Online Santal Resource Page: the Santals identity, clans, living places, culture,rituals, customs, using of herbal medicine, education, traditions ...etc and present status.

The Santal Resource Page: these are all online published sources

Santal Gãota reaḱ onolko ńam lạgit́ SRP khon thoṛ̣a gõṛ̃o ńamoḱa mente ińaḱ pạtiạu ar kạṭić kurumuṭu...

Thursday, May 26, 2016

প্রাক-প্রাথমিকে ৫ নৃগোষ্ঠীর ভাষায় বই ছাপবে সরকার

মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০১৬ ২৩:১৭ ঘণ্টা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বাংলামেইল২৪ডটকম

ঢাকা: এই প্রথম প্রাক-প্রাথমিকে পাঁচটি নৃগোষ্ঠীর ভাষায় বই ছাপানো সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে থাকবে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, সাদরি এবং গারো।
মঙ্গলবার (২৪ মে) জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত  ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমবারের মতো চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, সাদরি, ও গারো এ ৫টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষায় প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ের বই ছাপানো হবে। শিক্ষকদের জন্যও এবারই প্রথম প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে টিচিং গাইড এবং টিচিং কারিকুলাম গাইড তৈরি করবে এনসিটিবি। প্রাথমিকের শিক্ষকদের জন্য ৬০ লাখ, মাধ্যমিকের শিক্ষকের জন্য থাকছে ৪০ লাখ ৩২ হাজার নির্দেশিকা। এতে করে শিক্ষকের মান বৃদ্ধি ও পাঠদান পদ্ধতি আরো উন্নত হবে। একইভাবে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ৯ হাজার ৬৬টি ব্রেইল বই তৈরি করা হবে।’
মন্ত্রী জানান, প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, দাখিল, দাখিল ভোকেশনাল, এসএসসি ভোকেশনাল, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, পাঁচটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষক সহায়িকা ও শিক্ষক নির্দেশিকা- সব মিলিয়ে ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য ৩৬ কোটি ৩ লাখ ১৮ হাজার ৯৭৯টি বই ছাপানো হবে।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোল্লা জালাল উদ্দিন এনডিসি ও এনসিটিবির সদস্য সচিব প্রফেসর ড. রতন সিদ্দিকী প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এনসিটিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 
Share:

Wednesday, May 25, 2016

সাতক্ষীরার: শ্যামনগর অস্তিত্ব সংকটে মুন্ডা সম্প্রদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা | আপডেট:
Share:

Thursday, May 19, 2016

রংপুর চিনিকল : প্রতারণায় ফুঁসছে গাইবান্ধার মানুষ

মেহেদী আল আমিন গাইবান্ধা থেকে ফিরে | ২০১৬-০৫-১৭ ইং 

রংপুর চিনিকলে আখের খামার তৈরির জন্য পাকিস্তান আমলে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অধিগ্রহণ করা হয় ১ হাজার ৮৪২ একর কৃষিজমি। অধিগ্রহণের সময় শর্ত ছিল, আখ চাষ না হলে ওই জমি কৃষকদের কাছে ফেরত দেয়া হবে। কিন্তু শর্ত ভঙ্গ করে স্থানীয় প্রভাবশালীদের কাছে প্রায় দেড় হাজার একর জমি ইজারা দিয়েছে মিল কর্তৃপক্ষ, যেখানে আখের পরিবর্তে চাষ হচ্ছে অন্য ফসল। এ অবস্থায় জমি ফেরত পেতে আন্দোলনে নেমেছেন গোবিন্দগঞ্জের ভূমিহীন কৃষকরা।
সরেজমিন গোবিন্দগঞ্জের সাহেবগঞ্জ আখ খামারে গিয়ে দেখা গেছে, খামারের জন্য অধিগ্রহণকৃত ১ হাজার ৮৪২ একর জমির প্রায় এক-তৃতীয়াংশে আখ রোপণ করা হয়েছে এ বছর। বাকি জমি ইজারা নিয়ে সেখানে ধান, সবজি ও তামাক আবাদ করছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। আবার চিনিকল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ইজারা নেয়া জমি ভূমিহীন কৃষকদের কাছে পুনরায় ইজারা দিচ্ছেন কেউ কেউ। এছাড়া অধিগ্রহণকৃত জমিতে বিশাল আকৃতির ছয়টি পুকুর খনন করে মাটি বিক্রি করে দেয়ার দৃশ্যও দেখা গেছে। এক্ষেত্রে সরকারের লিখিত আদেশ প্রয়োজন হলেও তা নেয়া হয়নি। বিষয়টিকে মিল কর্তৃপক্ষের প্রতারণা দাবি করে ক্ষোভে ফুঁসছেন গাইবান্ধার ভূমিহীন কৃষকরা।
নিজেদের হারানো জমিতে আখ চাষ না করে প্রভাবশালীদের মাধ্যমে অন্য ফসল উত্পাদন করায় চুক্তির শর্ত ভঙ্গ হয়েছে দাবি করে ওই জমি ফেরত পেতে আন্দোলনে নেমেছেন ভূমিহীন বাঙালি, সাঁওতাল, মান্দি, গারো, মালপাহাড়ি, ভুজপুরী, ভূমিজ, মুচি, মেথর, তাঁতিসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ। এ দাবিতে দুই বছর ধরে প্রতি শনিবার তীর, ধনুক, কাঁচি ও দা নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে আসছেন তারা।
তবে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন বলছে, এসব আন্দোলন ভিত্তিহীন। আগামী মৌসুমেই পুরো জমি আখ চাষের আওতায় আসবে। ইজারা দেয়া যদি ভুল সিদ্ধান্ত হয়, তবে তার দায়ভার বর্তমান কর্তৃপক্ষ নেবে না। যদিও মিল কর্তৃপক্ষ বলছে, করপোরেশনের সিদ্ধান্তেই এসব জমি ইজারা দিয়েছে তারা।

Share:

Sunday, May 15, 2016

‘বাংলাদেশ একদিন সংখ্যালঘুশূন্য হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট:
Share:
Copyright © The Santal Resources Page | Powered by Blogger Theme by Ronangelo