Online Santal Resource Page: the Santals identity, clans, living places, culture,rituals, customs, using of herbal medicine, education, traditions ...etc and present status.

The Santal Resource Page: these are all online published sources

Santal Gãota reaḱ onolko ńam lạgit́ SRP khon thoṛ̣a gõṛ̃o ńamoḱa mente ińaḱ pạtiạu ar kạṭić kurumuṭu...

Wednesday, August 17, 2016

রিও অলিম্পিকঃ আর্চারী ইভেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে সান্তাল তরুণী

আইপিনিউজ ডেস্কঃ ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরিওতে অনুষ্ঠিত “রিও অলিম্পিক-২০১৬” এর আর্চারী ইভেন্টে ব্যক্তিগত কোয়ার্টার ফাইনালে দ্বিতীয় পজিশনে আছে এক সান্তাল আদিবাসী তরুণী লক্ষীরাণী মাঝি। এর পূর্বের ব্যাক্তিগত রাউন্ডে প্রথম স্থানটিই দখল করেছিলেন লক্ষীরাণী মাঝি। দলীয় আর্চারী ইভেন্টে তাঁর দল আছে ৭ নাম্বার পজিশনে। বিশ্ব র‍্যাংকিং এ ৪৩ তম স্থানে আছেন লক্ষীরাণী মাঝি।
২৭ বছর বয়সী লক্ষীরাণীর জন্ম ভারতের ঝাড়খন্ডের বাগুলা নামের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে। ১৯৮৯ সালের ২৬ শে জানুয়ারী জন্ম নেওয়া এই তরুনীর পারিবারিক নাম লক্ষী মুর্মু। কয়লা শ্রমিক বাবার সামান্য আয়ের সংসারে বেড়ে উঠা লক্ষীরাণী ধনুর্বিদ্যা সম্পর্কে কিছু জানতেননা, কিন্তু তিনি ছোটবেলা থেকেই অনেককেই জীবিকা নির্বাহ করার তাগিদে ধনুর্বিদ্যায় যোগ দিতে দেখেন। সেখান থেকেই তিনি ধনুর্বিদ্যার প্রতি আগ্রহী হন। পরবর্তীতে ভারতের আর্চারী একাডেমী লক্ষীরানীর কলেজে সফর করতে এসে লক্ষীরাণির প্রতিভার খোঁজ পান। লক্ষীরাণী মাঝি বর্তমানে বিলাসপুর রেল স্টেশনে কর্মরত আছেন।
অলিম্পিকের আর্চারী ইভেন্টে লক্ষীরাণীর সাথে তাঁর দলে আছেন দীপিকা কুমারী এবং বমবায়লা দেবী। আর্চারী ইভেন্ট ছাড়াও রিলে ৪x৪০০ ইভেন্টে ভারতের হয়ে অংশগ্রহণ করছেন আরেক সান্তাল তরুণী জৌউনা মুর্মু। লক্ষীরাণী মাঝি রিও অলিম্পিকের আগে গত বছর ডেনমার্কে অনুষ্ঠিত “ওয়ার্ল্ড আর্চারী চ্যাম্পিয়নশিপ-২০১৫” তে রৌপ্য পদক জিতেন।
Share:

Saturday, August 13, 2016

আদিবাসী দিবসের সমাবেশ: শিক্ষা ও ভূমির অধিকার দাবি


নিজস্ব প্রতিবেদক |
রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘আদিবাসী’ হিসেবে স্বীকৃতি এবং শিক্ষা ও ভূমির অধিকারের দাবি জানিয়েছেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতারা। গতকাল মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁরা এ দাবি জানান।
আদিবাসী ফোরাম এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ‘আদিবাসীদের শিক্ষা, ভূমি ও জীবনের অধিকার’ প্রতিপাদ্যে এবার আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘কেন আমরা আদিবাসী কথাটা স্বীকার করি না, আমার কাছে স্পষ্ট নয়। এই অস্বীকৃতির মধ্য দিয়ে প্রশাসনের কাছেও ভিন্ন বার্তা যাচ্ছে। আমি চাই আদিবাসী-বাঙালি এক হয়ে বাংলদেশ গড়ে তুলব।’
অনুষ্ঠানে জনসংহতি সমিতির সভাপতি সন্তু লারমা বলেন, সরকার ও প্রশাসন আদিবাসীদের অধিকারের প্রশ্নে আন্তরিক নয়। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের পার্বত্য বান্দরবান জেলার নেতারা মিথ্যা মামলা দিয়ে জনসংহতি সমিতির নেতাদের জেলে পাঠাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমাদের সবাইকে নিজের প্রয়োজনেই সংগ্রামী হতে হবে, সংগ্রাম করেই বেঁচে থাকতে হবে।’
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, ‘কোনো জনগোষ্ঠীর অধিকার হরণ করে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না। সে রাষ্ট্রটি মাথা উঁচু করেও বিশ্বের দরবারে দাঁড়াতে পারে না। শুধু ভূমি নিষ্পত্তি আইন করেই আদিবাসী সমস্যা সমাধান করা যাবে না। আইনটির যথাযথ প্রয়োগ থাকতে হবে।’
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘পাকিস্তান আমল থেকে আদিবাসীরা সংগ্রাম করছে। দেশ স্বাধীন হলেও তাদের সেই সংগ্রাম শেষ হয়নি।’
অনুষ্ঠানে মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল বলেন, ‘সম্প্রতি কিছু আদিবাসী তাদের নিজস্ব ভাষার শিক্ষার উদ্যোগ নিলেও অধিকাংশ আদিবাসী তা পাচ্ছে না। বৃহত্তর এই জনগোষ্ঠীকে মৌলিক মানবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রাষ্ট্রের উন্নয়ন সম্ভব না।’
নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ বলেন, ‘পার্বত্য শান্তিচুক্তিতে যে নিয়মকানুন হয়েছে তার কোনোটিই তেমনভাবে কার্যকর হয়নি। অথচ তা হলে আদিবাসীদের বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবনমান আরও উন্নত হতো, আমরাও সমৃদ্ধ হতাম।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বেসরকারি আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডালেম চন্দ্র বর্মন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক সাদেকা হালিম, মেসবাহ কামাল, উন্নয়ন ও মানবাধিকারকর্মী খুশী কবির, রাজনীতিবিদ পঙ্কজ ভট্টাচর্য প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক শক্তিপদ ত্রিপুরা। আলোচকদের বক্তব্য শুরুর আগে গণসংগীত পরিবেশন করে মাদল ও গিরিসুর শিল্পী গোষ্ঠী।  
উৎস: http://www.prothom-alo.com/
Share:

Marginalised, ethnic minorities discriminated from public services: Speakers tell Research Initiatives, Bangladesh seminar

Staff Correspondent


Communities of ethnic minorities and those marginalised in the country are facing discrimination in getting public services because of the lack of accountability and transparency in activities of agencies concerned, speakers told a seminar yesterday.
Although the constitution guarantees equal rights for all and non-discrimination when it comes to benefiting from services such as social safety net programmes, only influential people can enjoy those due to the absence of proper monitoring and implementation of laws, they observed. It is important to ensure massive awareness campaigns so that those deprived can be conscious and vocal against “state-patronised” discrimination, the discussants added.
Research Initiatives, Bangladesh (RIB) organised the seminar on “Vulnerable Groups' Access to Social Safety Net Programmes through Participatory Action Research and Right to Information Act” in the capital.
Prof Emeritus Serajul Islam Chowdhury said it was more urgent to bring a change in politics before going for social reforms. “There is no accountability in Bangladesh. Corruption, violence and different irregularities are increasing. The country's image is being maligned before the international community,” he said. “If we cannot change the existing exploitative nature of the state, the discrimination will not be eliminated,” he added.
Rights activist Hameeda Hossain said women and those being marginalised faced discrimination because influential people denied them their rights.
RIB Executive Director Meghna Guhathakurta presented a keynote paper on working with 1,500 people of ethnic minority communities and those marginalised in Panchagarh, Nilphamari, Rajshahi, Jessore and Satkhira to see how they benefited from social safety net programmes and whether they used the RTI act. RIB President Shamsul Bari chaired the seminar while Nijera Kori Coordinator Khushi Kabir and former information commissioner Sadeka Halim also spoke.
12:00 AM, August 10, 2016 / LAST MODIFIED: 03:42 AM, August 10, 2016
Source: http://www.thedailystar.net/

Share:

বিআইডিএসের জরিপ: সমতলের চেয়ে পাহাড়ের বাসিন্দারা বেশি গরিব

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট:
সমতলে বসবাসকারী আদিবাসী ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠী পরিবারের চেয়ে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী পরিবারগুলো অনেক বেশি গরিব। পার্বত্য অঞ্চলে বাস করা আদিবাসী ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠী পরিবারের ৫১ দশমিক ১ শতাংশ গরিব। সেখানে সমতলে বসবাসকারী একই জনগোষ্ঠীর ৩৫ শতাংশ গরিব। এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে সাম্প্রতিক এক জরিপে।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) ‘আদিবাসী ও উপজাতীয় জনগণের দক্ষতা ও কর্মসংস্থান’বিষয়ক এ জরিপটি করেছে। সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন (এসডিসি) এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সহায়তায় এ জরিপটি পরিচালনা করা হয়। গতকাল বুধবার দুপুরে বিআইডিএসের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।
জরিপ প্রতিবেদনের তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে বলা হয়েছে, আদিবাসী ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর জন্য উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো জরুরি। কারণ এসব জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের ঘাটতি রয়েছে।
জরিপের তথ্য অনুযায়ী, পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী পরিবারগুলোর বার্ষিক গড় আয় ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৯৬ টাকা। সেখানে সমতলে বার্ষিক এই গড় আয় ১ লাখ ৬৫ হাজার ১০ টাকা। অর্থাৎ আয়ের দিক থেকে পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী আদিবাসী ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। তবে খরচের দিক থেকে বেশ পার্থক্য রয়েছে।
জরিপ প্রতিবেদনের ফলাফল অনুযায়ী, খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্য খাতে পার্বত্য এলাকায় বার্ষিক গড় ব্যয় বা খরচ করে ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৪ টাকা। সমতলে যার পরিমাণ ৯১ হাজার ৬৪১ টাকা। অর্থাৎ পার্বত্য এলাকায় বসবাসকারী একটি পরিবারকে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত অন্যান্য পণ্য খাতে বছরে যে টাকা খরচ করতে হয়, তা সমতলে বসবাসকারী আদিবাসী ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর চেয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা কম।
প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নববিক্রম কিশোর ত্রিপুরা, বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সিরোকো মেসেরিলি, বিআইডিএসের মহাপরিচালক কে এ এস মুরশিদ, আইএলও বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর গগন রাজভান্ডারি প্রমুখ।
নববিক্রম কিশোর ত্রিপুরা তাঁর বক্তব্যে বলেন, এ ধরনের জরিপ আদিবাসী ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমানের হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরে। সরকারের নীতি গ্রহণের ক্ষেত্রে এসব তথ্য-উপাত্তকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সিরোকো মেসেরিলি বলেন, চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী আদিবাসী ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সমতলে বসবাসকারী এসব জনগোষ্ঠী সম্পর্কে খুবই সামান্য জানা যায়। এ কারণে তুলনামূলক আর্থসামাজিক অবস্থা জানতে আগ্রহী সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান এসডিসি। পিছিয়ে পড়া এসব জনগোষ্ঠীর দক্ষতা বৃদ্ধিতেও নীতিনির্ধারকদের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
জরিপের তথ্য বলছে, সমতলে বসবাসকারী আদিবাসী ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর ৭০ শতাংশই আয়ের জন্য কৃষিশ্রমের ওপর নির্ভরশীল। সেখানে পার্বত্য অঞ্চলে এ হার ৬৩ শতাংশ।

Source: http://www.prothom-alo.com/
Share:

Tuesday, August 9, 2016

বগুড়ার সাঁওতাল পল্লীতে

প্রতীক ওমর, বগুড়া
ছোট ছোট খুপরি ঘর। সারিবদ্ধভাবে তোলা। খড়কুটো দিয়ে তৈরি চাল এবং বেড়া। মাটির মেঝে। সমতল থেকে দেড় ফুট উঁচু। ছিমছাম। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং বেশ পরিপাটি ঘরগুলো দেখতে। নিরিবিলি। চারপাশ কোলাহলমুক্ত। মূল সড়ক থেকে বেশ দূরে অবস্থান। দুই হাজার ছোট-বড় ঘরে মানুষের সংখ্যা তিন হাজার হবে। আদিবাসী সাঁওতাল পল্লী। এখানে বাস করে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী। বগুড়া থেকে ওই জায়গার দূরত্ব প্রায় ৬০ কিলোমিটার।

উত্তরের উপজেলা গোবিন্দগঞ্জ সদর থেকে ৬-৭ কিলোমিটার যেতে হয় দিনাজপুর রোড হয়ে পশ্চিম দিকে। ওই উপজেলার সাবমারা ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ এলাকায় সাঁওতালদের পল্লীটি অবস্থিত। রংপুর চিনিকলের একটি আখা ফার্মের দক্ষিণ-পশ্চিম ধারে ওই সাঁওতালদের বাস। মূল রাস্তা থেকে বেশ ভিতরে যেতে হয়। ইট বিছানো রাস্তায় আমাদের পাঁচটি মোটরসাইকেল তাদের গ্রামের সীমানায় পৌঁছতেই একটি ১৪-১৫ বছরের শিশু ঘর থেকে ঢোল বের করে পাগলের মতো বাজাতে থাকল। ঢোল বাজানোর কারণ তখনো আমরা কেউ বুঝে উঠতে পারিনি। এভাবে মিনিট পাঁচেক বাজাতেই সব দিক থেকেই সাঁওতালরা তীর ধনুক, ফালা, ছুরি, লাঠি হাতে এক হাজারের মতো সাঁওতাল নারী-পুরুষ এবং শিশু আমাদের ঘিরে ফেলল।

আমাদের শত্রু মনে করার আগেই সঙ্গে যাওয়া স্থানীয় সাংবাদিক আবদুল হান্নান এবং জাহিদুল ইসলাম জাহিদ সাঁওতালদের একজন বয়স্ক লোকের কাছে গিয়ে বোঝালেন আমরা আপনাদের কোনো ক্ষতি করতে আসিনি। আমরা সাংবাদিক। আপনাদের খোঁজখবর নিতে এসেছি। বয়স্ক ওই সাঁওতালকে বোঝানো সম্ভব হয়েছে। তিনি তখন ওই শিশুকে ঢোল বাজানো থামাতে বললেন। আমরা তাদের শত্রু নয় এটা নিশ্চিত হওয়ার পর সবাই তখন আমাদের মেহমান হিসেবে তাদের পল্লী, ঘরবাড়ি ঘুরে দেখালেন। ওই দিন আদিবাসী পল্লীতে আমাদের দিনের একটা বড় অংশ সেখানকার সাঁওতালদের সঙ্গে কেটেছে।
ওই পল্লীর বাসিন্দাদের তথ্যমতে, সেখানে প্রায় তিন হাজার সাঁওতালের বাস। এক সময় এখানকার সাঁওতালদের প্রধান পেশা ছিল বন্যপ্রাণী শিকার করা। তাদের জীবন ও জীবিকা চলত জঙ্গল থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রাণী বধ করেই। কালের পরিক্রমায় প্রকৃতির পরিবর্তনের সঙ্গে সাঁওতালদের পেশাও পরিবর্তন হয়েছে। তারা এখন চাষাবাদ করে। নিজেদের জমিজমা নেই। অনেকটা ভূমিহীন তারা। অন্যের জমিতে কাজ করেই এখন তাদের সংসার চলে। মাথা গোঁজার জন্য ছোট ছোট খুপরি ঘর তৈরি করেছে তারা। ঘরগুলোর বেড়া এবং চাল খড়কুটো দিয়েই তৈরি। সেই ঘরে একজনের বেশি থাকা যায় না। কিছু ঘর তুলনামূলক একটু বড়। সে ঘরে অবশ্য একাধিক মানুষ থাকে। ঘরের ভেতর বাঁশের একটি করে মাচা আছে। সেই মাচাতেই রাতে তারা ঘুমায়।
সাঁওতালরা দলগতভাবেই বসবাস করে। তাদের গোত্রের বয়স্ক ব্যক্তিই দলপ্রধানের ভূমিকা পালন করেন। শত্রুর মোকাবেলা থেকে শুরু করে যেকোনো কাজের নেতৃত্ব দেন তাদের দলপ্রধান। তাদের কেউ বিপদে পড়লে অথবা শত্রুর আক্রমণ হলে সবাই মিলে সেই শত্রুর মোকাবেলা করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে। এজন্য সবার ঘরে একটি করে বিশেষ ধরনের ঢোল আছে। যখন কেউ বিপদে পড়ে তখন সেই ঢোল বিশেষ কায়দায় বাজাতে থাকে। ঢোলের শব্দ পেয়েই সেদিকে দ্রুত এগিয়ে আসে প্রতিবেশী সাঁওতালরা। এরা শত্রুর মোবাবেলায় তীর-ধনুকের ব্যবহার করে থাকে। বাঁশ এবং বেতের তৈরি তাদের এই যন্ত্রটি কম বেশি সবাই তৈরি করতে পারে। অতিরিক্ত তীর বহনের জন্য এরা পিঠে বাঁশের তৈরি একটি বাহনও রাখে।
সাঁওতালদের মধ্যে বেশির ভাগ খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী। এছাড়াও সনাতন হিন্দু এবং বৌদ্ধধর্মের অনুসারীও আছে। তবে তাদের সংখ্যা কম। এরা নিজ গোত্রের বাইরে অন্য গোত্রের সঙ্গে পরস্পরের বিয়ে দিয়ে থাকে। সাবমারা এলাকার সাঁওতালদের আত্মীয়স্বজন এবং গোত্রের একটা অংশ পার্শ্ববর্তী জেলা দিনাজপুরে থাকে। তাদের মধ্যে যাতায়াত এবং ভালো যোগাযোগ আছে। বিয়ের পর্বগুলোর বেশির ভাগ ওই দুই জায়গার মধ্যেই পাত্র-পাত্রীর আদান-প্রদান হয়ে থাকে।
সাঁওতালরা পরস্পরের মধ্যে মাতৃভাষায় কথা বললেও বাংলা ভালো বলতে এবং বুঝতে পারে। তাদের নানা ধরনের দুঃখ কষ্ট শেয়ার করলেন আমাদের সঙ্গে। কথা হয় ৭০ বছরের হোপনা মরমুর সঙ্গে। তিনি বলেন, এক সময় তাদের জমিজমা, নিজেদের বাড়ি ছিল। ১৯৫৫-৫৬ সালে এখানকার সাঁওতাল, খ্রিস্টান ও সনাতন সম্প্রদায়সহ কিছুসংখ্যক মুসলিম পরিবারের কাছ থেকে ১ হাজার ৮৪২ একর জমি অধিগ্রহণ করে তৎকালীন পাকিস্তান শিল্প মন্ত্রণালয় রংপুর চিনিকলের ইক্ষু খামারের জন্য। বর্তমানে সেই জমিতে আখের চাষ না করে স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি রংপুর চিনিকল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় জমিগুলো লিজের মাধ্যমে দখলে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে। ইতিমধ্যে কিছু জমি তারা দখলে নিয়ে পুকুর খনন করেছে। ভোবেন মার্ডী জানান, রংপুর চিনিকল (রচিক) কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহণ নীতিমালা অমান্য করেছেন। তারা জমিতে আখ উৎপাদন না করে ধান, পাট ও কলার আবাদ করছেন। এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যক্তির নামে লিজ দেওয়া হয় কয়েকশ একর জমি। তারা দাবি করেন তাদের বাপ-দাদার এই বিশাল সম্পত্তির মালিক এখন তারা। সরকার যেন তাদের জমি ফিরিয়ে দেয়।


এদিকে সাঁওতালদের ওই পল্লীতে আধুনিকের কোনো ছোঁয়াই নেই। নেই ডিজিটাল বাংলাদেশের কোনো চিহ্ন। বিদ্যুতের আলো, টেলিভিশন নেই। নেই ডিশ লাইনও। আধুনিক বাংলাদেশ থেকে তারা অনেক দূরে অবস্থান করছে। কিছু কিছু সাঁওতাল মোবাইল ফোন ব্যবহার করলেও এর সংখ্যা অনেক কম। রাতে তাদের প্রত্যেকের ঘরে এবং বাইরে মশাল জ্বলে। দূর থেকে এসব মশাল দেখে ওই জায়গাকে দ্বীপ মনে হয়। এদের পাঁচ শতাধিক পরিবারে তিন হাজার মানুষের মধ্যে শিশুর সংখ্য পাঁচ শতাধিক। এই শিশুদের লেখাপড়ার জন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। কিছু শিশু পার্শ্ববর্তী গ্রামের স্কুলগুলোতে গেলেও দূরত্ব এবং নিজ ভাষায় শিক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় টিকতে পারে না। অন্যদিকে এই শিশুদের অধিকাংশই পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। তাদের খাদ্যের মান অত্যন্ত নি¤œ। ভাত আর আলু এখন তাদের প্রধান খাদ্য। নেই চিকিৎসা সেবার ভালো কোনো ব্যবস্থাও।

মিতুম ফুলমাডি, রুপাই টুডু, ফাতু টুডু, মেনতি, বাদল ছরেন, মামলী, মানেস কিসবু, কমলেস ও হেমরন বলেন, আমরাও অন্য মানুষের মতো ভালো থাকতে চাই। আমাদের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া শেখাতে চাই। তারা অভিযোগ করেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করার বিপরীতে কোণঠাসা করে রেখেছে। সম্প্রতি ওই নেতারা রংপুর চিনিকল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পুলিশ দিয়ে সাঁওতালদের বেশ কিছু ঘর-বাড়ি আগুনে পুড়ে দিয়েছে এবং তাদের জায়গাগুলো দখল করেছে। সেই সঙ্গে তাদের নামেই মামলাও দিয়েছে। এখন সাঁওতালরা পুলিশ, রংপুর চিনিকলের লোকজন এবং স্থানীয় এমপি বাহিনীর ভয়ে সীমানার বাইরে যেতে পারছে না। এমনকি হাট-বাজার করাও বন্ধ রয়েছে।
Source:  http://www.dhakatimes24.com/2016/08/06/122765
Share:

Friday, August 5, 2016

Rangpur sugar mill farmland: Over 1,000 Santal families left in trap

July 31, 2016 7:06 pm
More than 1,000 Santal families are left in a trap as local ruling Awami League activists, who have reportedly brought them from different districts promising them ‘restoration of their ownership’ on the lands of Shahebganj-Bagda farm of Rangpur Sugar Mills in Gaibandha, have withdrawn support for them.
The ethnic minority families are now looking forward to the help of different rights organisations and activists in ‘restoration of their ownership rights’ on the farmland.
With a call from a group of local influential people, mostly AL activists, the Santal families coming from different parts of the country set up makeshift dwellings on the farmland recently demanding ‘restoration of their ownership’ on the land.
They claimed that the then Pakistan government forcibly acquired the land from their forefathers without any compensation.
They also said that the government was supposed to restore their ownership on the land as per the acquirement agreement as the lands were no more being used for the purposes of sugarcane farming.
They occupied the lands following the formation of Shahebganj-Bagda Farm Bhumi Uddhar Songram Committee in 2015 under the leadership of AL activist Md Shakil Ahammad Bulbul and Md
Sahjahan Prodhan for the restoration of their rights on the lands.
Shakil was elected chairman of Shapmara union as an independent candidate in the recently held union parishad elections cashing the movement of the ethnic minority people, local people said.
The sugar mill authority alleged that the committee was formed to grab the farmland instigating and using the Santal families.
Shakil denied the allegation and told New Age on July 28 that he was no more with the committee.
He said that he became inactive in the committee realising that there was no valid grounds behind the demand of the Santals and a third force was using his popularity.
Shakil said that he already decided to cooperate with the government in evicting the Santals from the farmland peacefully.
General secretary of the committee Sahajahan Prodhan could not be reached despite repeated attempts for his comments.
Subol Hembrom, one of the leaders of the Santal families, talking to New Age at his makeshift camp on the farmland in the past week, said that they returned to their ‘forefathers’ land’ following a call from the committee hoping restoration of their ownership on
the land.
He said that about 1,500 families returned to the land and set up makeshift houses.
Virului Hembrom, who hailed from Pirganj of Rangpur along with five-member family, said that after being ‘evicted’ from the area in 1956 his parents moved to Pirganj and set up house on a khas land.
‘Being informed by the committee we are now here as it is our ancestral land… We want restoration of ownership on the land for our survival,’ he said.
Virlui, however, said that they were now left in a trap as they could not move freely.
Luis Hembrom, who hailed from Nababganj of Dinajpur, said that they were being attacked by the local influential people when they were going out for work.
‘We are leading a miserable life here without required food and other basic facilities,’ he said.
According to official records, the then Pakistan government acquired 1,842.20 acres of land for East Pakistan Industrial Development Corporation for the establishment of sugarcane farm at Shahebganj in 1955-1956.
An agreement between the then East Pakistan Industrial Development Corporation and the East Pakistan provincial government signed on July 7, 1962 mentioned that the land was only meant for the establishment of a sugarcane farm.
Clause 5 of the agreement stated that the lands would be returned to the original owners if the lands were found to be used for any other purpose.
Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation’s acting chairman AKM Delwar Hussain said that the Santals were claiming ownership of the land citing the Clause 5.
‘But their demand has no legal grounds as the sugar mill is in operation,’ he said, claiming that the farmlands were being used for the mills.
About one-fifth of the land was, however, found to be used for sugarcane farming and the rest was found either uncultivated or to be used for cultivate different crops.
The managing director of the sugar mills at Mohimaganj of Gaibandha, Md Abdul Awal, said that they had leased out the farmlands after the mill was laid off in 2004 but they were now using the lands for sugarcane farming by rotation cancelling the leases.
Gaibandha deputy commissioner Md Abdus Samad said that there was no provision in the existing acquisition laws to return lands to their original owners.
‘So the demand of the Santals has no legal ground and they have to leave the farmland on their own or face eviction anytime,’ he said, adding that the district administration had acquired the land giving compensation.
The local administration conducted an eviction drive on July 12 following the directive of industries ministry triggering clashes between the police and the Santals.
At a meeting at National Press Club on July 20, politician Pankaj Bhattacharya, lawmakers Ushatan Talukder and Tipu Sultan, rights activists Sultana Kamal, Syed Abul Maksud, Khushi Kabir, academics Robayet Ferdous and Sadeka Halim, ethnic minority leaders Sanjeeb Drong and Rabindranath Soren extended their support to the demand of the Santals.


Share:

Wednesday, August 3, 2016

The Santal

Thursday, 27 March 2008
The Santals are known as one of the oldest and largest indigenous communities in the northwestern belt of Bangladesh. They have been living in the pristine natural surroundings of the area for thousands of years. They might be described as children of nature who are nurtured and reared by its bounty. Santals are largely seen in the northern districts of Dinajpur, Naogaon, Thakurgaon, Panchagar, etc.
The Santals are of ebony colour with little growth by way of beard, are generally of stocky build and capable of undertaking hard labour. Physically the Santals are not prepossessing. The face is round and softly contoured; the cheekbones moderately prominent; eyes full and straight, nose broad and depressed, mouth large and lips full, hair straight, black and coarse. They are long-headed and of medium height.
By nature, they are very peace loving, honest, industrious and trustworthy people. They always respect their social customs and are satisfied with what they earn and what they eat. They have profound respect for the land they live in, the soil they till and the community they live with.
They are not acquainted with hypocrisy, double-dealing, deception, fraudulent practices and tricks and artifices used to obtain things illegally. Their bravery, courage and righteousness are well known.
They have actively participated in the Tebhaga movement led by Ila Mitra in 1950, the Santal revolt, Birsa Munda Uprising, Kol revolt, Jitu Samur Rebellion, Pandu Raja Insurgency, Swadeshi Movement and the War of Liberation in 1971.
Santal women, especially young girls, are by nature very beauty-conscious. Santal women wear ornaments on their hands, feet, nose, ears and neck and also wear peculiarly shaped ornaments on their ankles. They fix flowers on their heads and hair-buns, and make themselves graceful with simple ornaments.
Like their simple, plain and carefree way of life, their dress is also very simple. Santal dresses are called panchi, panchatat and matha. The Santal women wear coarse homespun cotton sarees of bright colours that barely reach their knees, while the upper end is flung over the shoulders. Santal men and women wear tattoos on their bodies.
Most of their houses are usually neat and clean even though built of mud. Their homestead often includes a garden. The peculiarity of the houses is that they have small and low doors and almost no window. There is practically no furniture except a wooden bedstead and bamboo machang on which the people of the comparatively well-to-do class spread their beds.
The Nabanna ceremony is undoubtedly of great importance to the rural people, and is observed during the harvest time when delicious preparations from newly harvested food grains are made and friends and relatives are entertained.
Santals have their own language, culture and social patterns, which are clearly distinct from those of other tribes. They speak Bangla fluently and have adopted many Bangla words for their own language. Most Santals are Christians now but they still observe their old tribal rites.
Although the Santals used to lead a prosperous and peaceful life in the past, their economic and social conditions are now very backward. Agriculture is their main source of livelihood. Principal food items of Santals are rice, fish and vegetables. They also eat crabs, pork, chicken, beef and the meat of squirrels. Jute spinach (nalita) is one of their favourite food items. Eggs of ducks, chickens, birds and turtles are delicacies in their menu. Liquor distilled from putrefied rice called hadia or (pachai) is their favourite drink.
Santal women are skilled in making different kinds of cakes. Most of the Santals are animists. The main weapon used for hunting and self-protection is the bow and arrow made of locally available materials.
They are fond of flowers and music. Hunting and collecting food from the forest were their primitive economic activity. Santals are divided into twelve clans and all these clans are fond of festivities. They are very proficient in music and dance.
Like Bangalis, they also have 'thirteen festivals in twelve months' and many other festive occasions around the year. Their year starts with the month of Falgun (roughly, 15 February-15 March). Almost each month or season has a festival celebrated with dances, songs and music. In the spring, Santals celebrate holi when they drench each other with colours.
To express gratitude to the god of crops is also a part of this festival. It turns into a carnival with dances, songs, music and food and drinks. Probably its greatest attraction is the choral dance of Santal girls. Another important ceremony of Santals is called Baha or the festival of blossoms. The purpose of this festival at the beginning of spring is to welcome and offer greetings to the freshly blossoming flowers. It is also characterized by dancing, singing and music.
The Santals cremate their dead bodies. But nowadays, many of them bury the dead. When an inhabitant of a village dies, the village headman's duty is to present himself at the place of the departed and arrange for the last rites with due respect.

Source:  http://www.independent-bangladesh.com/ethnic-groups/the-santal.html
Share:

Indigenous Peoples in Bangladesh: A visit to a Santal village in Dinajpur

Luis Santiago Cano |27 December 2013


 Excrements from livestock are used to make combustible sticks for fire in the kitchen
during the dry season. Photo credits: Luis Santiago Cano

With a population of almost 160 million people, Bangladesh ranks as the 8th most populated country in the world with the highest population density on the planet: 1,237.51 persons per square kilometre – growing at an estimated rate of 1.59% per year. In the 2013 Human Development Report of the UN Development Programme, the country’s Human Development Index value for 2012 is 0.515 – in the low human development category – positioning the country at 146 out of 187 countries and territories. Thirty million people can be considered ultra poor.
On a global natural disaster level, the figures are no better for the country: it ranks 1st and 6th globally in terms of vulnerability and human exposure to floods and cyclones. Similarly, the country is highly exposed to the risk of tsunami (3rd out of 76 countries) and earthquakes (17th out of 153), landslides (35th out of 162), and drought (63rd out of 162). According to recent reports, Bangladesh faces extreme risks to climate change and ranks 2nd on the Climate Change Vulnerability Index.

Considering the figures above, it is not hard to imagine how the marginalized suffer first and worst in this context, with the Indigenous People in Bangladesh one of the groups most exposed to extreme exclusion. In the Human Rights Report 2012 on Indigenous Peoples in Bangladesh by the Kapaeeng Foundation, a human rights organization for Indigenous Peoples in Bangladesh, the document states that there are more than 54 indigenous ethnic communities who have been living in Bangladesh for centuries and currently, the indigenous ethnic population is over two million people. The report further says:“The Constitution of Bangladesh does not recognise these ethnic, linguistic and cultural minorities as ‘Indigenous Peoples.’ The 15th Amendment to the Constitution in 2011 deemed Indigenous Peoples as “tribes, minor races, ethnic sects and communities,” while also calling all the people of Bangladesh, irrespective of their ethnic, linguistic and cultural backgrounds, as “Bangalee.” Indigenous Peoples rejected this provision arguing that they are Bangladeshi as citizen, but they are not “Bangalee” as a nation. They all are a separate nation possessing separate ethnic identity, culture, customs, language and society apart from Bengalis. Furthermore, a number of legal government documents, referred to “tribal,” “indigenous,” or “aboriginal” interchangeably. Indigenous Peoples rejected the 15th Amendment to the Constitution, saying that it undermined the human rights and fundamental freedoms of Indigenous Peoples.”

One of the major organizations working to assist Indigenous Peoples in the country is Caritas Bangladesh. With a national office in Dhaka, Caritas Bangladesh operates in eight regional offices with programs in integrated development, disaster management, and human resource development.
One of the oldest and largest indigenous communities is the Santal people in the northwestern belt of Bangladesh and early this month, an opportunity emerged to understand sustainable livelihood in a village in Dinajpur. This is a district in northwest Bangladesh and where Caritas Bangladesh also has a regional office.

According to different social and nonprofit organizations, the Santal are also disadvantaged, vulnerable, poor, and victims of severe exploitation and injustice. They are dominated and discriminated by the local majority communities, led by businessmen and the Mahajan (landlords and loan sharks). The Santal have very limited access to education, government programs, or activities for income generation. They suffer from poverty, landlessness, illiteracy, exploitation, and another form of “apartheid.” They are not only discriminated and exploited, but there are also many instances where they are cheated and their lands and other assets forcibly grabbed by the majority Bengali people.
The Santal are predominantly dependent on agriculture, and so they are extremely vulnerable to natural disasters and climate change. Their houses are made of mud and straw (mainly for the roofs), both of which are cheap materials and abundantly available. They still use these materials because they do not have enough income to buy bricks and metal roofs to build houses. The traditional building could be improved based on its tradition, using less expensive materials as well as introducing some technical knowledge to reduce the risk of natural disasters.
Excrement from livestock is used to make combustible sticks for fire in the kitchen, a sustainable way to respond to the limited availability of firewood, a result of the deforestation in the region. And in contrast to other poor villages around the world that do not have waste management, the village was extremely clean without any single paper or plastic around.
These are initial impressions from a very brief visit and there is much work to be done in ensuring that Indigenous People are able to attain integral human development that strengthens their capacity to engage with equity and that enables them seek sustainable livelihood options and adapt to a changing landscape.

Source: http://www.ecojesuit.com/indigenous-peoples-in-bangladesh-a-visit-to-a-santal-village-in-dinajpur/6120/







Share:

Tsai says sorry to Taiwan's aboriginal people

President Tsai with Yami leader Capen Nganaen at yesterday's ceremony, where she formally apologised to Taiwan's indigenous people for their centuries of suffering.PHOTO: AGENCE FRANCE-PRESSE
 
Jermyn Chow Taiwan Correspondent In Taipei:
President Tsai Ing-wen yesterday became Taiwan's first leader to formally apologise to the island's indigenous people, pledging to pursue a path of reconciliation with the aborigines, who have been marginalised since the arrival of Chinese immigrants 400 years ago.
In a 15-minute speech, Ms Tsai said "sorry" 10 times for the actions of past governments, which forced aboriginal groups to give up their land rights and practices as well as eroded aboriginal culture.

Share:
Copyright © The Santal Resources Page | Powered by Blogger Theme by Ronangelo