার বিষয়টি হচ্ছে এ রোমান সান্তালি বর্ণমালাটিকে সান্তালি ভাষার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এখানে খ্রিস্টান বা অখ্রিস্টান সান্তালদের আলাদা আলাদা কোন ভাষার জন্য তৈরি হয়নি, বরং এ ভাষাই যারা সাহিত্য চর্চা করেছেন তারাই লাভবান হয়েছেন। এখানে সান্তাল ভাষার কথা বলা হয়েছে ধর্মের কথা বলা হয়নি। আর পৃথিবীর কোন বর্ণমালায় ধর্মের কথা বলেনা। তবে, বাংলাদেশে এখন এ বিষয়টিকে এখন কিছু স্বার্থান্বেষী ( আর্থিকভাবে লাভবান হবে অর্থে ) ব্যাক্তি ও উন্নয়ন সংস্থা সান্তালদের শতবর্ষের উর্ধে ব্যবহৃত রোমান সান্তালি বর্ণমালা সরকারি পর্যায়ে নির্ধারনের ক্ষেত্রে চরমভাবে বির্তকিত করে তুলেছে এদের পরিচয় যেন মাননীয় সরকার সঠিকভাবে নথিভূক্ত করেন এটা আমার সবিনয় অনুরোধ। আমরা বাংলাদেশে বসবাসরত বিভিন্ন অঞ্চলের সান্তালদের ভাষা বিষয়ক মিটিং এ সরকারের গৃহিত পদক্ষেপ (সান্তালি ভাষায় সান্তালি প্রাথমিক পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন) কে স্বাগত জানিয়েছি এবং মতামত ও আলোচনা করেছি যে, বাংলাদেশের কিছু স্বার্থানেষী মহল বাংলায় সান্তালি ভাষায় প্রাথমিক পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে অপতৎপরতাই লিপ্ত রয়েছে এবং জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি বাংলাদেশের সকল সান্তাল জীবন দিয়ে হলেও প্রতিরোধ করবে বলে অঙ্গিকারাবদ্ধ। এ বিষয়ে অনাকাঙ্খিত কোন ঘটনা ঘটলে যেন সেই স্বার্থান্বেষী মহলকেই ধরা হয়। এটা আমার মুখের বলি না বা কাউকে ধমকানো সুরও না এটা বাস্তব মিটিং এর প্রতিফলন। স্বার্থান্বেষী মহল যে সাইন বোর্ডের (জাতীয় আদিবাসী পরিষদ) এর কথা বলছে এটা শুধু জাতীয় আদিবাসী পরিষদ সংশ্লিষ্ট আত্বীয় স্বজন ছাড়া বাংলাদেশে কেউই বাংলা বর্ণমালাকে সান্তালি ভাষার বর্ণমালা হিসেবে গ্রহণ করতেই চায়না।

সম্পাদকীয়তে নিজেকে গবেষক ও লেখক পরিচয় দিয়ে পাভেল পার্থ যে কথা উল্লেখ করেছেন যে "রাজশাহীতে শুরু হয় সাঁওতালি ভাষার প্রথম বেসরকারি বিদ্যালয়।`` এটা সত্য নয় বরং সত্য এটিই যে, এটি ছিল বাংলা বর্ণমালায় সান্তালদের প্রথম বেসরকারি বিদ্যালয়। এপ্রসঙ্গে বিদ্যালয়টির প্রথম শিক্ষক পরি টুডু সাক্ষাৎকারে এস.সি আলবার্ট সরেনকে বলেছিলেন- স্কুল প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জড়িতরা বলতেন যে, -“তোমাদের ভাষার মৃত্যু হয়েছিল এখন জীবিত হয়েছে এইটা দিয়েই চালান, নাই মামার চেয়ে কানা মামাই ভালো’। ঐ স্কুলের প্রথম সেক্রেটারী প্রয়াত বরীন মার্ডি আমাকে জানিয়েছিলিন যে, ‘তারা বলছেন (প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গ) সান্তালি হরফ এখন পাওয়া যাচ্ছে না, পাওয়ার চেষ্টা চলছে, পাওয়া গেলেই আমরা ঐ হরফ দিয়ে শুরু করব, আপাতত এই হরফ দিয়েই চলুক।‘
এই হলো স্বার্থান্বেষী মহলদের নাম কাওয়াস্তে সান্তালদের বর্ণমালা বিষয়ে শ্রদ্ধা ও পাঠ্যপুস্তক বিষয়ে শক্ত যুক্তি।

ভারতে সাঁওতালি ভাষা ও অলচিকি বর্ণমালার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মিললেও বাংলাদেশে এখনো আদিবাসী জনগণের সাংবিধানিক স্বীকৃতিই মেলেনি। এজন্যই ভারতীয় উপমহাদেশিয় সান্তালদের মধ্যে ব্যাপক শতবর্ষের উর্ধ্বে ব্যাপক প্রচলিত ও জনপ্রিয় রোমান সান্তালি বর্ণমালা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বীকৃতি দেয়া প্রয়োজন।

নিজেকে গবেষক ও লেখক পরিচয় দিয়ে পাভেল পার্থ উল্লেখ করেছেন- বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসরত সাঁওতাল সম্প্রদায় সাঁওতালি ভাষা রোমান হরফে লেখার পক্ষে নয়। বরং এটি হবে সাইন বোর্ড (জাতীয় আদিবাসী পরিষদ) সংশ্লিষ্ট আত্বীয় স্বজনদের বাংলা বর্ণমালা সান্তালদের বর্ণমালা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার অপচেষ্টা মাত্র। কারণ সাইন বোর্ডের অধিনেই স্বার্থান্বেষী মহল কাজ করে চলেছেন। গবেষক মাঠের অবস্থা জানেন না।
ব্রিটিশরা ভারতীয় উপমহাদেশ ছাড়ার পর উপমহাদেশের সকল মানুষ, দেশ ও রাজনৈতিক মহলের মধ্যে ব্রিটিশ বিরোধি চেতনা গড়ে উঠে এবং ধিরে ধিরে ব্রিটিশদের প্রত্যাখান করার চেষ্টাও চলতে থাকে। এরই সূত্র ধরে খ্রিস্টান খ্রিস্টান রব তুলে খ্রিস্টান তৈরি অনেক কিছু (সংগঠন, কাঠামো, দ্রব্যাদি) ত্যাগ করা হয়। সান্তাল প্রেমি
পণ্ডিত রঘুনাথ মুরমু অলচিকি আবিষ্কার করেন। দেখুন রোমান সান্তালি বর্ণমালা আবিস্কার ও ব্যবহার শুরু হয়েছে ১৮৬৩ সালে এবং ১৯৭০-৭১ সালে রোমান লিপিতে সাঁওতালি ভাষা লেখার রাষ্ট্রীয় প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে অ্যাসেকা কলকাতায় হাজার হাজার সাঁওতাল জনগণের মিছিল সংগঠিত করেন। ১৯৭৯ সালে ভারতে সাঁওতালি ভাষার একমাত্র লিপি হিসেবে অলচিকিকে সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ‌‘অলচিকি’ শুধু ভারতীয় রাষ্ট্রের স্বীকৃত এবং তাদের মত করে তৈরি। শত বর্ষের শিক্ষা দলিল দস্তাবেজ প্রচলন এখন নষ্ট ধ্বংস করলে জাতি কতটা পিছিয়ে যাবে এটুকু উপলব্ধি যদি আপনার থাকে তবে, আপনি যে সব কথা উল্লেখ করেছেন তা নিয়ে একান্তে বসে চিন্তা করবেন এবং অন্য জাতিকে নির্দেশনা দেয়ার কথা ভাববেন।

আচ্ছা, সান্তালদের ভাষা ও বর্ণমালার বিষয়ে আপনার মাথা ব্যথার কারণ কি!!! আপনি কি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় চাকুরি করেন না ভাষা বিষয়ক পণ্ডিত‍!!!???...




ভারতের সংবিধানের অষ্টম তফসিলে সাঁওতালি ভাষাকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ২০০০ সালের ১ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। বাংলাদেশেও অচিরেই এটি শুরু হোক এটা আমরা চাই। আমরাও ভোটের রাজনীতি শুরু করব। সাইন বোর্ডের আন্ডারে কেউ সফল হতে পারবে না।


একজন নরয়েজিয়ান সান্তালি ভাষার জন্য সান্তাল বর্ণ তৈরি করেছেন ব্রিটিশদের ও মিশনারিদের উপনিবেশ বার বার টেনে আনেন কেন? ভাষার ধ্বণিতে ব্যাকরণগত কোন সীমাবদ্ধতা থাকলে এটি আর আমাদের কাছে সীমাবদ্ধ নয়। এটা আমরা নিজেরাই সমাধান করতে পারি। সে রকম প্রযুক্তিও আমাদের রয়েছে।

গবেষক আপনি যে বলেছেন- “ব্রিটিশ উপনিবেশের অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে যে সাঁওতাল জনগণ ১৮৫৫ সালে সংগঠিত করেছেন দুনিয়া কাঁপানো বিদ্রোহ, ১৫৭ বছর পর সেই জনগণের পক্ষে নিজ মাতৃভাষাকে রোমান হরফে লেখা কি সম্ভব?” পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি নিয়েই পৃথিবী চলছে। আপনি কোন দেশ বা জাতির কথা কখনই বিবেকবান লোক হিসেবে বলতে পারেন না। আপনার এ লেখা যারা পড়েছেন তারা আপনার জ্ঞানের গভীরতা সহজেই বুঝতে সক্ষম হয়েছেন। এখানে ব্রিটিশ উপনিবেশ ও সান্তালদের গর্বের সান্তাল বিদ্রোহ করা মানেই আপনি আমাদের অর্থাৎ সান্তালদের অপমান করেছেন। এবং বুঝাতে চাচ্ছেন ব্রিটিশ বলেই তাদের তৈরি জিনিস ছাড়তে হবে এবং রোমান সান্তাল বর্ণমালার পরিবর্তে বাংলা নিতে হবে। আপনার জ্ঞানের গভীরতা নিয়ে তারিফ করতে হয়.....।

আমি বা বাংলাদেশের সান্তাল জনগণ কোন লিপি বা বর্ণমালায় পড়াশুনা করব আপনি ভাববার আশে পাশের কেউই না। হতে পারেন কোন বেসরকারি সংস্থার চাকুরিজীবি। আপনার লেখার ধরন দেখে এটি পরিস্কারাই বুঝা যায়। আপনার জেনে রাখা দরকার বিশ্বের মুসলিমরাও রোমান অক্ষর ব্যবহার করেন এটা আপনি জেনে নেন আমি বলব না। আর এটিও জেনে রাখেন শতকরা ২৫% ইংরেজি সান্তালি দিয়ে পড়া যায়। এখনও যারা ইংরেজি শিখেননি সেই গ্রামের বয়বৃদ্ধ যে কোন ইংরেজি পত্রিকা ধরিয়ে দিলে ২৫% ভাগ সঠিক উচ্চারণ করতে সক্ষম হবেন। আপনি কিভাবে বলেন-

“রোমান হরফে সাঁওতালি ভাষা শেখার মানে তাই কোনোভাবেই রোমান লিপি শেখা হয়ে যাচ্ছে না।“ আজকের করপোরেট দুনিয়ার বাস্তবতায় যদি ইংরেজি কি অন্যান্য ভাষা জানতেই হয়, তবে সেটি সাঁওতাল শিশুদের জন্য সান্তাল এবং রাষ্ট্রই নিশ্চিত করবে। আপনাদের মত স্বার্থান্বেষী মহল না।

আপনি যে বলেছেন- “অলচিকি হরফে বাংলাদেশের সাঁওতাল জনগণ অভ্যস্ত হয়ে ওঠেননি, অধিকাংশেরই বর্ণ অভিজ্ঞতা হয়েছে বাংলায়। কৃষক, দিনমজুর থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী কি চাকরিজীবী—সবাই নিজ জাতির বাইরে বাংলা ভাষাতেই নিত্যদিনের চর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন।“ রাষ্ট্রভাষা হিসেবে যে বাংলা বর্ণমালা মানবে না সেতো রাষ্ট্রদ্রোহী এটা রাষ্ট্রের ভাষা। বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাতিকে এটা মানতে হয়। ‘অলচিকি’ কেন বাংলাদেশে প্রচলন হবে তার দুরভিসন্ধি আপনার কাছেই থাকতে পারে।

আপনি কিভাবে নির্দেশনা দেন যে, “রাষ্ট্রের দায়িত্ব বাংলা হরফের সঙ্গে সাঁওতাল জনগণের এই ঐতিহাসিক অস্তিত্ব ও বিকাশমানতা স্বীকৃতি দেওয়া।“? আপনি কি জাতীয় আদিবাসী পরিষদে সাঁওতাল হতে চলেছেন, না কি পিছনে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছেন???

পূর্বেই উল্লেখ করেছি ভাষা বিষয়ে যদি কোন আন্দোলনে নামতে হয় তাহলে যারা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছেন সরকার তাদের নাম লিপিবদ্ধ করবেন এবং অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্য দায়ী করবেন। এ বিষয়ে আপনার দায়িত্ব কোন পর্যায়ে আপনিই নিশ্চিত করুন।

পরিশেষে ভাষা বিষয়ে অনর্থক অনাঙ্খিত ব্যক্তিদের না জড়িয়ে পড়ার অনুরোধ করছি। এবং যেকোন জাতির কোন বিষয়ে সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অনাকাঙ্খিত হস্তক্ষেপ না করার অনুরোধ করছি। উপরে উল্লেখিত আপনার কোন যু্ক্তিই সঠিক বলে প্রতীয়মান নয়। বাংলাদেশে সান্তালদের মধ্যে যতজন পেশাজীবি, গ্রাজুয়েট এবং চিন্তাশীল ব্যক্তি রয়েছেন সমাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের মতামত ও জ্ঞানকে শ্রদ্ধা করবেন। এটুকু বিবেকবোধ আপনার মধ্যে জাগ্রত হবে।

আন্তর্জাকিত মাতৃভাষা এই মহান মাসে আপনার শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং অন্যের ভাষাকে শ্রদ্ধাভরে সম্মান করবেন এটাই আপনার জন্য প্রার্থনা। 


Share:

1 comment:

Copyright © The Santal Resources Page | Powered by Blogger Theme by Ronangelo