Online Santal Resource Page: the Santals identity, clans, living places, culture,rituals, customs, using of herbal medicine, education, traditions ...etc and present status.

The Santal Resource Page: these are all online published sources

Santal Gãota reaḱ onolko ńam lạgit́ SRP khon thoṛ̣a gõṛ̃o ńamoḱa mente ińaḱ pạtiạu ar kạṭić kurumuṭu...

Sunday, December 27, 2015

আদিবাসী ভূমি আইন; আমলা ও বিশেষ পোশাকধারীদের বাধা বললেন রাশেদ খান মেনন

আচিক নিউজ ডেস্ক: আদিবাসীদের ভূমি আইন প্রণয়নের পথে আমলা ও বিশেষ পোশাকধারীদেরকে প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত কেরছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। গতকাল ২৩ অক্টোবর রাজধানীর নটরডেম কলেজ অডিটরিয়ামে গারো স্টুডেন্ট ইউনিয়ন ঢাকা মহানগর শাখা আয়োজিত নবীন বরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি গারো শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি জানি ভূমি আইনটি তোমাদের কাছে খুব স্পর্শকাতর বিষয়। আইনটি যে কতবার সংসদে উঠছে-নামছে এবং কতবার যাচাই-বাছাই করার জন্য পাঠানো হচ্ছে এর কোনো সীমা-পরিসীমা নাই।’ তিনি বিষ্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা নিজেরাই অবাক হয়ে যাই, যেখানে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত খোদ প্রধানমন্ত্রী নিচ্ছেন, খোদ মন্ত্রী নিচ্ছেন, খোদ নেতৃবৃন্দ দিচ্ছেন সেখানে কয়েকজন আমলা, কয়েকজন পোশাকধারী ব্যক্তি সমাধানের পথকে রুদ্ধ করে ফেলছেন।’
‘অধিকার আদায়ে বাধাবিঘ্ন পেরোতে হবে’ জানিয়ে রাশেদ খান মেনন গারো শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ‘অধিকার আদায় খুব সহজ পথে হবে তা ভাবলে হবে না। শান্তিপূর্ণভাবে, ঐক্যবদ্ধভাবে, বাঙালী-আদিবাসী এক হয়ে অধিকার আদায় করতে হবে।’
২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশেদ খান মেননকে আহ্বায়ক করে ১১ সংসদ সদস্যকে নিয়ে আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাস গঠন করা হয়েছিল। বিষয়টি উল্লেখ মন্ত্রী বলেন, ‘সংসদে আদিবাসী ককাসের মাধ্যমে আমরা আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আনন্দের সংবাদ হচ্ছে, ইতোমধ্যে আদিবাসী অধিকার আইন পঠিত হয়েছে। শীঘ্রই বেসরকারি বিল হিসেবে এটি সংসদে যাবে। এটি সংসদে আলোচিত হলে ও গৃহীত হলে বড় পরিবর্তন আসবে।’ এর আগেও, ২০১৩ সালের ২২ জুলাই আদিবাসীদের অধিকার রক্ষায় ‘আদিবাসী অধিকার আইন’ বিল আকারে পরের সংসদীয় অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন মন্ত্রী। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতায় সে প্রক্রিয়া থেমে গিয়েছিল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাজীব মীর বলেন, ‘যে বৃহৎ বাঙালী জাতিগোষ্ঠীতে আমরা বসবাস করছি, সেখানে আমরা প্রতিনিয়তই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিকে এড়িয়ে যাই। কিন্তু এর বাইরে এসে তাদের প্রাপ্য অধিকার বাস্তবায়ন করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে দ্রিঞ্জা চাম্বুগংকে সভাপতি, টনি চিরানকে সাধারণ সম্পাদক, বিবাল মানকিনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে গারো স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ঢাকা মহানগর শাখার তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবনির্বাচিত সভাপতি দ্রিঞ্জা চাম্বুগং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

Source: http://www.achiknews24.com/%E0%A6%86%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%A0%E0%A6%A8/%E0%A6%86%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80-%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%AC%E0%A6%BF/
Share:

জীবন যুদ্ধে বিজয়ী আদিবাসী নারী পিরিনা

বাংলাদেশের যেসব জেলায় আদিবাসী জনগণের বসবাস বেশি এমনি একটি উত্তরের আদিবাসী অধ্যাসিত জেলা হলো দিনাজপুর। দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলাধীন ছোট একটি আদিবাসী গ্রাম ডারকামারীতে দারিদ্র সীমার মধ্যে বসবাস করত রাবণ মুর্মু ও লুগিনা সরেন।
এই দম্পতির ঘরে দুই সন্তানের পরে ২০/০৩/১৯৯৬ ইং তারিখে তৃতীয় সন্তান হিসেবে জন্মগ্রহণ করে পিরিনা মুর্মু। এরপর আরও দুইটি সন্তান পরপর জন্ম নেয় রাবণ-লুগিনার ঘরে। অভাব অনটন যাদের নিত্যদিনের সঙ্গী তাই কখনও অর্ধাহারে আবার কখনও অনাহারে দিনতিপাত করিতে থাকে পিরিনা মুর্মু। পিরিনা লেখাপড়া শুরু করে ব্র্যাক স্কুলে একই সাথে খালিপপুর মিশন স্কুলে ভর্তি হয় যাতে করে দুপুরে খাবার খেতে পারে।

প্রথম শ্রেনী থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত লেখাপড়া করার জন্য বাড়িতে কোন বিদ্যুৎ ছিল না এবং কেরোসিন তেল কেনারও পয়সা ছিলনা তাদের। তাই বেশিরভাগ সময় দিনের আলোয় পড়াশোনা করতে হতো এবং মাঝে মাঝে কুপির আলোতে পড়াশোনা চালিয়ে যেত। পিরিনার ১০ বছর বয়সে তার বাবা মারা গেলে সংসারে আরও অভাব অনটন দেখা দেয়।
নুন আনতে পান্তা ফুরানোর মত অবস্থা এ জন্য সে মাঝে মাঝে পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সাথে আবাদি জমিতে কাজ করতে যেত, সেই সাথে কাজের জন্য পিরিনার এক ভাই এক বোন ৫ম শ্রেনীতে পড়ার সময় ঝড়ে পরে। কিন্তু পিরিনার লেখাপড়ার প্রতি প্রবল আগ্রহ থাকায় কোন ভাবেই যেন তাকে লেখাপড়া থেকে তাকে আলাদা করতে পারেনি।
এরই ধারাবাহিকতায় সে ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সাফল্যের সাথে জিপিএ ৩.৮৫ পেয়ে কৃতকার্য হয়। এমন সময় বে-সরকারী সংস্থা আরডিআরএস বাংলাদেশ প্রকল্পের সংলাপ কেন্দ্র চালু হলে উক্ত সংলাপ কেন্দ্রে পিরিনা মুর্মু কিশোরী হিসেবে ভর্তি হয়। এই প্রকল্পে কিশোরীদের জীবনের স্বপ্ন প্রতিষ্ঠিত এবং তাদেরকে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়ায় উদ্বুদ্ধ করত। এতে কাজ করে যেতে পিরিনা মুর্মু তার একটি বড় স্বপ্নের কথা বলে যে সে অনেক বড় পুলিশ অফিসার হবে।
এভাবেই চলতে থাকে পিরিনার জীবন। এরই এক পর্যায়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে কিছু সংখ্যক নারী-পুরুষ নিয়োগ করা হবে এমন সংবাদ পেলে তার স্বপ্ন তাকে আরও তাড়িত করতে লাগে। বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক পুলিশ লাইনে শারিরীক, লিখিত, মেডিকেল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সফলতার সাথে কৃতকার্য হয়ে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হয়। সাফল্যের সহিত ট্রেনিং শেষে সে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে যোগদান করে।
নবাবগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার রেবেকা সুলতানা জানান- পিরিনাকে  গত ৯ডিসেম্বর পিরিনাকে আর্ন্তজাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উদ্যাপনে “জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ” এর আওতায় শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্যে অর্জনকারী নারী হিসেবে ক্রেস্ট ও সম্মাননা গ্রহণ করেন তার মা লুগিনা সরেন।
Source: https://dinajpurnews.com/115107.html
Share:

সাঁওতালের জীবন-সংগ্রাম

নূসরাত খান, পার্বতীপুর (দিনাজপুর)
পোষা শালিকটিকে একটি শিশু গভীর মনোযোগ দিয়ে দেখছে। পরিপাটি মাটির ঘরের দাওয়ায় দু’জন আদিবাসী সাঁওতাল নারী অনেকগুলো ঝিনুক পরিষ্কার করছেন। একজন বৃদ্ধা, আর অপরজন মধ্যবয়স্কা। বললেন, ‘এটাই আমাদের রাতের খাবার। আগে বন-জঙ্গল ছিল, দু-চারটে  শিকার পাওয়া যেত। এখন তো আর সেদিন নেই! তবু এখনো নদী-বিলে কিছু ঝিনুক পাওয়া যায়।’
Santal a-1-01-newsnextbd
পার্বতীপুরের সাঁওতালরা প্রকৃতি থেকে সংগ্রহ করেন নানান ধরণের খাবার। ছবি: নূসরাত খান/নিউজনেক্সটবিডি ডটকম

দিনাজপুরের পার্বতীপুরের কৃষিজীবী সান্তাল বা সাঁওতালরা এভাবেই এখন বংশপরম্পরায় প্রকৃতি থেকে সংগ্রহ করেন খাদ্য ও প্রটিনের পুষ্টি। প্রকৃতির সাথে মিলেমিশে বেঁচে থাকার অভ্যাস সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর প্রাচীনতম ঐহিত্য।
এখনো তীর-ধনুকে শিকার মিশে আছে ব্রিটিশ রাজের সিংহাসন কাঁপানো সিঁধু-কানহুর উত্তরসুরীদের রক্তে। আলাপকালে তারা নিউজনেক্সটবিডি ডটকম’র এই প্রতিনিধিকে জানান, সাধারণত শীতের শুরুতে দু-তিন দিনের জন্য ছোট ছোট দলে সাঁওতালরা বের হন শিকারে।
‘এখন তেমন ঘন বন-জঙ্গল নেই। তবুও আশপাশের ঝোপঝাড়ে আমরা শিয়াল, বেজী, বনবিড়াল শিকার করি’, বললেন স্থানীয় বুকচি গ্রামের কৃষক ফিলিপ মুর্মু।
প্রকৃতি ও আদিবাসী গবেষক পাভেল পার্থ নিউজনেক্সটবিডি ডটকম’কে জানিয়েছেন, প্রকৃতপূজার সাঁওতালি আদি ধর্ম ‘শারণা’ (সত্য)। এই ধর্মের রীতি অনুযায়ী সহস্র বছর ধরে পালিত হচ্ছে ‘সোহরাই’, ‘বাহা’ বা ‘কারাম’ পূজার মতো প্রাচীন উৎসব। কিন্তু মিশনারীদের সূত্রে এখন অধিকাংশই ধর্মান্তরিত হয়ে খ্রিস্টান হওয়ায় সাঁওতাল জনপদে প্রকৃতিপূজার প্রাচীন অনুসঙ্গ ও উৎসব প্রায় সবই বাতিল হয়ে গেছে।
পার্বতীপুরের সাঁওতাল নারীরাও সমান কর্মদক্ষ। ছবি: নূসরাত খান/নিউজনেক্সটবিডি ডটকম
পার্বতীপুরের সাঁওতাল নারীরাও সমান কর্মদক্ষ। ছবি: নূসরাত খান/নিউজনেক্সটবিডি ডটকম
তিনি বলেন, ‘এখন বড়দিনকে ঘিরে চলে সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর বড় উৎসব ‘সোহরাই’। মাদলের বোলে চলে নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী নাচ-গান। উৎসবে ভাতের সঙ্গে নানান পদের খাবার ছাড়াও ভাত থেকে বানানো পানীয় ‘হাড়িয়া’র থাকে প্রাচুর্য। এছাড়া মহুয়া ফুলের রস দিয়ে তৈরি পানীয় ব্যবহৃত হয় বিয়ের উৎসবে। পূজা কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠানে ঢাক-ঢোল বা শিঙ্গার বাজনা যেন এক অনবদ্য বিষয়। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি এসব বাদ্যযন্ত্র।’
পাভেল পার্থ বলেন, ‘একসময়ের বনজীবী সাঁওতালরা এখনো বিয়ে বা পূজায় শালপাতার নানা অনুসঙ্গ ব্যবহার করেন। তাদের কাছে ঐক্য আর সংহতির প্রতীক শালগাছ। তবে এখন বন কমে যাওয়াতে বিভিন্ন উদযাপনে শালপাতার পরিবর্তে আমপাতা ব্যবহৃত হচ্ছে।’
আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন নিউজনেক্সটবিডি ডটকম’কে জানান, দিনের পর দিন ভূমি হারিয়ে নিঃস্ব থেকে নিঃস্বতর সাঁওতালরা জীবিকার তাড়নায়, জীবন বাঁচাতে পাড়ি জমাচ্ছেন ওপারে ভারতে।
Santal b-2-02-newsnextbd
পার্বতীপুরের সাঁওতাল নারীরাও সমান কর্মদক্ষ। ছবি: নূসরাত খান/নিউজনেক্সটবিডি ডটকম
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সাঁওতালরা কখনোই দরিদ্র ছিল না। ভূমি দস্যুরা মিথ্যে মামলা দিয়ে, জাল দলিলপত্র করে, জবর-দখলের মাধ্যমে আদিবাসীদের জমি কেড়ে নিচ্ছে। জমির জন্য সাঁওতাল, ওঁরাও, মাহাতো, মুণ্ডাসহ উত্তরবঙ্গের আদিবাসীদের মামলা-হামলা ছাড়াও গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে, ধর্ষন করা হচ্ছে, খুন পর্যন্ত করা হচ্ছে। ভূমিহীন হতে হতে অবস্থা এমন হয়েছে যে, এখন উত্তরবঙ্গের ১৬টি জেলার কোনো না কোনো গ্রাম থেকে নিয়মিতভাবে আদিবাসী পরিবার দেশান্তরী হয়ে ভারতে চলে যাচ্ছেন। আদিবাসী এমন অনেক পরিবার আছেন, যারা জমি-জমা হারিয়ে এখন নিজের জমিতেই দিনমজুরি করছেন।’
সাঁওতাল কৃষকদের সঙ্গে আলাপকালেও মেলে এসব কথার সত্যতা। তারা জানান, সাঁওতালরা সরকারি নিয়মে জমি নিবন্ধন করেছেন বটে, কিন্তু বহুভাবেই তা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। এরপরেও ভীষণ কষ্টে নিজেদের সংস্কৃতি যতটুকু সম্ভব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তারা।
জমির ওপর আদিবাসীর অধিকারের প্রশ্নে সাঁওতাল কৃষক ফিলিপ মুর্মু’র কণ্ঠে হতাশা ছড়ায়। তিনি বলেন, ‘আগাম নোটিশ ছাড়াই একদিন হঠাৎ করেই আমাদের জমি ‘খাস’ হয়ে যায়।  এরকম ঘটনা বহু আছে।’ তিনি জানান, তার ১৪ বিঘা জমি বনবিভাগের আওতায় চলে যাওয়ার পরও তিনি খাজনা দিয়ে যাচ্ছেন। মামলা হয়, মামলার রায়ও তার পক্ষে আসে, কিন্তু জমি আর হাতে আসেনা।
পার্বতীপুরের সাঁওতালরা এখনো ধরে রেখেছেন প্রাচীন ঐতিহ্য, নাচ-গান। ছবি: নূসরাত খান/নিউজনেক্সটবিডি ডটকম
পার্বতীপুরের সাঁওতালরা এখনো ধরে রেখেছেন প্রাচীন ঐতিহ্য, নাচ-গান। ছবি: নূসরাত খান/নিউজনেক্সটবিডি ডটকম
ফিলিপ জানান, কিছুদিন আগে পার্বতীপুরের আরেক গ্রাম চিরাকুঠায় সাঁওতালদের বাড়িঘর দখল করে তাদের গ্রাম থেকে বিতাড়িত পর্যন্ত করা হচ্ছে। এছাড়া বছর দুয়েক আগে বুকচি গ্রামে এক প্রভাবশালী মহল জমি দখলের পায়তারা চালাতে চাইলে সাঁওতালরা তীর-ধনুক নিয়ে নিজেরাই তাদের প্রতিহত করেছেন। কিন্তু সংখ্যায় কম থাকলে সেসব এলাকায় সব সময় আর তা হয়ে ওঠে না।
নিউজনেক্সটবিডি ডটকম/এনকে/বিআর
Source:http://bangla.newsnextbd.com/article206562.nnbd/#sthash.Sd61hA5s.gbpl&st_refDomain=www.facebook.com&st_refQuery=

Share:

ভূমিতে ১২৫ বছরের অধিকার হারাচ্ছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ

মেহেদী আল আমিন | ২০১৫-১২-০৭ ইং
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় পুরাতন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উভয় পাশ নিয়ে চান্দপুর চা বাগান। ডানকান ব্রাদার্সের মালিকানাধীন এ বাগানে জমির পরিমাণ ৩ হাজার ৯৫১ একর। এর মধ্যে চাষাবাদের জমি রয়েছে ৯৮৫ একর। এ জমি থেকেই অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য ৫১২ একর অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) অনুকূলে হস্তান্তর করা হয়েছে। এতে ওই জমির ওপর থেকে অধিকার হারাচ্ছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রায় নয় হাজার মানুষ।

দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে ডানকান ব্রাদার্সের মালিকানাধীন চান্দপুর চা বাগানেও একটি অঞ্চল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত ২৬ আগস্ট অকৃষি খাসজমি দীর্ঘমেয়াদি বন্দোবস্ত মামলার মাধ্যমে চা বাগানটির ৫১১ দশমিক ৮৩ একর ভূমি বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যানের কাছে বন্দোবস্তের প্রস্তাব অনুমোদন করে ভূমি মন্ত্রণালয়। গত ২১ সেপ্টেম্বর ১/১ খতিয়ানে রেকর্ড সংশোধনের পর গত ২১ নভেম্বর জমিটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য হস্তান্তর করা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, হস্তান্তর করা ওই জমিজুড়ে ধানক্ষেত। কোথাও কোথাও ধান কাটা চলছে। ধান কাটা শেষ করে বিভিন্ন সবজির চারাও বুনছেন কেউ কেউ। এ জমিতে বছরে দুটি ফসল হয়।
এ জমিতেই ৩৬ শতকে ধানের আবাদ করেছেন চা বাগানের শ্রমিক যতীন্দ্র রাজবংশী। প্রতিষ্ঠার পর ১৮৯০ সাল থেকেই এ বাগানে বাস করে আসছেন যতীন্দ্রর পূর্বপূরুষরা। ১২৫ বছরের দখল তাই ছাড়তে চান না তিনি। যতীন্দ্র বলেন, ‘আমার দাদা ছিল, বাবা ছিল, আমিও আছি এ বাগানে। আমাদের জমি কে নিব। আমরা জমি দিতাম না।’
চা শ্রমিক বাবার চাষাবাদ করা জমি চার ভাইয়ের মধ্যে ভাগ হয়ে গেলে সাড়ে ১২ শতাংশ পেয়েছেন ভবতারণ রাজবংশী। তিনি বলেন, বাগানে যারা কাজ করে, তারা জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে। বাকিরা কী করবে। আমি নিজের জমিতে ধান চাষ করি। অন্য সময় অন্যের জমিতে শ্রম দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। কিছুতেই আমরা আমাদের চাষের জমি দেব না।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বাগানে শ্রমিক রয়েছেন মোট ১ হাজার ৯৫৫ জন। এর মধ্যে স্থায়ী শ্রমিক ১ হাজার ৬৫৫ ও অস্থায়ী ৩০০। শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যসহ বাগানে বসবাসরত মানুষের সংখ্যা ৮ হাজার ৮৩৩। এর মধ্যে যারা বাগানে কাজ করেন, তারাই কেবল দৈনিক ৮৫ টাকা হারে মজুরি পান। বাকিদের যাদের কাজ নেই, তারা এ জমির ওপর নির্ভরশীল। বংশপরম্পরায় তারা এসব জমি চাষাবাদ করে আসছেন।
এ বাগানে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে রাজবংশী ছাড়াও রয়েছে সাঁওতাল, মাঝি, রবিদাশ, বুনার্জি, শীল, বাউরি, মাল, কড়া, কানো, পাত্র, ওরাওঁ, ভূমিজ, কালিন্দি প্রভৃতি।
এসব নৃ-গোষ্ঠীর মানুষজন এত দিন চা বাগানের জমিতে অবৈধভাবে চাষাবাদ করে আসছিল বলে মন্তব্য করেন হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক সাবিনা আলম। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘সরকারের জমি ফাঁকা পড়ে ছিল। তারা সেখানে অবৈধভাবে চাষাবাদ করেছে। তার পরও ক্ষতিপূরণের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।’
শ্রমিকদের উচ্ছেদের আগে এর সামাজিক প্রভাব বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন বলে           জানান ডানকান ব্রাদার্সের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে            তিনি বলেন, আপত্তি জানিয়ে সরকারকে চিঠি দেয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী জমি নিতে কোনো সমস্যা নেই। তবে জমি নিলে যে মানুষগুলো কর্ম হারাবে, তার প্রভাব পড়বে এ বাগান ও আশপাশের বাগানের ওপর। বেকারত্বের কারণে অপরাধপ্রবণতা বেড়ে যেতে পারে। বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন।
জানতে চাইলে বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, দীর্ঘদিনের দাসত্বের জীবন থেকে চা শ্রমিকদের আমরা বের করে আনব। ক্ষতিপূরণ নয়, আমরা তাদের জীবনটাই বদলে দেয়ার চেষ্টা করছি। এখানে প্রতিটি পরিবারে চাকরির বাধ্যবাধকতা দিয়ে দেব। সেখানে স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল ও ট্রেনিং সেন্টার হবে। শ্রমিকরা প্রশিক্ষণ নিয়ে ওখানেই কাজ করার সুযোগ পাবেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে কয়েকজনের কাজের ব্যবস্থা করেছি। বড় বড় ব্যবসায়ী গ্রুপকে বলেছি কাজ দেয়ার জন্য। অনেকে তাতে রাজিও হয়েছে।
তার পরও জমি রক্ষার ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ শ্রমিক ইউনিয়ন, চা শ্রমিকদের ভূমি রক্ষা কমিটিসহ আরো কিছু সংগঠন। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরি বলেন, জঙ্গল কেটে এ কৃষিজমি তৈরি করেছে আমাদের পূর্বপুরুষরা। তাই এ জমির ওপর অধিকার আমাদেরই। সে অধিকার কেড়ে নিয়ে অর্থনৈতিক অঞ্চল হলে তা হবে খারাপ নজির। ক্ষতিপূরণ ও চাকরির কথা বলা হলেও এ ধরনের লিখিত কোনো প্রস্তাব দেয়া হয়নি।
জানা যায়, প্রায় ১৫০ বছর আগে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ এনে জঙ্গল পরিষ্কার করে চা বাগান তৈরি করে ফিনলে, ডানকান ব্রাদার্সসহ আরো কয়েকটি কোম্পানি। পরে যেসব জমিতে চা গাছ লাগানো সম্ভব হয়নি, সেগুলো শ্রমিকদের মধ্যে বণ্টন করে দেয়া হয় চাষাবাদের জন্য।
Source: http://www.bonikbarta.com/news/details/58556.html
Share:

SARI DHARAM is Religion of Santal adivasi.

SARI DHARAM is Religion of Santal adivasi. SARNA is religion of other adivasi like Munda, Oraon, Ho, including Santals of Bengal, Jkd, Bihar, Assam and Odisha. And some adivasi converted into Hindu and Cristianity. But, Only Santal people follow SARI DHARAM and already SARI DHARAM has recognized to West Bengal state and central Govt. West Bengal Backward Classes Welfare Department, Memo No- 942CRI/1-3CRI 2000 Date: 21/10/2000 clearly mentioned that Sari Dharam is a Recognized Tribal Religion of the Santals & they have come under the preview of the Marriage Act 1954. In the census of 1991, 1,63,070 no of Santal people supported Sari Dharam and Indian Census Board recognized Sari Dharam in 2002. in this regard govt. given notice (notice no - TAB.11015(R)/1991/6074/(30.10.2002) to all the District Magistrate of West Bengal to awared to improve Sari Dharam.
Share:
Copyright © The Santal Resources Page | Powered by Blogger Theme by Ronangelo