Online Santal Resource Page: the Santals identity, clans, living places, culture,rituals, customs, using of herbal medicine, education, traditions ...etc and present status.

The Santal Resource Page: these are all online published sources

Santal Gãota reaḱ onolko ńam lạgit́ SRP khon thoṛ̣a gõṛ̃o ńamoḱa mente ińaḱ pạtiạu ar kạṭić kurumuṭu...

Friday, January 30, 2015

আদিবাসী : সাঁওতাল গ্রামে হামলার বিচার চাই

আপডেট: | প্রিন্ট সংস্করণ
 দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের হাবিবপুর গ্রাম, আদিবাসীদের কাছে যা চিড়াকুটা নামে পরিচিত, ২৪ জানুয়ারি সকালে ভূমিদস্যুরা সেখানে হামলা চালিয়ে আদিবাসী গ্রামকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে দিয়েছে। ভূমিদস্যুরা শুধু হামলা করেই ক্ষান্ত হয়নি, আদিবাসীদের সহায়-সম্বল সবকিছু লুটপাট করে নিয়ে গেছে। এমনকি গ্রামের টিউবওয়েল পর্যন্ত তারা খুলে নিয়ে গেছে এবং ঘটনাস্থল ত্যাগ করার আগে আদিবাসীদের বাড়িঘরেও আগুন জ্বালিয়ে দেয়। গর্ভবতী একজন নারীসহ আদিবাসী নারীদের মারধর ও শ্লীলতাহানি করে। বর্তমানে আদিবাসীরা সহায়-সম্বলহীন হয়ে এই প্রচণ্ড শীতের প্রকোপে খোলা আকাশের নিচে খুবই মানবেতর জীবন যাপন করছে।
জানা যায়, আদিবাসী-বাঙালি সংঘর্ষের একপর্যায়ে সেদিন আত্মরক্ষার তাগিদে আদিবাসীরা তির ছুড়লে একজন বাঙালি তিরবিদ্ধ হন এবং পরে তিনি মারা যান; যেকোনো হত্যাকাণ্ডই নিন্দনীয়, আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং তদন্ত সাপেক্ষে এর বিচার দাবি করি। কিন্তু এর জন্য পুরো আদিবাসী গ্রামকে জ্বালিয়ে দেওয়া কখনোই কাম্য হতে পারে না। যেখানে আইন-আদালত আছে, সেখানে যদি কেউ অন্যায় করে, তাহলে তার জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু তাই বলে পুরো আদিবাসী গ্রাম জ্বালিয়ে দেবে, এটা হতে পারে না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছার পরও আদিবাসীদের গ্রামে ভূমিদস্যুরা হামলা চালাচ্ছিল। কিন্তু তাদের কাউকেই পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারল না। ঘটনার শেষে শুধু ১৯ জন আদিবাসীকেই গ্রেপ্তার করা হলো। এর মধ্যে এনটিনিউস হাসদা নামে একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীও রয়েছে, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে যার পরীক্ষা শুরু হবে। এ বিষয়ে পার্বতীপুর থানার ওসি বলেছেন, তাদের এ সময়ে গ্রেপ্তার না করলে আদিবাসীরাও খুন হয়ে যেত।

আসলেই কী ঘটেছে তা জানতে জাতীয় আদিবাসী পরিষদের নেতারা ২৫ জানুয়ারি সকালবেলা চিড়াকুটা গ্রামে গিয়ে দেখতে পান পুরো গ্রাম ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। শুধু ছাই আর ভাঙাচোরা মাটির দেয়াল ছাড়া বাকি বলতে কিছু নেই। আদিবাসী নারীদের কান্না পুরো পরিবেশকে গুমোট করে রেখেছে। আদিবাসী শিশুরাও অসহায় দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে। গ্রামের দু-একজন পুরুষ বাদে সবাই গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছেন। উঠতি বয়সের মেয়েদেরও ঘটনার পরে গ্রাম থেকে তাদের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় গ্রামে অবস্থানরত মানুষজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২৪ জানুয়ারি আনুমানিক সকাল আটটার সময় হাবিবপুর গ্রামের জহিরুল ইসলাম ও তাঁর ভাই জিয়ারুল মণ্ডল দলবল নিয়ে গ্রামের মৃত রঘুনাথ টুডুর ছেলে যোশেফ টুডু ও তাঁর পরিবারের দখলে থাকা ১৯ একর জমিতে (পত্তনি দলিলের মাধ্যমে প্রাপ্ত জমি) জোরপূর্বক ধানের জমি তৈরি করার চেষ্টা করেন। বেশ কয়েক বছর ধরেই জহিরুল ইসলাম জমিটি নিজের বলে দাবি করছিলেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে মামলাও চলমান ছিল। জমি চাষের একপর্যায়ে যোশেফ টুডুর পরিবারের লোকজন জমি চাষ করতে বাধা দিলে তাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় আদিবাসীরা আত্মরক্ষার তাগিদে তির ছুড়লে জহিরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে শফিউল ইসলাম সোহাগ (২২) তিরবিদ্ধ হন। পরে সোহাগ মারা যান। এ সময় রাকিব টুডু, রবেন টুডু, কাবলু টুডুসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনা প্রচার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জহিরুল ইসলামের আত্মীয়স্বজনসহ আশপাশের কয়েক শ বাঙালি লাঠি, হাঁসুয়া ও বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আদিবাসীদের গ্রামে হামলা চালায় এবং লুটপাট শুরু করে।
এই হামলায় গ্রামের ৬০টি আদিবাসী পরিবারের ঘরবাড়ি তছনছ করা হয়। হামলাকারীরা আদিবাসীদের বাড়িঘরের জিনিসপত্র ভেঙে চুরমার করে এবং মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় হামলাকারীরা আদিবাসীদের বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। নিরীহ আদিবাসীরা হামলাকারীদের থামানোর চেষ্টা করলে তাদের ধরে পেটানো হয়। এ সময় গ্রামের লোকজন প্রাণের ভয়ে অনেকেই পালিয়ে যায়। এখনো গ্রামের অনেকেই পালিয়ে আছে। হামলাকারীদের আক্রমণে মিখেলিনা মুরমু (২৮) নামের একজন গর্ভবতী আদিবাসী নারী ও গুরুতর আহত মিখায়েল টুডু দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ঘটনার পর পুলিশ এলেও তাদের সামনেই হামলাকারীরা ভাঙচুর ও লুটপাটের তাণ্ডবলীলা চালাতে থাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ, বিজিবি, র্যাব গেলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ ঘটনায় ফুলমনি হাঁসদা (৩৬) পাঁচটি গরু, চারটি রাজহাঁস ও পাঁচ বস্তা চাল হারিয়েছেন; আইনাস সরেন (৪৮) আটটি গরু হারিয়েছেন। এ ছাড়া গ্রামের রেনাতুল হেমব্রম, নিলিমা হেমব্রম, বিশু মার্ডি, ইসাহাক মার্ডি, সুখিয়া মার্ডি, সায়েরাকুস হেমব্রম, দিপালী টুডু, ইলিয়াস মারিয়া মুরমু, পুতুল মুরমুসহ গ্রামের সব পরিবারের মোট নয়টি শ্যালো মেশিন, আটটি টিউবওয়েল, প্রায় ২০০ গরু, ছাগল, ভেড়া, হাঁস, মুরগি নিয়ে গেছে লুণ্ঠনকারীরা। আদিবাসীদের পোষা তিনটি শূকরকেও মেরে ফেলেছে। এ ছাড়া দরজা-জানালা থেকে শুরু করে হাঁড়ি, কড়াই, তেল, মরিচ, লবণসহ সবকিছুই লুট করে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় গ্রামের মধ্যে অবস্থিত কারিতাস পরিচালিত একটি স্কুলসহ গ্রামের সবার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় আমরা গভীরভাবে লক্ষ করছি যে আদিবাসীদের সঙ্গে ভূমিদস্যুদের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার পরে ভূমিদস্যুরা খুবই চতুরতার সঙ্গে সাম্প্রদায়িক উসকানি দিয়ে আদিবাসীদের গ্রামে হামলা চালিয়ে পুরো গ্রামকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষে ২৮ জনের নামসহ ১৪ জন অজ্ঞাত করে আদিবাসীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও করা হয়েছে। অপর দিকে আমরা যদি একটু পেছনে ফিরে তাকাই তাহলে দেখা যাবে, গত বছরের ২ আগস্ট ঢুডু সরেনকে যখন ভূমিদস্যুরা হত্যা করল, তখন তো আদিবাসীরা বাঙালিদের গ্রামে হামলা চালায়নি। তাহলে এই ঘটনায় কেন পুরো আদিবাসী গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হলো? পুরো গ্রামের আদিবাসীদের সঙ্গে নিশ্চয় জমি নিয়ে বিবাদ ছিল না। গ্রামের একটি পরিবারের সঙ্গে বিবাদের জেরে যে সংঘর্ষ হয়েছে, সেখানেও পুরো গ্রামের আদিবাসীরা জড়িত ছিল না। যিনি মারা গেছেন, তাঁকেও নিশ্চয় গ্রামের সবাই মিলে মেরে ফেলেনি। তাহলে কেন গ্রামের সব আদিবাসীর ঘরবাড়িতে হামলা চালানো হলো? কেনই বা তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হলো? শুধু এ ঘটনাই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে উত্তরবঙ্গের আদিবাসীদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন বাড়ছে, তা সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদগুলো দেখলেও বোঝা যায়। ঘটনাক্রমে যে যুবকটি নিহত হয়েছেন, সেখানে যদি একজন আদিবাসী যুবক নিহত হতেন, তাহলে কি আদিবাসীরা বাঙালিদের ওই গ্রামে হামলা চালাত?
আদিবাসীদের ৫৫টি বাড়িতে ভাঙচুর–আগুন, লুটপাটআমারা মনে করি একমাত্র সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই আদিবাসীদের গ্রামে এ ধরনের হামলা হয়েছে। সরকারযন্ত্র সব সময় ও সর্বত্র আদিবাসীদের প্রতি সাম্প্রদায়িক আচরণ বজায় রেখেছে। আদিবাসীরা যতই এ রাষ্ট্রকে নিজের বলে বুকে টেনে নেয়, রাষ্ট্র তত দূরে সরে যায়। আদিবাসীরা কখনোই আইনকে অবজ্ঞা করে না বা আইন নিজের হাতে তুলে নেয় না। আমরা বলতে চাই, কেউ যদি কোনো অন্যায় করে, সে আদিবাসী হোক আর বাঙালিই হোক, তাকে রাষ্ট্রের আইনের মধ্যে এনে তার শাস্তি রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে। জনগণকেও রাষ্ট্রের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আইনকে সহযোগিতা করতে হবে। অন্যথায় আইন নিজের হাতে যারা তুলে নেয়, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকেও পদক্ষেপ নিতে হবে। এমতাবস্থায় চিড়াকুটা আদিবাসী গ্রামের নিরীহ আদিবাসীদের ওপর বর্বরোচিত এই সাম্প্রদায়িক হামলার তীব্র নিন্দা এবং ভূমিদস্যুসহ হামলাকারী ও লুটপাটকারীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে সরকারের কাছে নিম্নলিখিত দাবিসমূহ উত্থাপন করছি:
এক . আদিবাসী-বাঙালি সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষের বিচার করতে হবে; দুই. ২৪ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার চিড়াকুটা সাঁওতাল গ্রামে হামলাকারী, অগ্নিসংযোগকারী ও লুটপাটকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে; তিন. ক্ষতিগ্রস্ত আদিবাসী পরিবারগুলোকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বাসন করতে হবে; চার. আদিবাসী গ্রামের নারী-পুরুষ-শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে; পাঁচ. আদিবাসীদের সঙ্গে চলমান বিবদমান জমির নিষ্পত্তি করতে হবে; ছয়. খাসজমি আদিবাসীদের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে; সাত. সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন করতে হবে।
লেখকবৃন্দ মানবাধিকার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। পংকজ ভট্টাচার্য, মেজবাহ কামাল, মানিক সরেণ, রিপনচন্দ্র বানাই, হরেন্দ্রনাথ সিং, তারিক হোসেন, দীপায়ন খীসা ও রোবায়েত ফেরদৌস
Source: http://www.prothom-alo.com/opinion/article/436768/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%93%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87#comments
Share:

Wednesday, January 28, 2015

প্রতিহিংসা থেকে আদিবাসীদের রক্ষা করুন

আদিবাসী গ্রামে লুটপাট

আপডেট:

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে এক বাঙালিকে হত্যার জেরে আদিবাসী গ্রামে ভাঙচুর-আগুন ও লুটপাটের ঘটনা চরম নিন্দনীয়। জমি নিয়ে উভয় পক্ষের বিবাদে এক বাঙালি তরুণ নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় এই সংঘাত ঘটে। অথচ ঘটনার মীমাংসা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের মাধ্যমেই ঘটতে পারত। একটি প্রাণের অপচয় এবং ৫৫টি বাড়ি ও সংসার তছনছ হওয়া আরেকটি প্রশাসনিক ব্যর্থতার উদাহরণ।
দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বেশ কিছু এলাকা আদিবাসী সাঁওতাল অধ্যুষিত। সরলতা ও শিক্ষাবঞ্চিত হওয়ার জন্য কৃষিজীবী এসব মানুষের অনেক জমিই হাতছাড়া হয়ে যায়। পার্বতীপুরের হাবীবপুর মৌজার ২১ একর জমি নিয়ে আদিবাসী ও বাঙালিদের মধ্যে বিরোধ চলছিল অনেক দিন থেকেই।
বংশপরম্পরায় চাষ করা আদিবাসীদের এই জমি ‘ক্রয়ের’ যুক্তিতে দখল নেয় স্থানীয় অবস্থাপন্ন কয়েকটি পরিবার। এ নিয়ে দুই বছর আগে ‘মীমাংসা’ হলেও, কার্যত তা আদিবাসীদের বঞ্চনার প্রতিকারে ব্যর্থ হয়েছিল। তারই প্রকাশ িহসেবে তারা দীর্ঘদিনের চাষের জমি ফেরত আনার জন্য সহিংসতার আশ্রয় নেয়।
আদিবাসীদের ৫৫টি বাড়িতে ভাঙচুর–আগুন, লুটপাটএ অবস্থায়, আদিবাসীরা তাদের দাবিকৃত জমি থেকে বাঙালিদের সরাতে গিয়ে তিরের আঘাতে এক তরুণকে হত্যা করে। প্রতিক্রিয়ায় কয়েক হাজার বাঙালি তাদের গ্রামে আগুন দেয় ও ভাঙচুর-লুটপাট চালায়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উচিত ছিল গোড়াতেই উভয় পক্ষকে নিরস্ত করা। দরকার ছিল উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশকে জড়িত করে ন্যায্য মীমাংসা করা। এ বিষয়ে কোনো রকম গাফিলতির তদন্ত হওয়া উচিত।
দ্বিতীয়ত, দেশব্যাপী আদিবাসীদের জমির মালিকানা-স্বত্ব নাজুক থাকায় বিভিন্নভাবে তাদের বঞ্চিত হতে দেখা যায়। আদিবাসীরা যেহেতু স্বজাতির মানুষের সঙ্গে একত্রে এক গ্রামে বসবাস করেন, সেহেতু তাদের যৌথ ও ব্যক্তিগত জমি ক্রয় বা অন্যান্য উপায়ে হস্তান্তর কঠোর করা উচিত।
আমরা পার্বতীপুরে নিহত তরুণের হত্যাকারীদের যথাযথভাবে চিহ্নিত করে বিচারের দাবি যেমন করছি, তেমনি আদিবাসীদের গ্রাম ধ্বংসের হোতাদেরও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। আদিবাসীদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতির প্রতিহিংসা থেকেও রক্ষা করা জরুরি। আদিবাসীদের জমির অধিকার নিশ্চিত করায় ভূমি দপ্তরের আন্তরিক সচেষ্টতাও দরকার। দিনাজপুরের জেলা প্রশাসন এ কাজে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করতে পারে।

 

Share:

Tuesday, January 27, 2015

Fear Of Arrest, Further Attack

Fear Of Arrest, Further Attack
Dinajpur Santal men flee home
Our Correspondent, Dinajpur All Santal men have deserted Habibpur village to evade arrest following a clash over a disputed piece of land which left one dead in Parbatipur on Saturday.
Mahmudul Alam, a relative of slain Sohag Islam, filed a murder case with Parbatipur police against 50 people. Police have arrested 19 Santal inhabitants, including school-going children, in connection with the incident.
“Men and young girls are not staying in the village fearing arrest and further attacks,” said Bimal Mardi of Chirakutipara. He alleged that their girls were physically abused during the attack.
Villagers said a band of Bangalee criminals had taken away their cattle, land documents, tube-wells, cash and kitchen utensils following Sohag's death. They added the attackers had either torn the title deeds or taken those away.
The upazila administration last night installed two new tube-wells in the village as there were no sources of clean water left.
Maria Hembram, 40, said the attackers had entered her home and torn up her land documents. She alleged that they had around five acres of land, but more than one acres had been grabbed by the Bangalees.
Monika Hasda, 55, said the attackers ransacked her home and damaged the land documents. “The attackers have taken away two cows, five goats, a tube-well,” she added.

Police arrested her son Jewel Tudu, while her husband Gudu Tudu has left the village to avoid arrest.
During a visit to the village yesterday, it was found that none of the houses had the necessary kitchen utensils or grain to cook.
The attackers took at least 200 cows, nearly 100 goats, pigs and all the tube-wells of the village of 60 families. Police have recovered only three cows later.
The Santal inhabitants said people from Borodal, Shahbajpur, Kamlapur, Kasipur, Lalmati and Salaipur villages had launched the attack.
Mahmud Alam, officer-in-charge of Parbatipur Police Station, said they had set up a camp at the village to restore law and order.
Rabindranath Soren, president of Jatiya Adivasi Parishad, visited the spot yesterday. He said the attack had reminded the Adivasi people of the atrocities of 1971.
Published: 12:01 am Monday, January 26, 2015
Last modified: 10:14 pm Monday, January 26, 2015


Share:

Dinajpur Santal men flee home

Fear Of Arrest, Further Attack
Our Correspondent, Dinajpur
All Santal men have deserted Habibpur village to evade arrest following a clash over a disputed piece of land which left one dead in Parbatipur on Saturday.
Mahmudul Alam, a relative of slain Sohag Islam, filed a murder case with Parbatipur police against 50 people. Police have arrested 19 Santal inhabitants, including school-going children, in connection with the incident.
“Men and young girls are not staying in the village fearing arrest and further attacks,” said Bimal Mardi of Chirakutipara. He alleged that their girls were physically abused during the attack.
Villagers said a band of Bangalee criminals had taken away their cattle, land documents, tube-wells, cash and kitchen utensils following Sohag's death. They added the attackers had either torn the title deeds or taken those away.
The upazila administration last night installed two new tube-wells in the village as there were no sources of clean water left.
Maria Hembram, 40, said the attackers had entered her home and torn up her land documents. She alleged that they had around five acres of land, but more than one acres had been grabbed by the Bangalees.
Monika Hasda, 55, said the attackers ransacked her home and damaged the land documents. “The attackers have taken away two cows, five goats, a tube-well,” she added.

Police arrested her son Jewel Tudu, while her husband Gudu Tudu has left the village to avoid arrest.
During a visit to the village yesterday, it was found that none of the houses had the necessary kitchen utensils or grain to cook.
The attackers took at least 200 cows, nearly 100 goats, pigs and all the tube-wells of the village of 60 families. Police have recovered only three cows later.
The Santal inhabitants said people from Borodal, Shahbajpur, Kamlapur, Kasipur, Lalmati and Salaipur villages had launched the attack.
Mahmud Alam, officer-in-charge of Parbatipur Police Station, said they had set up a camp at the village to restore law and order.
Rabindranath Soren, president of Jatiya Adivasi Parishad, visited the spot yesterday. He said the attack had reminded the Adivasi people of the atrocities of 1971.
Published: 12:01 am Monday, January 26, 2015
Last modified: 10:14 pm Monday, January 26, 2015

Source: http://www.thedailystar.net/dinajpur-santal-men-flee-home-61706 

 
Share:

Santal houses looted, torched

Bangalee villagers go on the rampage as clash over disputed land leaves 1 dead
Star Report

Firefighters dousing the fire at a Santal home in Parbatipur of Dinajpur yesterday following a clash between the Santals and Bangalees over the ownership of a piece of land. Photo: Star
At least six houses were set ablaze and several others looted in a Santal village by people from nearby villages after a clash over disputed land left one killed in Parbatipur upazila of Dinajpur yesterday.
The deceased was identified as Sohag Islam, 30, son of Zahurul Islam from Habibpur village. Police arrested 19 people of the Santal community in connection with the killing.
The clash ensued when Sohag and his father along with some labourers had moved to till a piece of land at Barodol Sarkar para, a Santal majority village. A few Santal families claim ownership of the land for over decades now, according to locals.


All males of Sarkar para village where 56 Santal families live have fled their homes to evade arrest. Those who have stayed back, especially women and children, are living in fear of further attacks.
Locals said Md Zahurul Islam was involved in a long-standing dispute over 18 acres of land with some Santal men including Joseph Tudu, Stiphen Tudu and Masrui Tudu.
Witnesses said when Zahurul Islam and his son Sohag started tilling the land around 9:30 am, Santal people protested, claiming it was their property.  Soon the two groups were locked in wranglings. As a few more Bangalees joined hands with Zahurul and Sohag, it turned into a violent clash.
Zahurul had tried to grab this land many times before, locals claimed.
In yesterday’s clash, Santals used their traditional weapon bow and arrow. Sohag died on the spot as he was hit in the middle of the chest by three arrows. Zahurul was also injured in the clash, said locals.
Women in tears after Bangalees vandalised and looted their homes. Photo: Star
Police recovered the body from the spot and sent it to Dinajpur Medical College Hospital for an autopsy. Zahurul too was sent to the hospital for treatment.
Before Zahurul was admitted to the hospital, our Dinajpur correspondent asked him whether he had any legal document proving his ownership of the disputed land. He however could not say if he had any papers.
When the news of Sohag’s death spread, around three to four hundred people from nearby villages rushed to the Santal village and vandalised their houses and looted food grains, utensils, furniture and cattle.
The angry mob also set fire to at least 12 houses in the village, Joseph Tudu claimed.
The arson attack and looting continued for nearly two hours.
“There is not a single grain of food left in the village. They’ve even taken away the tubewells after dismantling them,” said a Santal woman requesting anonymity.
A team of police from Parbatipur police station arrived in the village around 11:40am. However, they could not bring the situation under control. Later, additional forces of police, BGB and Rab members from Dinajpur and Phulbari went there and controlled the situation.
Ahmed Shamim Al Raji and Ruhul Amin, deputy commissioner and superintendent of police of Dinajpur, visited the village around 1:40 pm. They said police and BGB forces would guard the area for maintaining peace.
Rabindranath Soren, president of Jatiya Adivasi Parishad, said: “The dispute began soon after the independence, which saw several clashes in the past decades. In fact, there were several attempts to grab the land of indigenous people here.”
At least 2,500 acres of land belonging to the Santal people were grabbed by Bangalees with forged documents in Dinajpur alone since 1975.  At least 40 Santal people who used to own land or protested attempts at grabbing their land were killed over the years in the district, added Rabindranath.
Published: 12:01 am Sunday, January 25, 2015
Last modified: 10:15 pm Sunday, January 25, 2015
Source: http://www.hrdi.in/?p=8456

Share:

Monday, January 26, 2015

Bangali-Santal clash leaves one dead

Saturday, 24 Jan 2015 13:47 ,District Correspondent 

fficer-in-Charge of Parbatipur Police Station said the clash erupted around 10:00am when the Bangalis were working at a disputed crop field, leaving sohag dead on the spot and his father injured. He said the Bangalis and the Santals have a long-standing dispute over the land.
Following the death, Bangalis attacked the houses of Santal tribe people and set afire 15 houses.
Later, the local firefighting units doused the blaze.
Additional law enforcers were deployed in the area to avert further untoward situation, said the OC.

Source: http://www.banglamail24.com/english/news/2015/01/24/id/3963/

 

Share:

দিনাজপুরে সাঁওতাল-বাঙালি সংঘর্ষে নিহত ১


Share:

Sunday, January 25, 2015

পার্বতীপুরে সাওতাল পল্লীতে সংঘর্ষ : তীরবিদ্ধ হয়ে যুবক নিহতের ঘটনায় আটক ১৯


উপজেলা করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
 পার্বতীপুর (দিনাজপুর): দিনাজপুরের পার্বতীপুরে জমি নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় তীর বিদ্ধ হয়ে যুবক নিহতের ঘটনায় ১৯ জনকে আটক করেছে পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশ।
 
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধরা হাবিবপুর চিড়াকুঠা গ্রামে সাঁওতালদের বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে সাতটি বাড়ির ঘরের চালা পুড়ে গেছে। এছাড়া, ৩০টি সাঁওতাল বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ সাঁওতালদের।


পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অস্থায়ী ক্যাম্প করে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
 
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সরেজমিন এলাকায় গিয়ে পুলিশ ও গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পার্বতীপুর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের হাবিবপুর চিড়াকুঠা সাঁওতাল পল্লীতে ৮০টি আদিবাসি সাঁওতাল পরিবারের বাস। এর মধ্যে মোসেফ টুডুসহ ২০/২৫টি সাঁওতাল পরিবারের সঙ্গে প্রায় ২০ একর জমি নিয়ে পার্শ্ববর্তী অসুলকোট শালাইপুর গ্রামের জহুরুল ইসলামের লোকদের দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল।
 
শনিবার সকালে জহুরুল ইসলাম ও তার ছেলে সোহাগ বিরোধপূর্ণ জমিতে ধান রোপনের জন্য শ্যালো মেশিন দিয়ে সেচ দিচ্ছিলেন। এ সময় মোসেফ টুডুর নেতৃত্বে সাঁওতালদের একটি দল এসে বাধা দেয়। এতে উভয় পক্ষে হাতাহাতি শুরু হয়। 
 
এক পর্যায়ে কয়েকজন সাঁওতাল তীর ধনুক নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা করে। সাঁওতালদের ছোড়া তিনটি তীর সোহাগের বুকে, পিঠে ও হাতে বিদ্ধ হলে ঘটনা স্থলেই তিনি মারা যান।  

এ সময় ছেলেকে বাচাঁতে গিয়ে বাবা জহুরুল হক আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ (দিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করে। 
 
এ ঘটনার পরপরই সাঁওতাল পরিবারের পুরুষ সদস্যরা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।
 
এদিকে, সোহাগ নিহতের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে অসুলকোট শালাইপুর ও লালমাটি গ্রামের কয়েকশ বিক্ষুব্ধ লোক সকাল ১১টার দিকে হাবিবপুর চিড়াকুঠা গ্রামে সাঁওতালদের বাড়িঘরে হামলা করে। 
 
এ সময় কয়েকটি ঘরে চালায় আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। আগুনে মোসেফ টুডু, বান্না টুডু, জোসেফ টুডু, হাইজ টুডুসহ সাতটি বাড়ির ঘরের চালা পুড়ে যায়। 
 
এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুর সহ ধান, চাল, শেলাই মেশিন, শ্যালো মেশিন, মোটরসাইকেল, নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, থালা, বাসন, টিউবওয়েল এবং গরু লুট করে দিয়ে যায় বলে সাঁওতাল পরিবারের নারী সদস্যরা অভিযোগ করেছে। 
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- এতে ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রবিন্দ্রনাথ সরেন মোবাইল ফোনে বাংলানিউজকে জানান।
 
খবর পেয়ে পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল আলমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে দিনাজপুর ও ফুলবাড়ী থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা এসে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯ জন সাঁওতালকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
 
এদিকে, নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
 
বিকেল ৩টার দিকে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক শামিম আল রাজি, পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহেনুল ইসলাম, পার্বতীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।  
জেলা প্রশাসক শামিম আল রাজি ক্ষতিগ্রস্ত সাঁওতাল পরিবারগুলোর নারী সদস্যদের ক্ষতিপুরণের আশ্বাস দেন এবং শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানান।
 
বর্তমানে ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে অস্থায়ী ক্যাম্প করে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
 
পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল আলম বাংলানিউজকে এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন।
 ** তীরবিদ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যু

বাংলাদেশ সময়: ২০০৩ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৪, ২০১৫
 Source: http://www.banglanews24.com/beta/index.php/fullnews/bn/360839.html










Share:

Bengali-Santal clash leaves one dead

Posted : 24 Jan, 2015 17:01:27

A young man was killed and his father injured during a clash between Santal tribes people and Bengalis over a land dispute in Parbatipur in Dinajpur district on Saturday morning. The deceased was identified as Sohag, 27, son of Jahurul Haque in Habibpur Upazila. Mahmudul Hasan, Officer-in-Charge of Parbatipur Police Station said the clash erupted around 10:00am when the Bengalis were working at a disputed crop field, leaving Sohag dead on the spot and his father injured. He said the Bengalis and the Santals have a long-standing dispute over the land. Following the death, Bengalis attacked the houses of Santal tribe people and set afire 15 houses. Later, the local firefighting units doused the blaze. Additional law enforcers were deployed in the area to avert further untoward situation, said the OC, according to a news agency.
Source: http://www.thefinancialexpress-bd.com/2015/01/24/77509
Share:

Saturday, January 17, 2015

তিলকপুরে সাওতাল সম্প্রদায়ের “মারাংবুরু” উৎসব অনুষ্ঠিত

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মৌলভীবাজার জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক বিকাশ ও সংরক্ষণ কর্মসূচীর আওতায় কমলগঞ্জের মণিপুরী ললিতকলা একাডেমীর আয়োজনে কুলাউড়ার তিলকপুর চা বাগানে সাওতাল সম্প্রদায়ের “মারাংবুরু” উৎসব পালিত হয়। গত ৫ জুন রোববার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল পূজার্চ্চনা, ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিবাহ ও শিকারী নৃত্য, আলোচনা সভা, মহাপ্রসাদ বিতরন প্রভৃতি। মণিপুরী ললিতকলা একাডেমীর আয়োজনে সাওতাল সম্প্রদায়ের সহযোগীতায় এই উৎসক অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় মণিপুরী ললিতকলা একাডেমীর নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আনন্দ মোহন সিংহের সভাপতিত্বে ও উৎসব উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্যাম কান্ত সিংহের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ব্যাপ্টিষ্ট মিশনের ব্যবস্থাপক বীরবল বৈদ্য। রোববার দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতাল উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানে সাওতাল সম্প্রদায়ের বিপুল সংখ্যক লোকজন উপস্থিত ছিলেন। মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ধারাবাহিক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে গত রোববার কুলাউড়ার তিলকপুর চা বাগানে সাওতাল সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় “মারাংবুরু” অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম/প্রতিনিধি/জাআ/এসএকে

Source: http://bdn24x7.com/?p=8530
Share:
Copyright © The Santal Resources Page | Powered by Blogger Theme by Ronangelo