Online Santal Resource Page: the Santals identity, clans, living places, culture,rituals, customs, using of herbal medicine, education, traditions ...etc and present status.

The Santal Resource Page: these are all online published sources

Santal Gãota reaḱ onolko ńam lạgit́ SRP khon thoṛ̣a gõṛ̃o ńamoḱa mente ińaḱ pạtiạu ar kạṭić kurumuṭu...

Wednesday, February 1, 2017

সাঁওতালপল্লীতে অগ্নিসংযোগ: জড়িত পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই

গাইবান্ধার সাঁওতালপল্লীতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশের কিছু সদস্য সরাসরি জড়িত—বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তদন্তে গোয়েন্দা পুলিশের একজনসহ তিন পুলিশ সদস্যের জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে এলেও তাদের নাম নিশ্চিত করে বলতে পারেনি তদন্ত কমিটি।
এর কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই দিন সেখানে কারা কর্তব্যরত ছিলেন সে তালিকা পুলিশের কাছে চাওয়া হয়েছিল। তালিকা বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটিকে পুলিশ দেয়নি। এই অসহযোগিতা দুঃখজনকই শুধু নয়, উদ্বেগজনকও। সাঁওতালপল্লীতে অগ্নিসংযোগের ভিডিও ধারণ করা আছে। খতিয়ে দেখলে অগ্নিসংযোগকারীদের পরিচয় অবশ্যই জানা যাবে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীর পোশাক পরে, ব্যাজ লাগিয়ে যারা এমন জঘন্য অপরাধে জড়াতে পারে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতেই হবে। বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনটি পরবর্তী শুনানির দিনে দুজন বিচারপতির হাইকোর্ট বেঞ্চে উত্থাপন করা হচ্ছে। আমরা আশাবাদী, বিচারিক প্রক্রিয়ায় অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচিত হবে। আইনের চোখে সবাই সমান। দায়ী পুলিশ সদস্যদের জবাবদিহির আওতায় আনার সঙ্গে পুলিশের ভাবমূর্তি ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টিও জড়িত। আইনের রক্ষকরাই সংঘবদ্ধভাবে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়ালে সমাজ ও রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা হুমকির মধ্যে পড়ে। বিপদগ্রস্ত মানুষ তখন আরো বেশি করে বিপন্ন বোধ করে। পুুলিশের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা অনেক আগেই তলানিতে পৌঁছেছে। নারায়ণগঞ্জে সাত খুনসহ অনেক ঘটনায় আইনের রক্ষকদের জড়িত থাকার ঘটনায় মানুষ অসহায় বোধ করছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষার গুরুদায়িত্ব কারো কারো জন্য হয়ে উঠেছে অপকর্মের অস্ত্র। চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা, শ্লীলতাহানি, জমি ও ফ্ল্যাট দখল, গ্রেপ্তার বাণিজ্য—এমন কোনো অপরাধ নেই তারা জড়াচ্ছে না। কনস্টেবল থেকে শুরু করে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারাও এসব অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন। বিষয়টি উদ্বেগজনক পর্যায়ে চলে গেলেও প্রতিরোধব্যবস্থাগুলো সন্তোষজনক নয়। হাতে গোনা কিছু ক্ষেত্রে চাকরিচ্যুতি, তিরস্কার ও সতর্ক করার মতো লঘুদণ্ড দেওয়া হয়। মনে করা হয়, মামলা গ্রহণ, তদন্ত ও অভিযোগপত্র তৈরির কাজটি নিজেদের দায়িত্বে থাকায় অসৎ সুবিধা নিচ্ছেন পুলিশের অপরাধী সদস্যরা।
এই নৈরাজ্য থেকে বেরোনোর বাস্তবসম্মত পথ করতে হবে। পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে স্বাধীন বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন করারও দাবি জানাচ্ছেন অনেকে। তদন্তের নির্দেশ দিলেই চলবে না, সহযোগিতা বাধ্যতামূলক করতে হবে। পুলিশকে কেউ ক্ষমতা বা আর্থিক স্বার্থে ব্যবহার করলে তাদেরও ছাড় দেওয়া যাবে না।

http://www.kalerkantho.com/print-edition/editorial/2017/02/01/458643
Share:

0 comments:

Post a Comment

Copyright © The Santal Resources Page | Powered by Blogger Theme by Ronangelo